চরফ্যাশনে ঈদ বাজারে ক্রেতাদের উপছে পড়া ভীর ৷ মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি৷৷

0
8

কে হাসান সাজু, চরফ্যাশন

ভোলা চরফ্যাশনে ঈদ সামনে রেখে পোশাকের দোকানগুলোতে ক্রেতার ভিড় বাড়ছে৷ কিন্তু এসব দোকানে পণ্য কেনাবেচার সময় মানা হচ্ছেনা কোন প্রকার স্বাস্থ্যবিধি৷ উপজেলা প্রশাসন বা সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোরও সচেতনতা আগের মতো চোখে পরছে না৷
চরফ্যাশন বাজার কাপড়ের মার্কেট গুলো সরোজমিনে ঘুরে দেখা যায়৷ ঈদের কেনাকাটার জন্য আল হেলাল বস্রবিতান, দুলাল গার্মেন্টস, দেবশ্রী বস্ত্র বিতান, শিমলা গার্মেন্টস, কাকলি বস্ত্রালয়, প্রিন্স বিতানসহ রাস্তার পাশে হকারের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়৷  কেনাকাটার ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশনা থাকলেও ক্রেতা-বিক্রেতারা তা মানছেন না৷ শপিংমলে ক্রেতাদের প্রবেশপথে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা হাত ধোয়ার ব্যবস্থা নেই৷ কারো হ্যান্ড গ্লাভস, মুখে মাস্ক লক্ষ করা যায়নি৷ মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব৷ বিশেষ করে পোশাক ও জুতার দোকানে নারীদের বেশি ভিড় লক্ষ্যণীয়৷ তার সঙ্গে শিশু সন্তানদের নিয়ে এসেছে যা সবচাইতে অমানবিক৷
মাস্ক ছাড়া কয়েকজন ক্রেতার কাছে মাস্ক না ব্যবহারের কারণ জানতে চাইলে কেউ কেউ বলেন মাস্ক এর ফিতা ছিড়ে গেছে, মাস্ক আনতে মনে নেই, এখনই কিনে নেবো, আবার কেউ কিছু না বলে দ্রুত চলে যায়৷ এম এস স্টাইল জোনের মালিক সোলাইমান মালতিয়া জানান আমরা ক্রেতাকে মাস্ক সম্পর্কে কিছু বললে তিনি আর দোকানে আসবে না৷  যার কারণে তাদেরকে কিছু বলতে পারছিনা৷
চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইউ এইচ ও বলেন ঈদের এসময়ে স্বাস্থ্যবিধি না মানা হলে পূর্বের তুলনায় করোনা সংক্রমণ অনেক বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে৷ এ সময় মাস্ক বিহীন চলাফেরা একেবারেই ঠিক নয়৷  আমাদের এই মহামারী থেকে বাঁচতে হলে সচেতন হতে হবে এবং সেভাবে চলতে হবে৷
উপজেলা নির্বাহি অফিসার মোঃ রুহুল আমিন জানান আমরা প্রায়ই বাজারগুলোতে অভিযান পরিচালনা করছি এবং দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা বা অনেককে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হচ্ছে৷ ঈদকে সামনে রেখে আমাদের তৎপরতা আরো বৃদ্ধি করা হবে৷
SHARE

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here