নির্মাণ কাজ শেষ হলেও চালু হয়নি ২৫০ শয্যার ভোলা সদর হাসপাতাল।

0
14

আকতারুল ইসলাম আকাশ,ভোলা

নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার ছয় মাসেও চালু হয়নি ২৫০ শয্যার ভোলা সদর হাসপাতাল। বর্তমান করোনা দুর্যোগ মোকাবিলায় সাত তলা ভবনের এ হাসপাতালটি দ্রুত চালুর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, নতুন ভবনে করোনা ইউনিট স্থাপন করা হয়েছে। জনবল ও প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র পেলেই চালু করা সম্ভব। দ্বীপজেলা ভোলায় ২০ লক্ষাধিক মানুষের বাস।

জেলা শহরে রয়েছে মাত্র একটি হাসপাতাল, যা ২০০০ সালে ৫০ থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। যদিও এখন পর্যন্ত ৫০ শয্যার জনবল দিয়েই কাজ চলছে। জেলাবাসীর চিকিৎসা সুবিধার জন্য সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী বর্তমান এমপি তোফায়েল আহমেদের প্রচেষ্টায় ১০০ শয্যার ভোলা সদর হাসপাতাল ২৫০ শয্যায় উন্নীত করার ব্যবস্থা নেয় স্বাস্থ্য বিভাগ। প্রায় ৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় অত্যাধুনিক সুবিধাসংবলিত সাত তলা ভবন।

গত বছরের জুলাইয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নবনির্মিত ভবনটি হস্তান্তর করে স্বাস্থ্য বিভাগকে। কথা ছিল অক্টোবরের মধ্যেই চালুর।

তবে জনবল ও আসবাবপত্রের অভাবে আজও চালু করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয়রা জানান, দ্বীপজেলায় কেউ গুরুতর অসুস্থ হলে বরিশাল কিংবা ঢাকা নিতে হয়। দ্রুত ঢাকা বা বরিশাল নিতে ব্যর্থ হলে কেউ কেউ পথেই মারা যান।

হাসপাতালসূত্র জানান, গত অক্টোবরে প্রশাসনিক অনুমোদন হলেও জনবল নিয়োগ না হওয়ায় ২৫০ শয্যার আধুনিক হাসপাতালটি কোনো কাজে আসছে না।

রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ভবনের বিভিন্ন স্থানে শেওলা পড়ার পাশাপাশি নষ্ট হচ্ছে দরজা-জানালা। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সিরাজ উদ্দিন জানান, নতুন ভবনে সাময়িকভাবে করোনা ইউনিটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ১০০ অক্সিজেন সিলিন্ডারের অর্ডার দেওয়া হয়েছে।

সিভিল সার্জন ডা. রতন কুমার ঢালী জানান, নতুন ২৫০ শয্যার হাসপাতালের জন্য জনবল নিয়োগের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে ছাড়পত্র পেলে দ্রুত হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে। জেলা প্রশাসক মাসুদ আলম সিদ্দিক জানান, নতুন ভবনে সেন্ট্রাল অক্সিজেনের লাইন দেওয়া আছে। করোনা রোগীদের অক্সিজেন প্রয়োজন হলে তা ব্যবহারের ব্যবস্থা করা হবে।

SHARE

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here