1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
বাউফলে লঞ্চের ধাক্কায় বাবা-ছেলে আহত - দ্বীপকন্ঠ নিউজ ২৪
শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ১১:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মা রান্নার কাজে ব্যস্ত, ঘরে বিদ্যুৎষ্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ গেল একমাত্র সন্তানের লালমোহনে দুদকের উদ্যোগে দুর্র্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত দুমকী উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হামলা-পাল্টা হামলা বাউফলের ধুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয় অধ্যক্ষর বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ইমতিয়াজ আহমেদ বাবুলকে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মনোনয়ন প্রদান দুমকিতে ঘোড়া মার্কার তিন কর্মীকে মারধরের অভিযাগ লালমোহনে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলা, আহত-২ লালমোহনে জোরপূর্বক জমি দখল পরবর্তী সন্ত্রাসী হামলায় আহত-৫ কলাপাড়ায় স্ত্রী কর্তৃক প্রবাসী স্বামীর টাকা আত্মসাতের অভিযোগ লালমোহনের আট ব্যক্তিকে হজ্জে পাঠানোর নামে হাজী কামালের বেপরোয়া অর্থ বানিজ্যর অভিযোগ

বাউফলে লঞ্চের ধাক্কায় বাবা-ছেলে আহত

দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্ক:
  • প্রকাশিত : সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ১৪২ বার পঠিত
Spread the love

দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্কঃ

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা-সংলগ্ন তেঁতুলিয়া নদীর চরমিয়াজান এলাকায় আজ সোমবার দিবাগত রাত পৌনে তিনটার দিকে লঞ্চের ধাক্কায় নৌকা ভেঙে ডুবে যায়। ওই সময় নৌকায় থাকা মো. স্বপন ব্যাপারী (৪০) ও তাঁর শিশু ছেলে মো. আবদুল্লাহ (১৩) লঞ্চের নিচে চলে যায় এবং লঞ্চের পাখায় লেগে গুরুতর আহত হন।

স্থানীয় জেলেরা বাবা ও ছেলেকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। আবদুল্লাহকে আশংঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

জরুরী বিভাগের দায়িত্বে থাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মিরাজুল ইসলাম বলেন,আবদুল্লাহর ডান হাতে ও দুইপায়ে রক্তাক্ত জখম রয়েছে। এর মধ্যে ডান পায়ের হাটুর ওপরের হাড় ভেঙে একাধিক টুকরা হয়েছে। খুবই গুরুতর। তাই প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়ছে। আর বাবার মাথায় আঘাত রয়েছে।

নিমদী লঞ্চঘাটের ইজারাদার, আহত জেলে স্বপন ও নদীতে থাকা অন্য জেলেদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রোববার রাতে তেঁতুলিয়া নদীর চরমিয়াজান এলাকায় জাল ফেলে নৌকায় ছিলেন স্বপন ও তাঁর শিশু ছেলে আবদুল্লাহ। ঢাকা থেকে পায়রাবন্দরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা জামাল-৮ লঞ্চটি এসে রাত পৌনে তিনটার দিকে ওই নৌকাটিকে ধাক্কা দিলে নৌকাটি ভেঙে তলিয়ে যায়। ওই সময় স্বপন ও আবদুল্লাহ লঞ্চের নিচে চলে যায়। লঞ্চের চলমান পাখার সঙ্গে লেগে আবদুল্লাহর শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্তাক্ত গুরুতর জখম হয়।

আহত স্বপন কাঁদতে কাঁদতে বলেন,‘তলিয়ে যাওয়ার পর উইটকা (উঠে) আমার বাবারে (আবদুল্লাহ) খুঁজছিলাম। একপর্যায়ে আবদুল্লার কান্না শুনতে পাই, ও (আবদুল্লাহ) বলছিলো বাবাগো আমারে বাঁচাও। আমি সাতরাইয়া যাইয়া আমার বাবারে হাতের ওপর ভাসাইয়া রাখি, আর বাঁচাও বাঁচাও বলে ডাক (চিৎকার) দেই। অন্য জাইল্লারা (জেলে) আইয়া আমাগো বাপ-ছেলেরে উদ্ধার করে।’

এ বিষয়ে জানার জন্য লঞ্চের সুপারভাইজার মো. আবদুল কাদেরের মুঠোফোনে অসংখ্যবার কল করলে তিনি ধরেননি।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন বলেন,‘খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Please Share This Post in Your Social Media

আরো পড়ুন
error: Content is protected !!