রূপালী ধানের অপেক্ষায় গ্রামের কৃষক । ফুটবে সফলতার হাসি

0
9

দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্কঃ

গ্রামের পথে প্রান্তরে এসময় যেদিকেই চোখ যায় দেখা যায় পাকা ধানের গন্ধে চারদিক যেন মৌ মৌ করছে। বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠে রূপালী ধানের সমারোহ যেকারো মনকে আনন্দে ভরিয়ে দিবে। গ্রামের পথে প্রান্তরে যেদিকেই চোখ যায় দেখা যায় কৃষকেরা ধান কাটাতে ব্যস্ত সময় পার করছে।

সকাল হতেনা হতেই তারা কাস্তে নিয়ে মাঠে নেমে পড়েছে রূপালী ধান কাটার জন্য। কৃষকদের মুখেও এবার সফলতার হাসি। কারণ এবার যে ধানের ন্যায্য দাম তারা পাচ্ছে। প্রতি বছর ধানের দাম কম থাকায় অধিকাংশ কৃষকদের মাঝেই হতাশা নিয়ে ধান কাটতে নামতে হয়। কিন্তু এবছর তারা এক বুক আশা নিয়ে খুশি মনে ধান কাটছে। প্রতি বছর যেখানে খরচের টাকা তুলতেই অনেক কৃষককে হিমশিম খেতে হয় এবার ন্যায্য ধানের দাম থাকায় সেই হতাশা তাদের মাঝে আর নেই।

সাইফুল ইসলাম নামে এক কৃষক বলেন, “হত্যেক বছর আমগো চিন্তা থাকে যে টেহা আমরা খরচ করছি তা উডাতে পারুম কিনা। কিন্তু এবছর আল্লায় দিলে ধানের বাজারড্ডা আগের চেয়ে অনেকটা ভালা। আমগোর মাঝে আগে যেই হতাশা আছিলো এহন আর নাই। বউ বাচ্চা নিয়ে এহন দুই চারডা ভালা মন্দ খাতি পারমু।”

অন্যদিকে দেখা যায় অনেক কৃষক আবার ধানের চারা রোপণের জন্য বীজতলা প্রস্তুত করায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। কারণ ধান ত শুধু কাটলেই হবেনা। আবার সময়মতো যেন ধানের চারা রোপণ করতে পারে সেদিকেও তাদের খেয়াল রয়েছে। কৃষকদের এই হাসি মাখা মুখ দেখে দ্বিজেন্দ্র লাল রায়ের সেই বিখ্যাত কবিতা মনে পড়ে গেলো-

‘ধনধান্যে পুষ্পে ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা
তাহার মাঝে আছে দেশ এক সকল দেশের সেরা।’

হ্যা, আমাদের দেশ সকল দেশের সেরা। কারণ এই দেশের মতো এত সুন্দর দেশ পৃথিবীর অন্য কোথাও খুঁজে পাওয়া সম্ভব না। যেখানে সকল ধর্মের মানুষ কাঁধে কাঁধ রেখে নিত্যদিন তাদের কাজ-কর্ম করে থাকে। সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প এদেশের মানুষের মাঝে নেই। তারা দুবেলা দুমুঠো খেয়ে বেঁচে থাকতে পারলেই খুশি থাকে।

SHARE

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here