বরিশালে কলেজ শিক্ষকের ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা স্বাস্থ্যকর্মী

0
101

দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্কঃ

বরিশালের বাকেরগঞ্জে এক তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের করেছেন কলেজশিক্ষক মো. শহিদুল ইসলাম। এতে তরুণী অন্ত:সত্ত¡ হয়ে পড়লে গর্ভের সন্তান শিক্ষকের চাপে নষ্ট করে ফেলে। স্থানীয় মাছুয়াখালি কমিউনিটি ক্লিনিকে স্বাস্থ্যকর্মী ওই তরুণীর সাথে কবাই ইউনিয়ন ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. সহিদুল ইসলাম মুঠোফোনে পরিচয়ের সুবাদে একপর্যায়ে প্রেম সম্পর্কে রুপ নেয়। পরে ওই তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ৯ নম্বর কলসকাঠি ইউনিয়নের কোচনগর গ্রামের আব্দুর রশিদ মাতুব্বরের শিক্ষক শহিদুল দুই বছর ধর্ষণ করেন। কিন্তু সম্প্রতিকালে তিনি এই সম্পর্কের বিষয়টি শিক্ষক অস্বীকার করে বিয়ে করছেন না জানিয়ে দিলে স্বাস্থ্যকর্মী বাকেরগঞ্জ থানায় ধর্ষণ অভিযোগে একটি মামলা করেন।

মামলার বিষয়টি বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ শুক্রবার রাতে নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়- বাকেরগঞ্জ মাছুয়াখালি কমিউনিটি ক্লিনিকে স্বাস্থ্যকর্মী তরুণীকে শহিদুল ইসলাম তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি দেয়ার আশ্বাস দেয়। এবং মুঠোফোন নম্বর নেন। ফোনে আলাপচারিতার দুই বছর পরে তিনি তরুণীকে বিয়ে করার প্রস্তাব দিয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এবং তরুণীর মা বাবা আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গেলে সেই সুযোগে শিক্ষক তাদের বাড়িতে প্রায়শই যাতায়াত করেন। এমনিভাবে যাওয়া আসার সুবাদে তরুণীকে একাধিকবার তিনি ধর্ষণ করেন। কয়েক মাস পুর্বে ধর্ষণে তরুণী অন্তঃসত্ত¡া হয়ে পড়লে চাপপ্রয়োগ করে গর্ভের সন্তান নষ্ট করতে বাধ্য করেন শিক্ষক। এ ঘটনার কিছুদিন পরে শিক্ষক তাদের প্রেম সম্পর্কের পুরো বিষয়টি অস্বীকার করেন। এবং তরুণী খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন শহিদুল ইসলামের স্ত্রী ও ২ সন্তান রয়েছে।

সাম্প্রতি স্বাস্থ্যকর্মী সংবাদ সম্মেলনে জানান, অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিকবার মামলা করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি প্রভাবশালী হওয়ায় এতে ব্যর্থ হয়েছেন। পরে ২২ জুন বাকেরগঞ্জ থানায় তরুণী নিজেই বাদী হয়ে মামলাটি করেন।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here