1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
সোমবার, ১৫ অগাস্ট ২০২২, ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কলাপাড়ায় জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে কৃষক লীগের আলোচনা সভা ও দোয়া ৭১ এর পরাজিত শক্তি দেশকে অস্থিতিশীল করতে বিভিন্ন চক্রান্ত করে যাচ্ছে – এমপি শাওন পটুয়াখালীতে অধ্যক্ষের অপসারণ দাবিতে টায়ার জ্বালিয়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ চরফ্যাশনের ছিদ্দিক এখন হাইকোর্টের আইনজীবী পিরোজপুরে গরম ডালে ঝলসে যাওয়া শিশুর মৃত্যু বাউফলে প্রবাসীর উপর আতর্কিত হামলা, কারাগারে ইউপি সদস্য উন্নয়ন ও গণতন্ত্রবিরোধী চক্রের সকল অপতৎপরতা ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করতে হবে- এমপি শাওন বাউফল জিও ব্যাগ ফেলে নদীর তীর সংরক্ষণ প্রকল্প উদ্ভোধন স্মরণে রিন্টুর বড় বোন এমপি সুলতানা নাদিরা শোক দিবসের এই দিনে  রিন্টুকে মনে পড়ে অভিভাবক ও শিক্ষকদের মধ্যে একটি কার্যকর যোগাযোগ নিশ্চিত করতে হবে-পুলিশ কমিশনার

মাথা গোঁজার জন্য একটি ঘরের আকুতি জাহানারা’র

জাহিদ দুলাল, লালমোহন
  • আপডেট : শনিবার, ৩০ জুলাই, ২০২২
  • ৫৪ বার পঠিত

জাহিদ দুলাল, লালমোহন

প্রায় ৪৭ বছর বয়সী মোসা. জাহানারা বেগম। তার স্বামী আবু খাঁ লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে পরপারে পাড়ি দিয়েছেন প্রায় ১৪ বছর আগে। এরপর থেকে নিরুপায় হয়ে ভোলার লালমোহনের সূর্যের হাসি ক্লিনিকের সামনে সড়ক ও জনপথ বিভাগের খাস জমিতে এক সন্তান নিয়ে অর্ধাহারে-অনাহারে দিন পার করছেন জাহানারা বেগম। তার মাথা গোঁজার জন্য যে বসতঘরটি রয়েছে তাও জরাজীর্ণ। ঘরটির চারপাশে হোগলা পাতা দিয়ে বেড়া দেয়া, আর চালার নষ্ট হওয়া টিনের ওপর দেয়া পলিথিন। যেকোনো মুহুর্তে ভেঙে পড়তে পারে ঝুপড়ি ঘরটি। জাহানারার কাছে এ যেন প্রতিদিন মৃত্যুর প্রহর গণা!
জানা যায়, মুজিববর্ষ উপলক্ষে লালমোহন উপজেলায় মোট সাড়ে ৫শত ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর প্রদান করা হয়। অথচ এত অসহায় হওয়ার পরেও এই হতভাগি জাহানারার ভাগ্যে জোটেনি প্রধানমন্ত্রীর উপহারের একটি ঘর।
আকুতি নিয়ে জাহানারা বেগম বলেন, এরমধ্যে কত মানুষকে সরকারিভাবে ঘর দেয়া হয়েছে। আমিও একটি ঘরের জন্য ইউএনও স্যারের কাছে কয়েকবার গিয়েছি। তিনি দিবেন বলেছে, তবে এখন পর্যন্ত আমি ঘর পাইনি। বর্তমানে আমি যে ঘরটিতে বাস করছি সে ঘরটির খুবই খারাপ অবস্থা। বৃষ্টি হলে পানি পড়ে ঘরের ভেতরে। তখন সন্তানকে নিয়ে নির্ঘুম রাত কাটে আমার। আবার জমিটুকুও খাস।
জাহানারা আরও বলেন, স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে মানুষের বাসায় ঝিয়ের কাজ করে কোনোভাবে খেয়ে না খেয়ে বেঁচে আছি। এখন বয়স হয়েছে। শরীরেও বাসা বেঁধেছে অনেক অসুখ। তাই এখন আর ঠিকমত কাজও করতে পারি না। যার জন্য সরকারের কাছে দাবী; আমাকে একটি বসত ঘর নির্মাণ করে দেয়াসহ নিয়মিত চাল সহায়তা পেতে ভিজিএফ বা ভিজিডির একটি কার্ড করে দেয়ার। তাহলেই মরণ পর্যন্ত একটু ভালোভাবে বেঁচে থাকতে পারবো।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পল্লব কুমার হাজরা বলেন, সড়ক ও জনপথের ওই স্থানে যারা বাস করছে তাদের সকলকে ডাকা হয়েছে। ডেকে তাদেরকে সরকারি আশ্রয়ণের ঘর দেয়ার কথাও বলা হয়েছে। এরমধ্যে অনেককে পৌরসভার ভেতরেও ঘর দেয়া হয়েছে। যারা বাদ পড়েছে তাদেরকে উপজেলার অন্যান্য আশ্রয়ণগুলোতে যাওয়ার জন্য বললে তারা রাজি হয়নি। যার জন্যই হয়তো জাহানারা ঘর পাননি। তারপরেও সামনে এধরনের কোনো সুযোগ আসলে তাকে ঘর দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর
%d bloggers like this: