কলাপাড়া মহিপুর পৈত্রিক ভিটেমাটি ঘর নির্মাণে বাঁধা দিলে জীবননাশের হুমকি

0
14

রিমন সিকদার,  কলাপাড়া

পটুয়াাখালীর কলাপাড়ায় বহিরাগতদের পৈত্রিক ভিটেমাটি ঘর নির্মাণে বাঁধা দেয়ায় জীবন বিপন্নের আশংকায় স্বামী পুত্র নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে দু-সন্তানের জননী মোসাঃ রেহেনা বেগম। ঘটনাটি ঘটেছে কলাপাড়া উপজেলা মহিপুর থানার বিপিনপুর গ্রামে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মহিপুর থানার বিপিনপুর সাকিনের মোঃ আমির হোসেন হাওলাদার শিববাড়িয়া মৌজার এসএ ১৯ নং খতিয়ানের ৩৩ শতক জমিতে কন্যা মোসাঃ রেহেনা বেগম দীর্ঘ ৩৫ বছর আগে তার বাবা তাকে ঘর বাড়ী নির্মান করে দিয়েছে। বাবার নির্মিত বসতবাড়ীতে স্বামী রুহুল আমিন হাওলাদার, দু’ পুত্র সন্তান নিয়ে বসবাস করে আসতে থাকে। পরে রেহেনার বাবা আমির হোসেন হাওলাদার মারা গেলে সৎ ভাই রুহুল আমীন তার লোলপ দৃষ্টি পড়ে অসহায় গরীব রেহেনা বেগমের বাড়ীর জমির উপর তাকে বাড়ী থেকে তাড়ানোর জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করে আসতে থাকে। তাতে তিনি কোনো রকম ফলসুর্তি না পেয়ে একটার পর একটা মিথ্যে মামলা দিয়ে হয়রানী করে আসছে। এতে অসহায় রেহেনা বেগম দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও মেম্বারের কাছে ধর্না দিয়ে কোনো কুলকিনা করতে না পেয়ে মহিপুর থানায় একটি অভিযোগ করেছেন। তাতেও সন্ত্রাসীরা থামেনি। স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় বুধবার পুনরায় ঘর নির্মানের জন্য ঘর তোলার মালামাল নিয়ে বাড়ীতে রেহেনার বসবাসরত বাড়ীতে ঘর তোলার প্রস্ততি নিলে সন্ত্রাসী রুহুল আমিন হাওলাদার (৫৫), জাকির হোসেন (২৮) সহ ১০/১২ জনের একদল যুবক রেহেনা বেগমের উপর হামলা চালিয়ে জীবন বিপন্নের হুমকি প্রদর্শন করে। এতে রেহেনা বেগম তার স্বামী দুই পুত্র সন্তানসহ পালিয়ে বেড়াচ্ছে।
অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে স্থানীয় সংবাকর্মীরা সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সন্ত্রাসী বাহিনী তাদের ঘর তোলার মালামাল নিয়ে রেহেনা বেগম বাড়ীর পুর্ব সীমানায ঘর তোলার মালামাল স্তÍপ করে রেখেছে। এব্যাপারে প্রতিপক্ষ মোঃ আমির হোসেন চৌকিদারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমার প্রাপ্য বিক্রিত জমি ছাড়াও কবলাকৃত জমি রয়েছে। সেখানে ঘর তোলার জন্য মালামাল স্তÍপ করেছি।
এ ব্যাপারে মহিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মনিরুজ্জামান মনির এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে।

SHARE

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here