দৌলতখান পৌরসভার উন্নয়নে কাজ করতে চান মনোনয়ন প্রত্যাশী আলমগীর

0
2

দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্কঃ

আসন্ন দৌলতখান পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়নে মেয়র হতে চান পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র ও পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ আলমগীর হোসেন। নিজেকে দলের দুর্দিনের ত্যাগী ও পরীক্ষিত সৈনিক দাবি করে দলীয় মনোনয়ন পেতে সিনিয়রদের কাছে দৌড়ঝাঁপ শুরু করে দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি পৌরসভার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় গণসংযোগ ও মতবিনিময় করছেন। তার পরিবার আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত থেকে সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী, ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য তোফায়েল আহম্মেদ ও ভোলা ২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আলী আজম মুকুলের অত্যন্ত অস্থাভাজন হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন।

পিতা মুক্তিযোদ্ধা ও ইউপি মেম্বার মরহুম আব্দুর রশিদ মিয়ার হাত ধরেই তার রাজনীতিতে প্রবেশ। পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত রয়েছেন। মেজ ভাই বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আলহাজ্ব আব্দুল হাই দীর্ঘদিন ধরে দৌলতখান উপজেলা আওয়ামীলীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক পদে, ছোট ভাই আলহাজ্ব জোবায়ের হোসেন জাবু দৌলতখান উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ২ নং পৌর কাউন্সিলর পদে, সর্ব কনিষ্ঠ ভাই জাকির হোসেন রয়েছেন পৌর যুবলীগে, এছাড়া তার ছেলে হাসান দৌলতখান আবু আবদুল্লাহ কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলো। তাদের পরিবার আওয়ামীলীগের সুখে দুঃখে সবসময় নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আওয়ামীলীগের দুর্দিনে তারা নিজেদের জীবন বাজি রেখে রাজপথে লড়ে গেছেন।

এছাড়াও মোঃ আলমগীর দীর্ঘদিন ধরে পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে নিযুক্ত আছেন, একাধিকবার পৌর কাউন্সিলর পদেও নির্বাচিত হয়েছেন। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসলে তাদের পরিবার নানা ভাবে মামলা-হামলার শিকার হয়। বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে তিনি ১ বছর জেল খেটেছেন। পরে ওইসব মামলা থেকে মুক্তি পেয়েছেন।

মোঃ আলমগীর জানান, দলীয় মনোনয়ন পেলে দলের দুর্দিনের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করবো। তাদের সাথে পরামর্শ করে সকল কাজ করবো। নির্বাচনের শেষ পর্যন্ত টিকে থাকবো। দৌলতখান হলো আওয়ামীলীগের ঘাঁটি, আলহাজ্ব তোফায়েল আহম্মেদ’র ঘাঁটি, আলহাজ্ব আলী আজম মুকুল’র ঘাঁটি। এখানকার মানুষ আওয়ামীলীগকে ভালোবাসে, নৌকাকে ভালোবাসে, তোফায়েল আহম্মেদ’কে ভালোবাসে, আলী আজম মুকুল’কে ভালোবাসে। আমি বিজয়ী হলে সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী, ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য তোফায়েল আহম্মেদ ও ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মুকুলে’র সহযোগিতা নিয়ে দৌলতখান পৌরসভাকে আধুনিক শহরে রূপান্তরিত করবো।

তিনি আরো বলেন, ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর দৌলতখান পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন চেয়ে টাকা দাখিল করি। দলীয়ভাবে মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে লড়ে যাই। এরপর সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী, ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব তোফায়েল আহম্মেদ ও ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আলী আজম মুকুলের নির্দেশে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নৌকার পক্ষে কাজ করে যাই। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এই করোনার ভেতর আমি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। এমনকি প্রতিমাসে আমার বিভিন্ন বাড়ির পাওনা ভাড়ার প্রায় ৮০ হাজার টাকাও মওকুফ করে দিয়ে যাচ্ছি।

জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জননেত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনার আদর্শ বুকে ধারণ করে সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য তোফায়েল আহম্মেদ’র স্নেহধন্য হিসেবে কাজ করছি। ভোলা-২ (দৌলতখান-বোরহানউদ্দিন) আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মুকুলের আস্থাভাজন হিসেবে কাজ করে আসছি সবসময়। আমি দীর্ঘদিন ধরে পৌরসভার মানুষদের পাশে ছিলাম, বর্তমানে আছি , ভবিষ্যতেও থাকবো।

উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালে সাবেক শিল্প বাণিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহম্মেদ’র হাত ধরে দৌলতখান পৌরসভার যাত্রা শুরু হয়। এরপর ২০১০ সালে বর্তমান এমপি আলী আজম মুকুল’র হাত ধরে পৌরসভাটি ৩য় শ্রেণি থেকে ২য় শ্রেণিতে উন্নীত হয়।

SHARE

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here