চরফ্যাসনে শিশু ধর্ষণ চেষ্টা বৃদ্ধের বিরুদ্ধে

0
79

দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্কঃ

ভোলা চরফ্যাসনে ব্র্যাকস্কুলের ১ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে  বৃদ্ধ হারুন রাঢ়ীর বিরুদ্ধে। গত শনিবার দুপুরে রসুলপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের খাসপাড়ায় পরিত্যক্ত ঘরে এই ঘটনা ঘটে।  শিশু ধর্ষণচেষ্টার এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মেম্বার এমদাদুল হক মিঠু এবং ৪নং ওয়ার্ড  আওয়ামীলীগ সভাপতি সোলাইমান সালিশ বিচারের নামে জরিমানা করে ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দিয়েছেন এবং  সালিশদারদের হুমকীর মুখে ভিক্টিম পরিবার ভয়ে থানা পর্যন্ত আসতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেছেন ভিক্টিমের নানী । অভিযুক্ত বৃদ্ধ হারুন রাঢ়ী  খাসপাড়া এলাকার বাসিন্ধা। ভিক্টিম এখানে নানা বাড়িতে নানীর কাছে থাকে। নানী তাকে স্থানীয় একটি ব্র্যাকস্কুলে ১ম শ্রেণিতে ভর্তি করিয়ে দিয়েছেন।  ভিক্টিমের জম্মের পর  স্ত্রী-সন্তান ফেলে নিরুদ্দেশ্য হয়েছেন বাবা। অসহায় মা একমাত্র মেয়েসন্তানকে নানীর কাছে রেখে ঢাকায় পোষাক শ্রমিকের কাজ করছেন।
শনিবার দুপুরে বাড়ি থেকে চৌরাস্তার দোকানে যাচ্ছিলেন শিশুটি। অভিযুক্ত বৃদ্ধ পাকা আম দেয়ার লোভ দেখিয়ে শিশুকে খাসপাড়ার নিজ বসতঘরের পাশের পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে যায়। শিশুর বর্ণনা অনুযায়ী ‘পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে একটি চেয়ারের উপর বসিয়ে বৃদ্ধ নিজে নগ্ন হন এবং ভিক্টিমকেও নগ্ন করেন।’ ভয়ে শিশুটি চিৎকার দিলে বৃদ্ধ তাকে ছেড়ে দেন। ঘটনার পর রোববার  স্থানীয় মেম্বার এমদাদুল হক মিঠু ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি সোলাইমান বিষয়টি নিষ্পত্তির কথা বলে অভিযুক্ত বৃদ্ধ থেকে ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তাদের আদেশ অনুযায়ী অভিযুক্ত বৃদ্ধ ভিক্টিমের নানা-নানীর কাছে অপরাধ স্বীকার করে  ক্ষমা চেয়েছেন। এই মেম্বার আর আওয়ামীলীগ নেতার বাঁধার কারণে ভিক্টিম পরিবার থানা পুলিশ পর্যন্ত যেতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেছেন ভিক্টিমের নানাী।

সালিশদার স্থানীয় মেম্বার মিঠু বলেন,সামান্য ঘটনা। এটা এতো বড় জঘন্য কিছু না। এজন্য মাফ চাইয়ে দিয়েছি। আওয়ামীলীগ নেতা সোলাইমান বলেছেন, একটা ঘটনা ঘটেছে শুনে সালিশ করেছি। বৃদ্ধ দোষ স্বীকার করেছেন। এজন্য মাফ চাইয়ে দিয়েছি।
অভিযুক্ত বৃদ্ধ হারুন রাঢ়ী অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেছেন-গত রোববার  মেম্বার মিঠু ও আওয়ামীলীগ নেতা সোলাইমানসহ স্থানীয়রা সালিশ করেছেন। আমি দোষ স্বীকার করেছি এবং ক্ষমা চেয়েছি। তবে ঘটনা নিয়ে অর্থ লেনদেনের কথা তিনি অস্বীকার করেছেন। শশীভূষণ থানার ওসি (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম  বলেছেন, বিষয়টি থানা পুলিশের জানার বাহিরে ছিল। ভিক্টিমকে উদ্ধার করে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here