পটুয়াখালীতে যৌন হয়রানির অভিযোগে চিকিৎসক গ্রেপ্তার

0
43

দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্কঃ

এক স্টাফ নার্সকে (৩২) যৌন হয়রানির অভিযোগে মোঃ শাহ আলম (৬৫) (অবঃ) নামের এক চিকিৎসককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি বাউফল হেলথ কেয়ার ডায়াগনষ্টিক সেন্টার এ্যান্ড ক্লিনিকের এনেসথেসিয়ার বিভাগের চিকিৎসক। তিনি একসময় বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসাবে চাকরী করতেন।
জানা গেছে, ডাঃ শাহ আলম বাউফল হেলথ কেয়ার ডায়াগনষ্টিক সেন্টার এ্যান্ড ক্লিনিকে কর্মরত অবস্থায় এক স্টাফ নার্সকে যৌন হয়রানি করে আসছিলেন। সম্প্রতি তিনি ওই স্টাফ নার্সকে তার ইচ্ছের বিরুদ্ধে আপত্তিকর কাজ করতে বাধ্য করেন। একপর্যায়ে অতিষ্ট হয়ে ওই স্টাফ নার্স সোমবার রাতে ডাঃ শাহ আলম ও বাউফল হেলথ কেয়ার ডায়াগনষ্টিক সেন্টার এ্যান্ড ক্লিনিকে পরিচালকসহ তিনজনকে আসামী করে বাউফল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এরপর ওই রাতেই বাউফল সার্কেলের সিনিয়ার সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ ফারুক হোসেনের নেতৃত্বে তাকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চালানো হয়। কিন্তু তিনি বাসার দরজা না খোলায় গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। এরপর সারারাত পুলিশ তার বাসা ঘেরাও করে রাখে। পরের দিন মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ডাঃ শাহ আলমের বাড়ি বাউফল উপজেলার দাশপাড়া গ্রামে।

বাউফল থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ওই চিকিৎককে গ্রেফতার করে পটুয়াখালী আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায়, ডাঃ শাহ আলম এ পর্যন্ত যত উপজেলায় চাকরী করেছেন সেখানেই নারী কেলেঙ্কারীর সাথে জড়িয়ে পরেন। তার বিরুদ্ধে বিভিাগীয় অভিযোগ থাকায় অবসরের পরেও এখন পর্যন্ত পেনশন সুবিধা ভোগ করতে পারেননি।

বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি সূত্র জানায়, ডাঃ শাহ আলমের এনেসথেসিয়ার সনদটি জাল। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ৬ মাসের কোর্স শেষ করে এ সনদ গ্রহণ করা হয়। কিন্তু তার সনদটি পাঁচ মাস কোর্সের। এ ধরণের সনদ দেশের কোন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে দেয়া হয়না। তিনি এই জাল সনদ দিয়ে বাউফলে দুইটি ক্লিনিকে প্রায় শতাধিক প্রসূতি মাকে এনেসথেসিয়া দিয়েছেন।

এক স্টাফ নার্সকে (৩২) যৌন হয়রানির অভিযোগে মোঃ শাহ আলম (৬৫) (অবঃ) নামের এক চিকিৎসককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি বাউফল হেলথ কেয়ার ডায়াগনষ্টিক সেন্টার এ্যান্ড ক্লিনিকের এনেসথেসিয়ার বিভাগের চিকিৎসক। তিনি একসময় বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসাবে চাকরী করতেন।
জানা গেছে, ডাঃ শাহ আলম বাউফল হেলথ কেয়ার ডায়াগনষ্টিক সেন্টার এ্যান্ড ক্লিনিকে কর্মরত অবস্থায় এক স্টাফ নার্সকে যৌন হয়রানি করে আসছিলেন। সম্প্রতি তিনি ওই স্টাফ নার্সকে তার ইচ্ছের বিরুদ্ধে আপত্তিকর কাজ করতে বাধ্য করেন। একপর্যায়ে অতিষ্ট হয়ে ওই স্টাফ নার্স সোমবার রাতে ডাঃ শাহ আলম ও বাউফল হেলথ কেয়ার ডায়াগনষ্টিক সেন্টার এ্যান্ড ক্লিনিকে পরিচালকসহ তিনজনকে আসামী করে বাউফল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এরপর ওই রাতেই বাউফল সার্কেলের সিনিয়ার সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ ফারুক হোসেনের নেতৃত্বে তাকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চালানো হয়। কিন্তু তিনি বাসার দরজা না খোলায় গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। এরপর সারারাত পুলিশ তার বাসা ঘেরাও করে রাখে। পরের দিন মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ডাঃ শাহ আলমের বাড়ি বাউফল উপজেলার দাশপাড়া গ্রামে।

বাউফল থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ওই চিকিৎককে গ্রেফতার করে পটুয়াখালী আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায়, ডাঃ শাহ আলম এ পর্যন্ত যত উপজেলায় চাকরী করেছেন সেখানেই নারী কেলেঙ্কারীর সাথে জড়িয়ে পরেন। তার বিরুদ্ধে বিভিাগীয় অভিযোগ থাকায় অবসরের পরেও এখন পর্যন্ত পেনশন সুবিধা ভোগ করতে পারেননি।

বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি সূত্র জানায়, ডাঃ শাহ আলমের এনেসথেসিয়ার সনদটি জাল। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ৬ মাসের কোর্স শেষ করে এ সনদ গ্রহণ করা হয়। কিন্তু তার সনদটি পাঁচ মাস কোর্সের। এ ধরণের সনদ দেশের কোন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে দেয়া হয়না। তিনি এই জাল সনদ দিয়ে বাউফলে দুইটি ক্লিনিকে প্রায় শতাধিক প্রসূতি মাকে এনেসথেসিয়া দিয়েছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here