লালমোহনে নকল কাগজ তৈরি করে জমি নামজারি করে নেয়ার অভিযোগ

0
104

 মোঃ নুরুল আমিন, লালমোহন 

ভোলা লালমোহনে সৎমা ও সৎভাই বোনে মিলে চক্রান্ত করে জাহানারা বেগম নামে এক মহিলার দলিলের জমি নকল কাগজ তৈরি করে নিজেদের নামে নামজারি খতিয়ান খুলে বিক্রি করার পায়তারা দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়নের দক্ষিণ কচুয়া খালি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, পাঙ্গাশিয়া মৌজায় এসএ ১৬৬নং খতিয়ানে মৃত আলী হোসেন মাতব্বরের কন্যা জাহানারা বেগমের ২ একর ৭০ শতাংশ জমির দলিল রয়েছে। দলিল নং ৫১০০/৮৬। জাহানারার স্বামীর নাম মৃত মোহাম্মদ আলী। উক্ত জমি খরিদ করার পর থেকে জাহানারা বেগম ভোগদখল করে আসছেন। হাল জরিপে তার নামে রেকর্ড হয়েছে। যার বিএস খতিয়ান নং ৮৪০। উক্ত জমি জাহানারা বেগমের সৎমা ছবুরা খাতুন, সৎভাই আঃ রহিম ওরফে আবুল কালাম ও সৎবোন উলফতেন্নেসা নকল কাগজ তৈরি করে ভুয়া তথ্য পরিবেশন করে গোপনে নিজেদের নামে নামজারি খতিয়ান খুলে নেয়। তারা উক্ত জমি বিক্রি করার পায়তারা দিচ্ছে। নামজারি খতিয়ানে দেখা যায়, ১২৬ পঃ ১৬-১৭ নং নামজারি জমা ভাগের ১৭-১০১৬ইং এর আদেশ বলে অত্র খতিয়ানের রেকর্ডীয় জাহানারা বেগমের অংশ হতে ২-১৩ একর জমি কর্তন করে অত্র মৌজার ১৮৮৫ নং খতিয়ান খোলা হয়। ছবুরা খাতুন জং আলী হোসেন – ৩১, উলফতেন্নেসা জং আঃ মালেক – ৫৪, আঃ রহিম পিং আলী হোসেন – ১২৮, সাং পাঙ্গাশিয়া। পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়নের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোসাম্মৎ রাবেয়া খাতুন উক্ত খতিয়ানটি ২৫-১০-১৬ইং তারিখে খুলেছেন। রাবেয়া খাতুন বর্তমানে কালমা ইউনিয়নের ভূমি অফিসে কর্মরত আছেন। জাহানারা বেগম জানান, আমি কারো কাছে জমি বিক্রি করিনি এবং কোন প্রকার হেবা বা দান দলিল কাউকে দেইনি। তাছাড়া আমার সৎমা ও সৎভাই বোন কোনভাবে আমার সম্পত্তির ওয়ারিশ নয়। তাহলে কীভাবে তারা আমার নামে জমির দলিল থাকার পরেও তাদের নামে রেকর্ড করে নিলো। তিনি আরও বলেন, ভূমি অফিসের থেকে আমাকে কোনপ্রকার নোটিশ করা হয়নি। আমি কোন নোটিশ পাইনি। আমার অংশ থেকে কীভাবে জমি কর্তন করে ছবুরা খাতুন, উলফতেন্নেসা ও আঃ রহিমের নামে ভূমি অফিসার দিলেন। আমাকে কেন নোটিশ করা হলো না। তিনি নামজারি খতিয়ান বাতিল দাবি করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here