বোরহানউদ্দিনে জ্বীনের বিরুদ্ধে মামলা । বিপাকে বাদী

0
40

এম এ অন্তর হাওলাদার, বোরহানউদ্দিন

ভোলা বোরহানউদ্দিনে ভূয়া জ্বীনের বিরুদ্ধে প্রতারনা মামলা দিয়ে বিপাকে বাদী। ভূয়া জ্বীনেরা কোর্ট হতে জামিনে মুক্তি পেয়ে বাদীকে অপহরণের ঘটনা ঘটায় বলে অভিযোগ করেন মো. জাকির হোসেন। এ ঘটনায় ৪ জনকে আটক করা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, মামলার বাদী মো. জাকির হোসেন (৩০) পিতা মৃত আ: বারেক সাং হাসানগঞ্জ ১নং ওয়ার্ড, ওসমানগঞ্জ, চরফ্যাশন, ভোলা। ওসমানগঞ্জের পাঙ্গাসিয়া বাজারে একটি খাবার হোটেল ও রেস্টুরেন্টের দোকান করতেন জাকির। ব্যবসার উন্নতি হবে রোগ বালাই দূর, স্বামী-স্ত্রীর অমিল, গরিব হইতে খুব দ্রæত বড়লোকের প্রলোভন দেখিয়ে বোরহানউদ্দিনের কুঞ্জেরহাট এলাকার ভুয়া জ্বীন ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন কৌশল করে বিকাশের মাধ্যমে প্রায় ১৭ লক্ষ ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। এ প্রতারণার ঘটনায় বোরহানউদ্দিন থানায় মামলা নং ০৯ তারিখ ০৬-০৮-২০২০ জাকির হোসেন বাদী হয়ে মো. রাসেল (২৭) পিতা- নসু মিয়া, মো. নসু মিয়া পিতা মৃত সামসুল হক, উভয় সাং ফুল কাচিয়া ৮নং ওয়ার্ড, মো. হেলাল (৩০) পিতা মো. নাসির উদ্দিন ফুল কাচিয়া ৫নং ওয়ার্ড, মো. শাহিন দফাদার (৩০) পিতা শাফিজল দফাদার সাং ফুল কাচিয়া ৪নং ওয়ার্ড, কাজল হাওলাদার (৪০) পিতা এমরান হাওলাদার সাং ফুল কাচিয়া ৫নং ওয়ার্ড, নোমান দফাদার (৩০) পিতা আজিজ দফাদার, রাসেল মজম (২৮) পিতা শাহে এমরান উভয় সাং ফুল কাচিয়া ৪নং ওয়ার্ড, আনোয়ার (৩০) পিতা মৃত সুলতান পাটোয়ারী সাং ফুল কাচিয়া ৫নং ওয়ার্ড, ওহিদ (২৫) পিতা মফিজল দফাদার, মো. মনির (২৫) পিতা: আ: সেলিম দফাদার, মো. কামাল (২৭) পিতা মোকলেছ সর্ব সাং ফুল কাচিয়া ৪নং ওয়ার্ড, মো. নিরব (৪৫) পিতা শাজাহান ফুল কাচিয়া ৮নং ওয়ার্ড, আমিন দফাদার (২৫) পিতা শাফিজল দফাদার সাং ফুলকাচিয়া ৫নং ওয়ার্ড সর্ব ইউনিয়ন কাচিয়া, বোরহানউদ্দিন, ভোলা সহ অজ্ঞাতনামা দিয়ে মামলা করা হয়। এদের মধ্যে ১নং আসামী মো. রাসেল ও ২নং আসামী নসু মিয়া ও ৫নং আসামী শাহিন দফাদার কে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন ডিবি পুলিশ। আটককৃত এ ৩ জন বাদীকে ৩ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা দিয়ে মিমাংস করে জামিনে মুক্তি পান। ১৪ নং আসামী মো. কামাল জেল হাজতে রয়েছে। কামাল জেল হাজতে থাকা অবস্থায় বাদী জাকির হোসেন কে অপহরণ করে নিয়ে যায় ওই প্রতারনা মামলার আসামী কাজল হাওলাদার পিতা এমরান হাওলাদার, মো. শাফিজল আমিন দফাদার পিতা শাফিজল দফাদার ও ওহিদ পিতা মফিজল দফাদার ৭০ হাজার টাকা মুক্তিপন আদায় করেন বলে জানান জাকির হোসেন। এ ঘটনায় ভোলার বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। যারনং ১১৬/২০২০ তারিখ ২৪-৯-২০২০ ইং।
এব্যাপারে মামলার বাদী জাকির হোসেন জানান, আসামীদের ভয়ে আমি এলাকায় থাকতে পারছি না। আসামীরা আমাকে অপহরণ করে ৭০ হাজার টাকা মুক্তিপন দিয়ে আমার শ্বশুর ইসলাম ব্যাপারী ছাড়িয়ে নেয়। আমি জীবনের নিরাপত্তহীনতায় ভুগছি। আমি দোষিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা দাবী করছি।

এব্যাপারে ভোলা ডিবি ওসি মো. শহিদুল ইসলাম জানান, ইতিমধ্যে ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। বাকী আসামীদের আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

SHARE

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here