দশমিনায় দুই বছরের মাথায় পাকা সড়ক নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পথে

0
25

আব্দুল আলিম খান, পটুয়াখালী

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় জলবায়ু তহবিলের আওতায় নির্মিত পাকা সড়কটি দুই বছরের মাথায় নদীর গর্ভে বিলীন হয়েছে। কাজ শুরুর প্রাক্কালে স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্র্নীতির লিখিত অভিযোগ করলেও আমলে নেয়নি কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, টেকসই উন্নয়নের লক্ষে বিশ্ব জলবায়ু তহবিলের প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের গছানী বাজার থেকে দশমিনা সদর ইউনিয়নের হাজির হাট পর্যন্ত সাড়ে চার কিলোমিটার পাকা সড়ক ২০১৮ সালের মার্চে কোষ্টাল ক্লাইমেট রেজিরিয়েন্ট ইনফ্রাষ্ট্রাকচার (সি,সি,আর,আই,পি) জলবায়ু প্রকল্পের আওতায় নির্মান কাজ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এল,জি,ই,ডি) সম্পন্ন করেন।

স্থানীয়রা জানান, সড়কটি তেতুলিয়া নদীর তীরঘেষা পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাধ ছিল। সড়কটি নির্মাণের শুরুতে এলজিইডি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের মধ্যে মত বিরোধ চলছিল।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের পটুয়াখালীর নিবার্হী প্রকৌশলী মো. হাসানুজ্জামান জানিয়েছেন, ওই সড়কটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্মিত বেড়িবাঁধ ছিল। পরে ওখানে এলজিইডি পাকা সড়ক নির্মান করেছেন।

উপজেলা জলবায়ু ফোরামের সভাপতি পিএম রায়হান বাদল জানান, নি¤œমানের নির্মাণসামগ্রী এবং অপরিকল্পিতভাবে সড়কটি নির্মাণ করে ব্যাপক লুটপাট করা হয়েছে।

এ কারনে নির্মাণের দুই বছরের মাথায় এসে সড়কটির অর্ধেক নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে আমি সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলাম কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আমার অভিযোগ আমলে নেয়নি। বর্তমানে ওই সড়কে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

এদিকে উপজেলা এলজিইডি অফিস থেকে জানা গেছে, মো. জামাল হোসেন নামে পটুয়াখালীর এক ঠিকাদার সড়কটি নির্মাণ করেছেন। তবে ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে বিস্তারিত জানাতে পারেনি এলজিইডি অফিস।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, সড়কটি নদীগর্ভে যাওয়ার বিষয়টি শুনেছি এবং উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানিয়া ফেরদৌস করোনায় অসুস্থতায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here