চরফ্যাশনে শপিং মলগুলোতে ক্রেতাদের উপছে পড়া ভীড়

0
539

কে হাসান সাজু, চরফ্যাশন

ভোলা চরফ্যাশন শহরের গার্মেন্টগুলো খুলে দেওয়া নারী-পুরুষের ঢল নেমেছে। হৈ-হুল্লোড় করে কেনাকাটার ধুম পড়ে গেছে। তিল পরিমাণ জায়গা নেই জুতার দোকানগুলোতেও। এই সুযোগে আরো ৩/৪দিন পূর্ব থেকে এনজিও সমিতিগুলো কিস্তি আদায়ে মাঠে নেমে পড়েছে। এতে কিস্তি দিতে গিয়ে বিপাকে পড়েছে ক্ষুদ্র মাঝারি ব্যবসায়ীরা।

দোকানিরা বলছে, খোলার শুরুর আগে এনজিও সমিতিগুলো কিস্তি আদায়ের অস্তির করে ফেলছে। কিস্তি না দিলে পরবর্তী আবার লোন না দেওয়ার হুমকি দিয়ে কিস্তি আদায় করে নিচ্ছে। অনেকে গোপনে কিস্তি আদায় করলেও উপকুল সমবায় সমিতি, পপুলার, বসুন্ধরা, বন্ধন, জয়সঞ্চয় গ্রান্ডার সমবায় সমিতি, মোহনা সমিতি কিস্তি আদায়ে উঠে পড়ে লেগেছে।

এদিকে ক্রেতারা বলছেন, দোকানীরা পোষাকের দাম বেশি নিচ্ছে। যে পোরাগ গত ঈদে বিক্রি করছে সাড়ে ৩০০ টাকা, সেটা এখন বিক্রি করছে সাড়ে ৫০০ টাকায়। দোকানীরা বলছেন, আমরা ঢাকা থেকে আগে লঞ্চে মালামাল আনতাম খরচ পড়তো কম। এখন দিগুন খরচে এবং একটু বেশি দামে মালামাল অনতে হয়, তাই দাম তো একটু বেশি হবেই।

বিভা ফ্যাশন মালিক মো. রায়হান বিপ্লব বলেন, সামন্য কিছু মালামাল দুলাল গার্মেন্ট আর আমি এনেছি। বাহন খরচ এবং মালের দাম আগের চেয়ে একটু বেশি দামে ক্রয় করতে হয়েছে।

পোষাক কিনতে আসা সুমাইয়া আক্তার বলেন, এতদিন বের হতে পারিনি। আজ শুনেছি সব গার্মেন্টসগুলো খোলা হয়েছে তাই বাজারের ঈদের কেনা কাটা করতে এসেছি। দাম বেশি হলেও কিনতেই হবে। তাই কিনে নিলাম।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পুরুষ ক্রেতার চেয়ে মহিলা ক্রেতার সংখ্যা দিগুণ। রবিবার সকাল ১০টায় শহরের জনতা রোড, মেইনরোড ও সদর রোড ঘুরে এসব চিত্র দেখা গেছে।

চরফ্যাশন শহর বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক, দুলাল গার্মেন্টের মালিক মো. শহীদুল ইসলাম দুলাল বলেন, সকল ধরনের যানবাহন সচারাচর না হওয়া পর্যন্ত মামামাল ক্রেরিং করে আনতে খরচ একটু বেশি পড়ে যায়। তার পরেও পূর্বের দামেই বা বিক্রির উপর ভিত্তি করে বিক্রি করার কথা বলা হয়েছে।

এ ব্যাপারের উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন জানান, উপরের নির্দেশ না আশায় পর্যন্ত কোনো এনজিও সমিতি কিস্তি আদায় করতে পারবে না। তবে সিমিত আকারে গার্মেন্টসসহ সকল ধরণের দোকানপাট খোলা যাবে।

SHARE

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here