লালমোহনে পরকিয়ার টানে ৪সন্তানের জননী উদাও

0
753

মোঃ নুরুল আমিন, লালমোহন

ভোলা লালমোহনে স্বামী বিদেশ থাকায় পরকিয়া প্রেমিকের হাত ধরে স্বামী ও সন্তানের সাথে ৪সন্তানের জননীর ডিগবাজীর অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার চরভুতা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড রহিমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বাপ কাছে না থাকায় পরকিয়ার টানে মায়ের ডিগবাজীতে চারটি সন্তান অসহায় হয়ে পড়েছে। তারা তাদের মা ও মায়ের প্রেমিকের রোষানল থেকে বাঁচতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এবং সমাজের গণ্যমান্যদের সহযোগিতা কামনা করেন। জানা যায়, রহিমপুর গ্রামের সিরাজ হাওলাদার তার স্ত্রী আরজু খনকার, তিন মেয়ে ও এক ছেলে বাড়িতে রেখে বিদেশে যান। তিনি কয়েক বছর ধরে বিদেশ থাকেন। বাড়িতে সংসারের জন্য টাকা পাঠান। স্বামী বিদেশ থাকার সুযোগে লিটন নামে একজনের সাথে পরকিয়া প্রেমে হাবুডুবু খেতে থাকেন সিরাজের স্ত্রী চার সন্তানের জননী আরজু খনকার। প্রথম বিষয়টি তারা ধামাচাপা দিয়ে চললেও পরে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে জানাজানি হয়ে যায়। এক পর্যায়ে পরকিয়া প্রেমিকের হাত ধরে স্বামী সংসার ও চার সন্তানের মায়া ছেড়ে চলে যান ওই গৃহবধূ আরজু খনকার। শুধু তাই নয়, স্বামী সিরাজ জমি কিনে বিদেশ থেকে টাকা টাকা পাঠিয়েছে জমির দলিল চার সন্তানের নামে করার জন্য। কিন্তু আরজু খনকার গোপনে তার পরকিয়া প্রেমিক লিটনের সাথে যোগাযোগ করে উক্ত জমি সে তার নামে দলিল করে। সম্প্রতি আরজু খনকার প্রবাসে থাকা স্বামী সিরাজকে তালাক দিয়ে লিটনকে বিয়ে করে এবং লিটনের নামে ওই জমি দলিল দিয়ে দেয়। সন্তানদেরকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। পরে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে বিষয়টি জানাজানি হয়ে গেলে কৌশলে ছেলেটি তার কাছে রাখে এবং তিন মেয়েকে তাড়িয়ে দেয়। উল্লেখ্য দুটি মেয়ের বিয়ে হয়েছে। আরেকটি এখনো ছোট। মেয়েরা মায়ের এমন কুকর্মে অতিষ্ঠ হয়ে লালমোহন থানায় অভিযোগ দায়ের করে। সেই প্রেক্ষিতে সমাজের গণ্যমান্যদের নিয়ে বসাবসি হয়। তাতে জমির দলিল চার সন্তানের নামে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু আরজু খনকার ও তার পরকিয়া স্বামী লিটন এলাকা থেকে সরে গিয়ে ওই ঘর লিটনের আগের স্ত্রী রুমা ও লিটনের মা মানিকজানকে দখল বুঝিয়ে দেয়। তারা ঘর দখল করে রাখে এবং ওই ঘরে সিরাজের ছেলেমেয়েদের ঢুকতে দেয় না। পরে তারা আবার লালমোহন থানার শরণাপন্ন হলে তাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ গিয়ে ওই ঘর থেকে লিটনের স্ত্রী ও লিটনের মাকে চলে যেতে বলে। সিরাজের মেয়ে আকলিমা, কারিমা ও রোজিনা জানায়, মা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অযুহাত দেখিয়ে আমাদের থেকে স্টাম্পে স্বাক্ষর নিয়েছে। এখন ওইসব স্টাম্পে টাকার অংক বসিয়ে বিভিন্ন লোক দিয়ে টাকা পাবে বলে আমাদের হয়রানি করতেছে। আমাদের থেকে ব্লাংক স্টাম্পে স্বাক্ষর নিয়েছেন। তারা তিন বোন আরো জানায়, আমাদের ছোট ভাই মিজানকে উনি লুকিয়ে রেখেছেন। উনার কাছে আমরা ভাইবোন কেউ নিরাপদ নয়। আমাদের ভাই মিজানকে আমাদের কাছে চাই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here