লালমোহনে এক প্রভাবশালী পরিবারের অত্যাচারে অতিষ্ঠ আবাসনবাসী

0
49

নুরুল আমিন,  লালমোহন 

ভোলা লালমোহন উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের সাদাপুল এলাকার পাতাবুনিয়া নর্থ গজারিয়া আবাসনের নুর জাহান ও তার দুই ছেলের অত্যাচার নির্যাতনের ওই আবাসনের বাসিন্দারা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। তারা খুব অসহায় হয়ে পড়েছে। আবাসনের পুকুর প্রতি বছর নুর জাহান, তার ছেলে ইমরান ও মানিক বিক্রি করে মোটা অংকের টাকা নিয়ে যায়। কোনো হিসাব দেয় না। বেশি দামে বিক্রি করে কম শোনায়। সেখান থেকেও দালালী নেয়। এবছর আবাসনের বাসিন্দারা নুর জাহান ও তার ছেলের মাধ্যমে পুকুর বিক্রি করবে না বলে জানিয়ে দিলে এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ছলেমান, নাসিমা, নুপুর, ইয়ামিনকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করে। পরে তাদেরকে লালমোহন হাসপাতালে এনে চিকিৎসা করানো হয়। ১৯ জানুয়ারি বিকালে নুর জাহান ও তার ছেলে তাদের ঘরের সামনে দিয়ে যাতায়াত করার সময় ছলেমান, নাসিমা, নুপুর ও ইয়ামিনকে ঘরের সামনে পথরোধ করে এবং ঘরে তুলে নিয়ে মারপিট করে। এর আগেও তাদের ঘরে সামনে দিয়ে যাতায়াত করার সময় কুলসুম, ইয়ানুর, হোসনে আরা, রহমত আলী, নাহার, মরিয়ম সহ আরো কয়েকজনকে বেদম পিটিয়ে আহত করেছে। মাইর খেয়ে বিচার পর্যন্ত চাইতে পারে না। আবাসন থেকে বের করে দেয়ার হুমকি দেয় এবং বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে হয়রানি করতে থাকে। মামলায় জড়িয়ে জেল খাটাবে, পিটিয়ে হাত পা ভেঙে এলাকা থেকে তাড়িয়ে দেবার হুমকি ধামকি দেয়। মারপিটের সময় স্বর্ণালংকার ও সাথে থাকা টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এদের অন্যায় অপরাধের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে খেসারত দিতে হয়। তার কাছে আবাসনবাসী জিম্মি হয়ে পড়েছে। আবাসনে বাসিন্দাদের ফাঁদে ফেলে তাদের থেকে টাকা আদায় করার অভিযোগ রয়েছে। নুর জাহানের স্বামীর বাড়ি নোয়াখালী। স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে এখানে থাকে। আবাসনের পাশেই তার বাপের বাড়ি। নুর জাহান আবাসনের গরিব অসহায় মানুষের উপর প্রভাব বিস্তার করে এবং কথায় কথায় গালিগালাজ করে, মারপিট করে। তার মারধর ও অত্যাচার থেকে রেহাই পায়নি আবাসনের কেউ। সে মারপিট করে আবার উল্টো অভিযোগ দায়ের করে দেয়। আবাসনের বাসিন্দারা নুর জাহান ও তার ছেলেদের অত্যাচার অবিচার থেকে রেহাই পেতে চায়। তারা এমপি আলহাজ্ব নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন মহোদয়, উপজেলা চেয়ারম্যান, নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে।

SHARE

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here