মৃত্যুর পর করোনা শনাক্ত, গলাচিপায় ১০০ বাড়ি লকডাউন

0
18

আব্দুল আলিম খান, পটুয়াখালী

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার কলাগাছিয়া গ্রামে করোনায় মৃত মনিরা বেগম বাড়িসহ দুই ওয়ার্ডের ১০০ বাড়ি অর্থাৎ প্রায় ৫০০জন মানুষকে লকডাউন করে দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। একই সাথে মনিরা বেগমের স্বামী, তিন মেয়ে শ্বাশুড়িসহ ১০ জনের নমুনা সংগ্রহ করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। এদিকে লকডাউনকৃত এলাকায় চৌকিদারদের দিয়ে পাহাড়া বসানো হয়েছে। এছাড়াও লকডাউনকৃতদের খাদ্য ওষুধসহ সব বিষয় সরাসরি তদারকি করছেন উপজেলা প্রশাসন।

গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মু. মনিরুল ইসলাম জানান, গলাচিপা উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের কলাগাছিয়া গ্রামের মো. শফিকুল ইসলাম হাওলাদারের স্ত্রী মনিরা বেগম দীর্ঘদিন ধরে কিডনীসহ বিভিন্ন রোগে ভূগছিলেন। গত গত ২৭ মে কিডনীর সমস্যা নিয়ে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাধারণ ওয়ার্ডে (মহিলা) ভর্তি হন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সন্দেহ হলে মনিরা বেগমের কভিড-১৯ এর নমুনা সংগ্রহ করেন। কিন্তু ৩০ তারিখ সে মারা যায় এবং মৃত্যুর পর দিন ৩১ মে তার কভিড-১৯ শনাক্ত হয়। এর আগেই ৩০ মে মারা গেলে তাকে গলাচিপার কলাগাছিয়া গ্রামের বাড়ি সাধারণভাবে দাফন সম্পন্ন করা হয়। উপজেলা প্রশাসন মৃৃত মনিরার রিপোর্ট পাওয়ার পর ২ নম্বর ওয়ার্ডে মনিরার স্বামীর বাড়ি এবং তার পাশের ১ নম্বর ওয়ার্ডের তার বাবার বাড়িসহ দুই ওয়ার্ডের মোট ১০০ বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার মনিরা বেগমের স্বামী শফিকুল, তিন মেয়ে, শ্বাশুড়িসহ মোট ১০ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত এ পরিবারগুলো লকডাউনের আওতায় থাকবে বলে তিনি জানান। এ প্রসঙ্গে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘কলাগাছিয়া ইউনিয়নের ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের ১০০ বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। স্থানীয় চৌকিদার দিয়ে পাহাড়া বসানো হয়েছে। এ ছাড়া ওই বাড়িরগুলোর কোন ব্যক্তির খাদ্য ও ওষুধ সঙ্কট দেখা দিলে তা প্রশাসন সরবরাহ করবে বলে তিনি জানান।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here