ভোলার স্বার্থে “মেঘনা সৈকত ” নির্মান সময়ের দাবী

0
110

শাহ গোলাম মাওলা

মাননীয় সাংসদ মহোদ্বয়গন দেশের স্বার্থে আপনাদের একটু সুদৃষ্টি ও ইচ্ছে আমাদের দ্বীপ জেলা ভোলাকে পৃথিবীর বুকে সুপরিচিত করে দিতে। আপনারা উপহার দিতে পারেন ভোলার বুকে দ্বিতীয় কক্সবাজার বা এর চেয়েও আকর্ষনীয় সুদীর্ঘ সুন্দর মেঘনা সৈকত ও পর্যটন এলাকা। যা হতে পারে এক অপার সম্ভাবনাময়ের দ্বার। আপনাদের ইচ্ছের উপর নির্ভর করছে, ভোলার ইলিশা হইতে দৌলত খান, বোরহানউদ্দিন, তজুমদ্দিন, লালমোহন, চরফ্যাশন, শশীভূষন হয়ে দক্ষিণ আইচা থানা পর্যন্ত,মেঘনা নদীর তীর রক্ষার বেড়ীবাধ এর উপড় পাকা সড়ক সাথে ঢালুটাকে লেভেল করে চলাচলের উপযুক্ত করে দেওয়া। ছবিতে দেওয়া আছে, এভাবেও করা যেতে পারে।বেড়ীবাঁধটিও হতে পারে দীর্ঘ মেরীন ড্রাইভ মেঘনা সড়ক। জানতে পারলাম ইলিশা হতে দৌলত খান পর্যন্ত ৩৬ কিলোমিটার বেড়ীবাঁধ এর উপর দিয়ে রাস্তা হবে। আপনাদের সদিচ্ছা ও আন্তরিকতায় ইহাকে পর্যায় ক্রমে বোরহানউদ্দিন, তজুমদ্দিন, লালমোহন, চরফ্যাশন, শশীভূষন ও দক্ষিণ আইচা কে সংযুক্ত করে, নির্মল নিসর্গ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যরূপ এর মোহনায় হতে পারে একটি সুদীর্ঘ মেঘনা সৈকত। যা হবে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত এরচেয়েও দীর্ঘ। গড়ে উঠতে পারে এক সুবিশাল পর্যটন এরিয়া। এতে সমগ্র ভোলা জেলার জীবনমান অনেক সুন্দর হবে। এর জন্য চাই একটি মাষ্টার প্লান। আমরা ভোলাবাসী আশা করি, আমাদের মা মাটি ও জন মানুষের আপনজন মাননীয় সাংসদ আলহাজ্ব তোফায়েল আহমেদ,আলী আজম মুকুল, আলহাজ্ব নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন ও আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব সাহেব ইচ্ছে করলে এর চাইতেও আরে ভালো, আকর্ষনীয় মনোমুগ্ধকর পরিবেশের সৃষ্টি করা সম্ভব। যা ভোলার জনমানুষের ভাগ্যাকাশে হতে পারে এক সম্ভাবনাময়ের দ্বার উম্মোচন। নির্মল নৈসর্গিক মেঘনা সৈকত। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দেখতে ছুটে আসবে হাজার হাজার পর্যটক। গড়ে উঠবে বিভিন্ন হোটেল মোটেল বাংলো রেস্তরা ইত্যাদি। এতে ভোলার মানুষের জীবন জীবিকার আয় বহুগুনে বৃদ্বি পাবে ইনশা আল্লাহ। আপনারাও চীর স্মরনীয় হয়ে হাজার বছর বেচেঁ থাকবেন ভোলার জনমানুষের হৃদয়ে। প্রিয় পাঠক ও বন্ধুগন আপনারা একমত থাকলে এটা আপনারা শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন। যাতে কর্তৃপক্ষের নজরে আসে।

ধন্যবাদান্তে – শাহ্ গোলাম মাওলা। সহকারী অধ্যাপক রাস্ট্র বিজ্ঞান

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here