কিশোর মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক মাহবুব (৩য় পর্ব)

0
11

নুরুল আমিন

৬. গ্রামের মানুষ পাকবাহিনীর ভয়ে কাঁপছে। অনেকে গোপনে মুক্তিবাহিনীতে যোগ দিয়েছে। তারা লুকিয়ে থাকে। যুদ্ধ করে। রাজাকার-আলবদরদের সহায়তায় পাকসেনারা গ্রামে ঢুকে মুক্তিসেনাদের খোঁজে। গ্রামের নিরীহ-নিরপরাধ মানুষের ওপর অমানুষিক নির্যাতন করে। মা-বোনদের সম্মান রাখে না। নারী-পুরুষদের নির্বিচারে খুন করে। সব মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেছে, অসহায় হয়ে পড়েছে। স্বাধীনতার লাল সূর্যের সন্ধানে এবং বাঁচার তাগিদে বড়রা মুক্তিযুদ্ধে গেছে। ছোটদের নেয়নি।
৭. মাহবুব ছোট হলেও খুব সাহসী। দেশপ্রেম তার সাহস বাড়িয়ে দিয়েছে। অদম্য সাহস বুকে নিয়ে তিনি স্বাধীনতার পথে হাঁটতে শুরু করেন। ছোট্ট ছেলে মাহবুবুর রহমানের অসীম সাহস আর বুদ্ধিমত্তা দেখে মুক্তিযোদ্ধারা অবাক হতো। তিনি মানবিক সেবা দিতেন। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ভোলা ছিল বরিশালের অধীন একটি মহকুমা। ভোলায় ৩ মে হানাদার বাহিনী আসে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতো ভোলাতেও পাকবাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার বাহিনী নৃশংস গণহত্যা, অগ্নিসংযোগ, লুট, ধর্ষণ, নির্মম নির্যাতন ও নিপীড়ন চালায়। সারা দেশের মতো এই অঞ্চলের মানুষ রুখে দাঁড়ায় এবং প্রতিরোধ গড়ে তোলে। (৪র্থ পর্ব দেখুন।)

SHARE

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here