বাউফল পৌরসভা নির্বাচনে ভোটের মাঠে উওপ্ত হয়ে উঠছে

0
117

তৌহিদ হোসেন উজ্জ্বল ,বাউফল

আসন্ন ৩১ জানুয়ারি পটুয়াখালীর বাউফল পৌরসভার নির্বাচন সম্পন্ন করবে নির্বাচন কমিশন। মেয়র পদে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বীতায় পটুয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক জুয়েল দ্বিতীয় বারের মত তিনি  নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু সাধারণ সদস্য কাউন্সিলর পদে ভোটের লড়াইয়ে উত্তপ্ত হয়েছে উঠেছে নির্বাচনী মাঠ। ভোটারদের ফতোয়া এবং কুরুচিপূর্ণ প্রচার প্রচারণা, মারধর হুমকী ধমকীতে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আতংঙ্ক বিরাজ করছে। আশংঙ্কা দেখা দিয়েছে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে।

গতকাল সোমবার বিকালে পৌর সভার ৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে লড়ছেন  পৌর মেয়র সমর্থিত আওয়ামীলীগের সমর্থিত বর্তমান কাউন্সিলর নুরুল হক মিয়া মার্কা পানির বোতল। স্বতন্ত্র প্রার্থী শিবলী সাদেক লড়ছেন উটপাখি মার্কা নিয়ে। উট পাখির মার্কার সমর্থনে প্রচার পচারণার সময়ে সাখায়াত হোসেনসহ তিনজন কর্মীকে মারধর করে নুরুল মিয়ার সমর্থিত কর্মীরা। অপর দিকে ১নং ওয়ার্ডে পৌর মেয়র সমর্থিত প্রার্থী কাউন্সিলর যুবলীগ নেতা শংকর চন্দ্র পাল মার্কা টেবিল ল্যাম্প এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হারুণ মল্লিক মার্কা ডালিম নিয়ে। ডালিম মার্কার সমর্থনে হারুণ মল্লিকের সমর্থকরা ভোটারদের প্রভাবিত করছে ফতোয়া দিয়ে।

হিন্দুকে ভোট দিলে বেহেস্ত হারাম হয়ে যাবে, নোমো দেখলে নামাজ হয়না বলে ভোটারদের প্রভাবিত করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়া হারুণ মল্লিকের চাচাতো ভাই পনু , দুলাল মল্লিক, দ্বিন ইসলাম মল্লিক পুত্র আরিফ মল্লিক ভোটারদের ভয়ভীতিসহ ফতোয়া দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন কাউন্সিলর শংকর চন্দ্র পাল। ৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী নুরুল হক মিয়া জানান, স্থানীয় জমিজমা নিয়ে সফিজ আলমের সাথে বিরোধ রয়েছে; সেখানে প্রার্থীর সাথে কিছুই হয়নি।

সফিজ আলম জানান, মারধর করা হয়নি কথার কাটাকাটি হয়েছে। এ ঘটনায় উটপাখির প্রার্থী নিরাপত্তা চেয়ে সোমবার রাতে বাউফল থানা এবং নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেছেন। শিবলী সাদেক জানান, তাকে দীর্ঘদিন পর্যন্ত ভোটের মাঠে না থাকার জন্যে চাপ সৃষ্টি করছেন এবং পানির বোতলের সমর্থিত নেতাকর্মীরা। ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শংকর কুমার পাল অভিযোগ করে বলেন, তাকে কয়েকবার অপরিচিত লোকজন দিয়ে প্রাণ নাশের হুমকীসহ ফতোয়া দিয়ে ভোটারদের বিভ্রান্তির সৃষ্টি করা হচ্ছে। এ বিষয়ে তিনি নির্বাচন কর্মকর্তা ও থানা পুলিশকে লিখিত অভিযোগ করেছেন। ১নং ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য পদে ডালিম মার্কার প্রার্থী হারুণ মল্লিক জানায়, ফতোয়া কে দিয়েছে জানিনা। তবে তার কর্মীরা কাউকে ভয়ভীতি দেখায় নাই। বাউফল উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ তারিকল ইসলাম বলেন, দুটি অভিযোগ পেয়েছি, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে । বাউফল থানা অফিসার ইনচার্জ আল মামুন বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here