বাউফলে পৈশাচিক কায়দায় স্কুলছাত্রীকে নির্যাতন

0
111

আব্দুল আলিম খান, পটুয়াখালী

পটুয়াখালীর বাউফলে ফারজানা আক্তার (১৪) নামের নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে পৈশাচিক কায়দায় নির্যাতন করা হয়েছে। ঘরের মধ্যে ডুকে তাকে পেটানো হয়। চুলের মুঠি ধরে মাটিতে ফেলে এলোপতাড়ি ভাবে লাথি মারা হয়। গায়ের সেলোয়ার কামিজ ছিড়ে বিবস্ত্র করা হয়। একপর্যায়ে ছাত্রীটি অজ্ঞান হয়ে পড়লে ওই অবস্থায় তাকে মারধর করা হয়েছে। এ ঘটনাটি ঘটেছে।বাউফলের আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের মহাশ্রাদ্দি (মহেসেন উদ্দিন) গ্রামে শুক্রবার সকালে।

জানা গেছে, ফারজানা নামের ওই শিক্ষার্থীর বাবা বেল্লাল হোসেন ও তার মা ফরিদা বেগম একটি মারামারি মামলার দুই ও পাঁচ নম্বর সাক্ষী ছিল। এই মামলার বাদী সুখি বেগম নামের এক নারী। একই মামলায় বেল্লাল হোসেন ও তার স্ত্রী ফরিদা বেগম সাক্ষী হওয়ায় আসামী বাবুল সিকদার ও বাদশা সিকদার গংরা ক্ষুব্ধ হন। প্রথম দফায় গত ২৯ ডিসেম্বর ওই মামলার আসামীরা বেল্লাল সিকদারের বসতঘরে ঢুকে ভাঙচুর করে এবং তাকেসহ স্ত্রী ফরিদা বেগম ও মেয়ে ফারজানাকে মারধর করে। ফারজানা আতশখালি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। ৩০ ডিসেম্বর সুখি বেগম তার সাক্ষীদের মারধরের বিষয়টি আদালতকে অবহিত করলে ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যার দিকে বাবুল সিকদার গংরা দ্বিতীয় দফায় বেল্লাল সিকদারে বতসঘরে ঢুকে ভাঙচুর করে এবং তার স্ত্রী ও মেয়েকে মারধর করে।

শুক্রবার (১ জানুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে ফারজানা একই বাড়িতে তার চাচা সফিউল্লাহর ঘরে গেলে বাবুল সিকদার তার ভাই বাদশা সিকদার ও বোন মুক্তা বেগম ওই ঘরে ঢুকে তাকে পেটাতে থাকেন। এরপর চুলের মুঠি ধরে মাটিতে ফেলে এলোপাতাড়ি ভাবে লাথি মারে। গায়ের স্যালোয়ার কামিজ ছিড়ে প্রায় বিবস্ত্র করে। একপর্যায়ে ছাত্রীটি অজ্ঞান হয়ে পড়লে ওই অবস্থায়ও তাকে মারধর করা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here