ভারতে আন্দোলন: বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি বন্ধ

0
32

দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্কঃ

৪১ দিন বন্ধ থাকার পর বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য চালু হওয়ার তৃতীয় দিনের মাথায় ফের তা বন্ধ করে দিয়েছে পেট্রাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষ। ফলে দুদেশই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসহ পচনশীল পণ্য আটকা পড়ে নষ্ট হচ্ছে। এতে ফের বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।

জানা যায়, করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘ ৪১ দিন বন্ধ থাকার পর ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে গত বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে বেনাপোল বন্দর দিয়ে শুরু হয় দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য।

গত দুদিনে ভারত থেকে ১৫ ট্রাক পাটবীজ, মেস্তাবীজ ও ভুট্টাবীজ আমদানি হয়। যদিও লাইনে রয়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় বহু পণ্যসামগ্রী।

আরও জানা যায়, বেনাপোল কাস্টম হাউস প্রতিদিন ২৫ কোটি টাকার রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করে থাকে। আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকায় এ পর্যন্ত সরকারের ক্ষতি হয়েছে এক হাজার কোটি টাকা।

ভারত-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের ডিরেক্টর মতিয়ার রহমান জানান, বনগাঁ উত্তরের সাবেক এমএলএ গোপাল শেঠ ও বনগাঁ পৌরসভার মেয়র শংকর আঢ্য ডাকু পণ্য রফতানিতে বিরোধিতা করেন। তারা কালীতলা পার্কিং থেকে পণ্যবোঝাই ট্রাক আসতে বাধা দেয়। সাধারণ তৃণমূল সমর্থকদের রাস্তায় নামিয়ে দিয়ে আন্দোলন শুরু করে দেয়।

বর্তমানে কালীতলা পার্কিংয়ে দাঁড়িয়ে আছে ১ হাজার ৯৮৩টি বিভিন্ন ধরনের পণ্যবোঝাই ট্রাক। এসব ট্রাক থেকে বনগাঁ পৌরসভা প্রতিদিন ছোট গাড়ি ৫০ টাকা, ৬ চাকা ৮০ টাকা, ১০ চাকা ১২০ টাকা ও ট্রেলার ১৬০ টাকা হারে পার্কিং চার্জ আদায় করে থাকে।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান জানান, সরকারিভাবে বা কাস্টমসের পক্ষ থেকে আমদানি-রফতানি বন্ধ করা হয়নি। ট্রাকচালকদের মাধ্যমে করোনা ছড়াতে পারে, এমন অজুহাতে বাংলাদেশে পণ্য রফতানি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

বেনাপোল বন্দরের উপপরিচালক মামুন কবির তরফদার বলেন, ভারত থেকে দুদিনে ১৫ ট্রাক পণ্য আমদানি হয়েছে। নোম্যান্সল্যান্ডে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিধিবিধান মেনেই পণ্য ট্রান্সশিপমেন্ট করা হয়েছে। ভারতের বনগাঁও এলাকার জনগণের আন্দোলনের জন্য পণ্য আমদানি হয়নি। পেট্রাপোল বন্দর থেকে পণ্য এলে বেনাপোল বন্দরের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here