চরফ্যাশন সিজার না করায় প্রসূতিকে ফ্লোরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ

0
416

দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্কঃ

গাইনী ডাক্তারের নির্দেশ প্রসূতিকে সিজার করতে হবে। প্রসূতির স্বাভাবিক ভাবে সন্তান প্রসব করায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওই সাংবাদিক দম্পতি প্রসূতি রোগীকে চরফ্যাশন আধুনিক হাসপাতালের ফ্লোরে রাখার অভিযোগ উঠেছে।

প্রসূতির স্বামী সাংবাদিক এম লোকমান হোসেন এ প্রতিবেককে বলেন, আমি চরফ্যাশন আধুনিক হাসপাতালের কর্মরত গাইনী ডাক্তার হোসনে আরার মাধ্যমে নিয়মিত আমার স্ত্রীকে চিকিৎসা করে আসছি। আগামী ১৯ মে সম্ভাব্য ডেলিভারির সময় দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার ভোর ৪ টা আমার স্ত্রীর স্বাভবিক ভাবে সন্তান প্রসব করে।

কিন্তু প্রসূতির রক্তক্ষরণ হলে চিকিৎসার জন্য চরফ্যাশন আধুনিক হাসপাতালে গাইনীয় ডাক্তারের দেখানো জন্যে আনা হয়। ২ তলায় কেবিনে ভর্তি করবে ঠিক এসময় খালেদ তিতুমীর বলেন, এরোগীর চিকিৎসা এখানে হবেনা, বলছেন হোসনে আরা ম্যাডাম।

রোগীকে তিতুমীরের নির্দেশ হাসপাতালের কেবিন থেকে আমাকে স্ত্রীর স্বজনদের সামনে নীচে ফেলে দেয় বর্ষা নামক এক নামধারী সেবিকা। ভুক্তভোগীরা তাদের রোগীকে চরফ্যাশন সরকারি হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করে যাচ্ছেন।

এদিকে একজন রোগীর সাথে চরম অমানবিক আচরণের বিষয়টি চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন ও উপজেলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মাহমুদ হাসানসহ গণমাধ্যম কর্মীকে জানিয়েছেন রোগীর স্বজনেরা।

অভিযোগ রয়েছে, চরফ্যাশন আধুনিক হাসপাতালে কোন রোগী এলে সিজার না লাগলে ও মোটা অংকের টাকা নিয়ে সিজার করার অভিযোগ গাইনী ডাক্তার হোসনে আরার বিরুদ্ধে।

চরফ্যাশন উপজেলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তা শাহীন মাহমুদ জানান, চরফ্যাশন আধুনিক হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। যেকোন সময় আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পঃপঃ কর্মকর্তা সাংবাদিককে বলেন, বিষয়টি দুঃখ জনক। সেখানে যেহেতু সিজার করার ব্যবস্হা আছে, অনন্ত প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে পারতে।

আধুনিক হাসপাতালের পরিচালক তিতুমির সাংবাদিক দম্পতির সাথে অমানবিক আচরণের সময় হাসপাতালে ছিলেন না বলে দাবী করেন। তবে, রোগীর স্বজনদের অভিযোগ তিতুমীর হাসপাতালে ছিল। তার নির্দেশেই আমাদের রোগীকে ফ্লোরে রাখা হয়েছে।সচেতন মহল চরফ্যাশন আধুনিক হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইনীব্যবস্হা নিতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here