চরফ্যাসনে লেবুর কদর, ভালো দাম পেয়ে খুশি চাষীরা

0
46

কে হাসান সাজু, চরফ্যাশন

ভোলার চরফ্যাসনে এবার ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ কাগজী লেবুর আশানুরুপ দাম পেয়ে চাষিরা দারুন খুশি। করোনা প্রতিরোধে ভিটামিন-সি এই লেবুর বিকল্প নেই। এছাড়া রমজান ও প্রচন্ড গরমে লেবুর চাহিদা বেড়েছে। ফলে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বাণিজ্যালয় মালিকরা চড়াদামেই চাষী ও খুচরা বিক্রেতাদের কাছ থেকে লেবু ক্রয় করে স্থানীয় বাজারসহ শহরে রপ্তানী করে দাম পাচ্ছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায় চরফ্যাসন উপজেলার অনেকে বাণিজ্যিকভাবে লেবুর চাষ করছে। অনেকে বাণিজ্যিকভাবে আবার সৌখিনভাবে লেবু চাষ করে বাজারজাত করছে। তবে অনেকে মিডিয়ায় নাম প্রকাশ্যে আপত্তি জানিয়ে বলেন, এইসব ব্যবসাকে অনেকে ভালচোখে দেখেনা। তাই নাম প্রকাশ করতে আগ্রহী নন তারা অনেকে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক চাষী বলেন, রমজান মাসে বাণিজ্যিকভাবে লেবুচাষী প্রায় ১ লাখ টাকার লেবু বিক্রি করেছেন।
চর মনোহর গ্রামের এক চাষী জানান, চার বছর পূর্বে প্রায় চার শতাংশ জমিতে এলাচি কলম্বিয়া ও কাগজি লেবুর বাগানে ৫০টি এলাচি ৪০টি কলম্বিয়া ও পরে ৩০টি কাগজি লেবু চারা রোপন করেন।

বর্তমানে তার বাগানে লেবু গাছগুলো পরিপূর্ণ হয়ে লেবু ধরা শুরু করেছে আগামী বছর থেকে বাগানের লেবু বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করে অনেক টাকা রোজগার হবে বলে আশাবাদী।

চর মাদ্রাজের ফিরোজ জানান, ৩০ হাজার টাকা খরচ করে ৮ শতাংশ জমিতে লেবুর বাগান করেন। এ যাবৎ প্রায় ৫০ হাজার টাকার লেবু বিক্রি করেছেন।

বর্তমানে মহামারি করোনা ভাইরাসের কারনে ভিটামিন-সি এই ফলের ব্যাপক চাহিদা বেড়েছে। ফলে এ অঞ্চলের লেবু চাষিরাও অধিক লাভে বিক্রি করছেন। খুচরায় এক হালি লেবু ৪০- ৬০ টাকা। মাঝে মধ্যে ৬০-৭০ টাকা হালিতে বিক্রি করছেন।

চরফ্যাসন বাজারের বৃহৎ হাওলাদার বাণিজ্যালয়ের মালিক মোকাম্মেল হাওলাদার বলেন, প্রতিদিন ৮/১০ বস্তা লেবু পাইকার আমদানী হয়। হালি হিসেবে ৩০/৩৫ টাকায় ক্রয় করেন।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আবু হাসনাইন বলেন, দাম ভাল পাওয়ায় চরফ্যাসনে বাণিজ্যিকভাবে অনেক চাষীরা লেবু চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। এ ব্যাপারে লেবু চাষাবাদে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here