বাউফলে যুবলীগ কর্মী খুন, প্রধান ঘাতক গ্রেপ্তার!

0
64

আব্দুল আলিম খান, পটুয়াখালী

পটুয়াখালীর বাউফলে চাঞ্চল্যকর যুবলীগ কর্মী তাপস হত্যা মামলার অন্যতম আসামী সাইমুনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রবিবার (৩১ মে) ভোর রাত ৪টার দিকে পটুয়াখালী জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ বিল্লাল হোসেনের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি দল ঢাকার বাবু বাজার একটি কর্মজীবি হোস্টেল থেকে তাকে গ্রেফতার করে।

পরে সাইমুনের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রবিবার দিবাগত রাত সারে ১২টায় পৌর শহরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাহাপাড়া সনজিৎ সাহা ওরফে সনু সাহারা বাড়ির কাছে একটি ডোবা থেকে ব্যবহৃত চাকুটি উদ্ধার করে।

গত ২৪ মে পৌর শহরের থানা সংলগ্ন জেলা পরিষদের ডাকবাংলোর সামনে একটি তোরণ নির্মাণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এমপি আসম ফিরোজ এবং বাউফল পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ জিয়াউল হক জুয়েলের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে তাপস নামের এক যুবলীগ কর্মী আহত হন এবং ওই দিন রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

গ্রেপ্তার সাইমুনের বাড়ি পৌর শহরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ওয়াদুদ মিয়া সড়কের পশ্চিম পাশে শান্ত গ্রামে। তার বাবার নাম ঝন্টু প্যাদা। এ ঘটনায় নিহতদের ভাই পঙ্কজ দাস বাদি হয়ে মেয়র জিয়াউল হক জুয়েলকে হুকুমের আসামী করে প্রথম আলোর বাউফল প্রতিনিধি এবিএম মিজানুর রহমানসহ ৩৫জনের বিরুদ্ধে বাউফল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় গ্রেফতারকৃত সাইমুন তিন নম্বর আসামী। সাইমুন গ্রেফতার হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

ডিবি পুলিশের একটি সূত্র জানায়, প্রাথমিক চিকৎসাবাদে সাইমুন উদ্ধার ওই চাকু দিয়ে নিহত যুবলীগ কর্মী তাপসকে আঘাত করার কথা স্বীকার করেছেন। ঘটনার দিন ধারণকৃত একটি ভিডিওতে সাইমুনকে চাকু হাতে যুবলীগ কর্মী তাপসকে স্টেপ করতে দেখা যায়। অনলাইন পত্রিকায় সাইমুনের চাকু হাতে একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার পর তোলপাড় শুরু হয়। এরপর সাইমুনকে গ্রেফতারের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠেন পুলিশ।

পটুয়াখালী জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ বিল্লাল হোসেন বলেন, ‘এ মামলার অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের জন্য আমরা নিবির ভাবে কাজ করে যাচ্ছি।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here