1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
চরফ্যাশনে মরা গরুর মাংশ জব্দ - দ্বীপকন্ঠ নিউজ ২৪
রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০১:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ভাগ্যেন্নয়নে কাজ করছেন-এমপি শাওন লালমোহনে ইলিশের অভয়াশ্রম এলাকায় জনসচেতনতা সভা বোরহানউদ্দিন হাসপাতাল দালালদের খপ্পরে, প্রতারিত সাধারন রোগীরা ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক সন্ত্রাস উগ্রবাদ নিরসন প্রশিক্ষণ কর্মশালা বাউফলে সেতু আছে রাস্তা নেই ভোলার আলোচিত মাদক কারবারি বিয়ারসহ আটক মনপুরা কলাতলী ইউপি নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় চেয়ারম্যান পদে আলাউদ্দিন হাওলাদার নির্বাচিত আজিজিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা পদক ও সাংস্কৃতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত এমপি শাওনকে লালমোহন পৌরসভার পক্ষ থেকে নাগরিক সংবর্ধনা চরফ্যাশনে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় শিক্ষকসহ ১৭ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

চরফ্যাশনে মরা গরুর মাংশ জব্দ

দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্ক:
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ১৯৪ বার পঠিত
Spread the love

ভোলার চরফ্যাশনে মৃত গরুর মাংস উদ্ধার করা হয়েছে। ওই মৃত গরুর মাংস সংগ্রহের সময় কাউন্সিলর আসায় সব ফেলে ভয়ে দৌড়ে পালিয়ে যান কসাই। মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ভোরবেলা মাংস বাজার সংলগ্ন পৌরসভা ৮ নম্বর ওয়ার্ডের টিপুর মিয়া বাড়ির কাছের এলাকা থেকে মাংস জব্দ করে চরফ্যাশন থানা পুলিশ।

এলাকা ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের ন্যায় আজও মাংস বাজারের গরু জবাই শুরু হয়। সেখানে নোমান কশাইয়ের গরুটি ডাক্তারি পরীক্ষা-নিরীক্ষায় রোগাক্রন্ত ধরা পড়ে। গরুটি শোয়া থেকে উঠতেও পারছিল না। এ অবস্থায় ভোরবেলা লোকচক্ষুর আড়ালে বাজার থেকে গরুটিকে সরিয়ে মুরগী ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম টিপু মিয়ার বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় জবাই করতে নিলে গরুটি মারা যায়।

চরফ্যাশন শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আকতারুল আলম সামু বলেন, ভোরবেলা ফোনকলে আমি মৃত গরু জবাইয়ের কথা জানতে পারি। পরে আমি-সহ কয়েকজন সংবাদকর্মীসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে কশাই নোমান (৩৪), রায়হান (২৮), রাছেল (৩২) ও কবির (৩০) যন্ত্রপাতি ও জবাইকৃত গরুর মাংস ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। সেখানে পৌর মেয়র মোরশেদও পৌঁছান। থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ মরা গরুর মাংস জব্দ করে থানা নিয়ে যায়।

কয়েকজন অসাধু কশাইয়ের কারণে মাংস বাজারের বদনাম ছড়াচ্ছে। এরাই বার বার অসুস্থ গরু জবাই করে মানুষকে খাওয়াচ্ছে। এদেরকে পৌরসভা থেকে লাইসেন্সও দেওয়া হয়নি। মাংস বাজারের গরুর জবাইয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মাওলানা আবু তাহের বলেন, পশু ডাক্তার গরুটিকে রোগাক্রান্ত চিহ্নিত করেন। তাই আমি গরুটি জবাই করিনি।

চরফ্যাশন উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আবু সাইদ বলেন, নোমান কশাইয়ের গরুটি রোগাক্রন্ত, শোয়া অবস্থা থেকে উঠতে না পারছিল না। তাই গরুটিকে বাতিল করা হয়। পরে তারা গরুটিকে পাশের এলাকা নিয়ে জবাই করে বলে শুনেছি।স্থানীরা বলেন, মরা ও রোগাক্রন্ত গরুটি লোকসমাজের আড়ালে জবাই করে এভাবে ফ্রিজে রেখে পরদিন ভালো গরুর মাংসের সঙ্গে মিশিয়ে বিক্রি করা হতো। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া দরকার।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো পড়ুন
error: Content is protected !!