চরফ্যাশনে প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে বিরোধীয় জমির মাটি কাটার অভিযোগ

0
251

দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্কঃ

ভোলা চরফ্যাশন হাজারীগঞ্জ বিরাধীয় জমির মাটি কেটে সাবার করলেন প্রতিপক্ষরা। গত ১২ মে গভীর রাত চেয়ারম্যান বাজার সংলগ্নে স্হনীয় হাজারীগঞ্জর ৪নং ওয়ার্ড এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আবু কালাম পাটওয়ারী বাদী হয়ে চরফ্যাশন উপজলা নির্বাহী অফিসারের বরাবর আবেদন করলেন তিনি আইনগত ব্যবস্হা নিতে শশীভূষণ থানাকে নির্দেশ দেয়। ১৩ মে সকাল থানা পুলিশ মাটি কাটা বন্ধ করলেও প্রতিপক্ষরা মাটি কাটা বন্ধ করেনি। নিরুপায় হয়ে আবুল কালাম গংরা সংবাদকর্মীদের কাছে অভিযোগ দাখিল করেন।
অভিযােগ সূত্রে জানা যায়, হাজারীগঞ্জ ৪নং ওয়ার্ডর মৃত জয়নাল আবদীনের মৃত্যুর পর তার ওয়ারিশ হিসাবে ছেলে মেয়েরা জমির মালিক হন। যার মৌজা হাজারীগঞ্জ, দিয়ারা খতিয়ান নং ১৬২৮, দাগ নং ৫৫২, ৯৫৯০, ৯৫৯১, ৯৫৯২, ৯৫৯৩, ৯৫৯৪, ৯৫৯৭, ৯৭৫৫ (বাটা)। এই সম্পত্তির ৪০ শতাংশ জমির মালিক হন মৃত জয়নাল আবদীনের মেয়ে ফয়জুনেছা (৭৫)। তার আপন ভাই কাজল সিকদার ও ভাগিনা আবু কালাম পাটওয়ারীকে কােন রকম নােটিশ বা মৌখিকভাবে না জানিয়ে কুশলে একাই এলাকার মৃত বুলু বেপারীর স্ত্রী বিবি জহুরার কাছ ৪০ শতাংশ জমি বিক্রি করে দেয়। ১০/০২/২০২০ইং তারিখ শশীভূষণ সাব রেজিষ্ট্রি অফিস ক্রয়কৃত জমি সব দাগের অর্তভুক্ত থাকলেও গ্রহীতা ছাহেরা মাত্র এক দাগ জমি দখেল নেয়ার চেষ্টা করেন। যার দাগ নং ৫৫২। জমি বিক্রির সংবাদ পায় ওই সম্পত্তিতে বসবাসরত ওয়ারিশ কাজল সিকদার ও আবু কালাম পাটওয়ারী জমি ফেরত পেতে আইনগতভাবে দৌড় ঝাপ করেন। এর ধারাবাহিকতায় গত ২৫/০৩/২০২০ইং তারিখ চরফ্যাশন সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে জমি অগ্র ক্রয়ের জন্য ২টি (টাকা দাখিল) মামলা করেন। মামলার বিষয়টি জানাজানি হলে প্রতিপক্ষরা ছাহেরার ছেলে কামাল (৩৮) ও হাছনাইন (৩৫) সহ ৩০/৪০ জন লােক নিয়ে বিরাধীয় জমির ৫৫২নং দাগ রাতের আধারে ভেকু মেশিন দিয়ে ফসলি জমিটির মাটি কাটার কাজ শুরু করে। এ ঘটনায় বাদী কাজল সিকদার ও কালাম গংরা বাধা দিলে তাদেরকে হুমকি ধামকি দিয়ে তাড়িয়ে দেয়। নিরুপায় হয়ে আবুল কালাম পাটওয়ারী বাদী হয়ে ১৩ মে চরফ্যাশন উপজলা নির্বাহী অফিসার বিষয়টি আইনগত ব্যবস্হা নিতে শশীভূষণ থানাকে নির্দেশ দেন। থানা পুলিশ ঘটনা স্হলে গিয়ে মাটি কাটার কাজ বন্ধ করে দিলও তারা চলে গেলে পুনরায় মাটি কাটার কাজ চলত থাকে। সংবাদ পেয়ে সংবাদকর্মীরা ঘটনাস্হলে গেলে প্রতিপক্ষরা লােকজন জানান, গ্রহীতার দলিল সবকটি দাগ থাকলও আমরা ৫৫২ নং দাগই ৪০ শতাংশ জমি ভাগ করবাে। যদি পারেন তাহল আপনারা আইনগত ব্যবস্হ নেন। এ সময় স্হানীয় সাবেক চয়ারম্যান কামাল হােসেন জানান জমিটি ছাহেরার থেকে আমি বায়না সূত্র ক্রয় করছি। এখন থেকে জমির ভােগ দখলে আমিই থাকবাে। শশীভূষণ থানা অফিসার ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম জানান, জমি সংক্রান্ত অভিযােগ পেয়েছি আইনগত ব্যবস্হা নিব। যদি কেউ আবার মাটি কেটে থাকে তাহলে আমার জানা নই।
স্হানীয়রা  জানায়, ওই বাড়ীতে যারা বসবাস করে তারাই এই জমি পাওয়া উচিত। তবে বহিরাগত লাকার জমি ক্রয় করা ঠিক হয়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here