ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার পক্ষিয়া ইউনিয়নে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের দেশীয় অস্ত্রের হামলায় গুরুতর আহত ছলেমান বয়াতির শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে। ভোলা সদর হাসপাতাল থেকে তাকে আজ রাতেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।
এর আগে বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার পক্ষিয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পূর্বপরিকল্পিত হামলায় পিতা-পুত্র ও পুত্রবধূসহ তিনজন গুরুতর আহত হন।
হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ছলেমান বয়াতি ও তার পুত্রবধূ রূপবানকে প্রথমে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছলেমান বয়াতির আঘাতের তীব্রতা ও রক্তক্ষরণ বৃদ্ধি পাওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে দ্রুত ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন। বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। এছাড়া অপর আহত রূপবান ভোলা সদর হাসপাতালে এবং আব্বাস আলী বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে একই এলাকার সাকিল, মনজু, মামুন, মমিন, ছালাউদ্দিন ও আব্বাসসহ ১৫-২০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এই হামলা চালায়। এ ঘটনায় এলাকায় এখনো চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এ ঘটনায় গুরুতর জখম ছলেমন বয়াতির ছেলে আওলাদ হোসেন বাদী হয়ে বোরহানউদ্দিন থানায় এজাহার দায়ের করেন।
বোরহানউদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আশ্রাব আলী জানান, আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।