চরফ্যাসনে করোনার ক্লান্তিময় সময়ে দৃষ্টিনন্দন সবজি ও ফল চাষে ব্যস্ত মোহাম্মদ আলী

0
62

কে হাসান সাজু, ব্যুরো চীফ চরফ্যাসন

“বসতবাড়িতে সবজি ও ফল চাষ সুস্থ থাকি বারো মাস” এ স্লোগান কে সামনে রেখে চরফ্যাশন পৌরসভা ৪নং ওয়ার্ড, মর্ডান পাড়ার মোহাম্মদ আলী করোনার ক্রান্তিময় অবসর সময়ে ঘরে বসে না থেকে নিজ বাসার চারপাশ ও ছাদে গড়ে তুলেছেন এক দৃষ্টিনন্দন সবজি ও ফল বাগান৷
মোহাম্মদ আলী পেশায় একজন সরকারি প্রাইমারি স্কুল শিক্ষক৷ ছোটবেলা থেকেই সবজি ও ফল বাগানের প্রতি অনেক শখ ছিল এওয়াজপুর ইউনিয়নের ইয়াকুব মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ আলীর৷  করোনার এ অবসর সময়কে কাজে লাগিয়ে চরফ্যাশন নিজ বাসার খালি জায়গায় বিভিন্ন প্রজাতির শাকসবজি ও ফল বাগান তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি৷
চরফ্যাশন পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায় খুব দ্রুতই হারিয়ে যাচ্ছে সবুজ গাছ, শাকসবজি ও ফলের বাগান৷ এমনকি সাঁতার কেটে গোসল করার সেই পুকুরও তেমন একটি চোখে পড়েনি৷ শুধু গা ঘেঁষে গড়ে ওঠা বড় বড় ইট পাথরের শত শত ভবন চোখে পড়ল৷  এখানে সমাজের কিছু মানুষ সবুজ কে ধরে রাখতে চায় নিজ আবাসস্থলে৷ তাদের একান্ত নিজস্ব ভাবনা আর প্রচেষ্টায় আপন বাড়ির চারপাশে ও ছাদে তৈরি করছে বিভিন্ন প্রকারের ফুল, ফল ও সবজি বাগান৷ এদের মধ্যেই একজন মোহাম্মদ আলী৷
বাগানের মালিক মোহাম্মদ আলী বলেন এটা সম্পূর্ণ একটি শখের বিষয়৷ শখ আর অবসর সময়কে কাজে লাগিয়ে আমার এ উদ্যোগ৷ দৈনন্দিন জীবনে এখন আর বিষাক্ত সবজি বা ফলমূল বাজার থেকে কিনতে হয় না৷ আমার বাগানের লাউ, বেগুন, করলা, পেঁপে, রেখা, টমেটো, মরিচ, ধনিয়া পাতাসহ বিভিন্ন ফল খেয়ে অনেক তৃপ্তি পাই৷  যা বাজার থেকে কেনা গুলোতে পাইনা৷ আমার মত অনেকেই চেষ্টা করতে পারেন আশাকরি সফলতা আসবে৷
চরফ্যাশন উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ আবু হাসনাইন বলেন, বাংলাদেশ সবজি উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয় স্থানে থাকলেও জনসংখ্যার তুলনায় তা প্রায় অপ্রতুল৷ জনসংখ্যা বাড়ছে এবং চাষযোগ্য ভূমি দিন দিন কমে যাচ্ছে৷ মাঠে সবজি উৎপাদনও কমে যাচ্ছে৷ তাই আমাদের প্রয়োজনীয় সবজি উৎপাদনে বসত বাড়ির আশে পাশে বা ছাদে সবজি ফলমূল চাষের বিকল্প নেই৷  মোহাম্মদ আলীর মত অন্য কেউ সবজি বা ফল চাষে উদ্বুদ্ধ হলে আমরা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করব৷
SHARE

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here