কিশোর মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক মাহবুব

0
11

নুরুল আমিন

১.
দ্বীপ জেলা ভোলার কৃতিসন্তান বরেণ্য সাংবাদিক ও মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুর রহমানের হৃদয়ের রং-তুলিতে মিশে আছে রূপসী বাংলাদেশ। তার মনের আকাশে উড়ে লাল-সবুজের পতাকা। তিনি স্বচ্ছ, সৃজনশীল ও মানবিক হৃদয়ের একজন মানুষ। ছোটবেলা থেকেই তিনি সমাজের কল্যাণ ও মানব সেবামূলক কার্যক্রমের সাথে জড়িত। সমাজে মানবহিতৈষী কাজের পাশাপাশি তিনি গভীরভাবে দেশকে ভালবাসেন। জন্মভূমিকে নিয়ে তিনি অনেক স্বপ্ন দেখেন।। রূপসী বাংলার অপরূপ প্রকৃতি, মাটি ও মানুষের প্রতি তার হৃদয়ের দুরন্ত টান। মাতৃভূমির প্রতি অগাধ ভালবাসার টানে তিনি জীবনবাজি রেখে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জেগে ওঠেন এবং মুক্তিযুদ্ধে যান।
২.
ভোলার তজুমুদ্দিন উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের  খামাররামদেবপুর গ্রামে সম্ভ্রান্ত এক মুসলিম পরিবারে ১৯৫৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মৌলভী আছমত আলী ও মাতা মোহসেনা বেগম। তার পিতা ঢাকার কলতা বাজার বড় মসজিদের ইমাম ছিলেন।  তিনি ভালো মানুষ ছিলেন। সৎ ও নীতিবান ছিলেন। অত্যন্ত সাদামাটা জীবন যাপন করতেন। মানুষের কল্যাণে তিনি কাজ করতেন। তার মা ছিলেন খুব ধার্মিক, পর্দানশীন ও সাদাসিধা আদর্শ এক মহীয়সী
নারী। মানুষের বিপদে এগিয়ে যেতেন। তার পিতামাতা দুজনেই খুব দয়ালু ও মানবিক হৃদয়ের মানুষ ছিলেন। সমাজে তাদের খুব সম্মান ও সুনাম ছিল। তিনি তার পিতামাতার মতো বিনয়ী ও উদার মনের একজন সমাজ সেবক ও দেশপ্রেমিক। পিতা-মাতার বিয়ের ২০ বছর পর তার মায়ের কোল জুড়ে আসেন মাহবুবুর রমান । ওনার জন্মের পর পরই পিতা ছেলের টানে ছুটে আসেন গ্রামে, আর ফিরে  যাননি ঢাকা কলতা বাজারে। (২য় পর্ব দেখুন।)

লেখকঃ সাংবাদিক, কলামিস্ট, কথাসাহিত্যক, কবি ও প্রাবন্ধিক। লালমোহন, ভোলা। nurulamin911@gmail.com. 01759648626.

SHARE

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here