সাবেক এক মেম্বারের প্ররোচনায় বন্দোবস্ত জমি কিনে বিপাকে অসহায় পরিবার

0
20

এম এ  অন্তর হাওলাদার, বোরহানউদ্দিন

ভোলা বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ৪নং ওয়ার্ড এর হাকিমুদ্দিন বেড়িবাঁধ এলাকার ইসমাইল এর স্ত্রী নাছিমা বেগম একই এলাকার সাবেক নুরুল ইসলাম মেম্বারের প্ররোচনায় জমি কিনে দেখে বন্দোবস্তের জমি। ধার দেনা করে শেষ সম্বল দিয়ে জমি কিনে মাথায় হাত ওই পরিবারের। এলাকার মেম্বার ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে ধরনা ধরেও কোন বিচার পায়নি ভুক্তভোগীরা।
নাছিমা বেগম অভিযোগ করে বলেন, তজুমদ্দিন মলংচড়া ইউনিয়ন হতে মেঘনা ভাঙ্গনের পর হাকিমুদ্দিন বেড়িবাঁধে ছোট একটি ঘর তুলে বসবাস করছি। আমার স্বামী মালদ্বীপ থাকেন। মেয়েটি বড় হয়ে যাচ্ছে। মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার কথা চিন্তা করে ধার দেনা করে কিছু টাকা জোগার করে এলাকার হাজিবাড়ীর সাবেক মেম্বার নুরুল ইসলাম কে বললাম আমাকে কিছু জমি কিনে দিবেন। উনি বলছে তোকে ভালো জমি কিনে দিব। এ কথা বলে আমাকে চরফ্যাশন নিয়ে এক দোকানের বাহিরে রেখে জমি’র মালিক ছেলামত এর সাথে কথা বলেন। বাহিরে এসে বলেন এখানে ৩০ শতাংশ জমি দলিল সহ ৪ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা দাম পরবে। আমি উনার কথায় রাজি হলাম। বাড়িতে এসে উনার ঘরে গিয়ে সম্পূর্ণ টাকা বুঝিয়ে দেই। উনি দলিল রেজিষ্ট্রে হবে বলে আমাকে চরফ্যাশন নিয়ে যায়। একটি ঘরে বসিয়ে রেখে বলে তোমার জমি দলিল হয়ে গেছে। আমি এত কিছু বুঝি না। এলাকায় এসে ওই জমির কাগজ দেখাইলে এলাকার সবাই বলে এগুলো বন্দোবস্ত জমি। তোমাকে নোটারি করে দিয়েছে। এ জমি তুমি খেতে পারবানা। ওই থেকে খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিয়েছি। আমার স্বামী মালদ্বীপ থেকে আমাকে হুমকি দিচ্ছে আমাকে আর রাখবে না। এ বন্দোবস্ত জমি কেন কিনলাম। এলাকার গণ্যমান্যরা শালীশি করে এ নুরুল ইসলাম মেম্বারকে আমার ৪ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা ফেরত দিতে বলেন। ওই টাকা জানুয়ারীতে দেওয়ার কথা। এখনও উনার কাছে গেলে উনি আমাকে পাত্তা দেয় না। আমি আমার টাকা ফেরত চাই এবং উনার উপযুক্ত বিচার চাই। উনি কেনো আমাকে ঠকিয়ে এ বন্দোবস্তের জমি কিনে দিয়েছে।
এব্যাপার সাবেক মেম্বার রফিকুল ইসলাম এর সাথে আলাপকালে তিনি জানান, এই মহিলার পছন্দেই ওই জমি কিনা হয়েছে। মালিক বলছে ওনার নামে সকল কাগজ করে দিবে। ওই জমি খেতে পারবে। কাগজে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু এলাকার লোকজনের কু-পরামর্শে এখন আমাকে ঝামেলায় ফেলানোর জন্য দায়ী করছেন।
SHARE

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here