কিশোর মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক মাহবুব (৭ম পর্ব)

0
11

নুরুল আমিন, লালমোহন

১২. তিনি বিভিন্ন রূপ ধরে পাকবাহিনীর কাছে যেতেন। মেঘনা পাড়ের গ্রামের ছেলে হওয়ার সুবাদে মাঝিমাল্লার কণ্ঠে শোনতে শোনতে কিছু গান তার মুখস্ত হয়ে যায়। তিনি তাদের সেইসব গান শোনাতেন। তার রংঢং দেখে তারা হাসতো। তিনি তাদের ভেতরের খবর জানার চেষ্টা করতেন। রাজাকার বাহিনী তাকে সন্দেহ করতো। তাতে তিনি পাত্তা দিতেন না। তার গান ও রংঢংয়ে খুশী হয়ে পাকসেনারা তাকে আদর করে বহুত আচ্ছা, বহুত আচ্ছা বলতো।
১৩. রাজাকাররা তাকে সন্দেহ করার প্রধান কারণ ছিল গ্রামের মানুষ জানতো না কে কে রাজাকার। তিনি তাদের চিহ্নিত করে দিয়েছেন এবং তাদের মুখোশ খুলে দিয়েছেন। একসময় তিনি তাদের বদনজরে পড়ে যান। তখন তাদের এড়িয়ে চলতে শুরু করেন। দূর হতে নজর রাখেন। তিনি তার গ্রামে ও স্কুলে লাল-সবুজের পতাকা উত্তোলন করেছিলেন। মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুর রহমানের জন্মস্থান খামার রামদেবপুর গ্রামটি এখন আর নেই। এটি মেঘনা নদীর ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুর রহমানের স্মৃতির পাতায় স্মৃতিময় প্রিয় সেই গ্রামটি আছে।

লেখকঃ সাংবাদিক, কলামিস্ট, কথাসাহিত্যক, কবি ও প্রাবন্ধিক। লালমোহন, ভোলা। nurulamin911@gmail.com. 01759648626

SHARE

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here