1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
দেশজুড়ে বাড়ছে লালমোহনের সুপারির কদর, যাচ্ছে বিদেশেও - দ্বীপকন্ঠ নিউজ ২৪
বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ০৮:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে প্রবাসী কল্যাণ সংগঠনের ঈদ উপহার বিতরণ ঈদুল আযহা উপলক্ষে মাংস বিতরণ করেছেন তারুণ্যের প্রেরণা সংগঠন পাথরঘাটায় ৪২ মণ সামুদ্রিক মাছসহ আটক -১৩ কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঘুর্ণিঝড় রিমেলে ক্ষতিগ্রস্ত ২৫০ পরিবারের মধ্যে নগদ সহায়তা প্রদান শেখ হাসিনার সরকার দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন- এমপি শাওন কাঠালিয়ায় সাপের কামড়ে নারীর মৃত্যু বাউফলে ছাগল চোর আটক, এলাকাবাসীর গনধোলাই ‘লঞ্চে সন্তান প্রসব, মা-শিশুর আজীবন ভাড়া ফ্রি’ ভোলা জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ মাহবুব-উল-আলম- শ্রেষ্ঠ থানা লালমোহন লালমোহনে অটোরিকশার চাকায় পৃষ্ট হয়ে ৫ বছরের শিশু নিহত

দেশজুড়ে বাড়ছে লালমোহনের সুপারির কদর, যাচ্ছে বিদেশেও

জাহিদ দুলাল
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২২
  • ১৭৯ বার পঠিত
Spread the love

জাহিদ দুলাল, লালমোহন

কেবল দেশেই নয়, ভোলার লালমোহনের সুপারির কদর রয়েছে বিদেশেও। স্বাদ ও মানের দিক থেকে দ্বীপ জেলা ভোলা তথা লালমোহন উপজেলার সুপারির বেশ সুনাম রয়েছে। বর্তমানে উপজেলার বাজারগুলোতে শুকনো সুপারি আড়াই শত থেকে সাড়ে তিনশত টাকা কেজি এবং পাকা সুপারি স্থানীয় ভাষায় এক বি (৩২০ পিস) পাঁচশত থেকে ছয়শত টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এতে করে বছরের এই সময়ে সুপারি দিয়ে বাড়তি আয় করছেন বাগান মালিকরা।

লালমোহনের রমাগঞ্জ ইউনিয়নের সুপারি ব্যবসায়ী মো. ইউসুফ ও নূরেআলম বলেন, এ বছর গাছে সুপারি কম ধরেছে। বাজারে সুপারি কম হওয়ায় দাম আর চাহিদা অনেকটা বেশি। প্রতি বছরের এই সময়ে গ্রাম-গঞ্জের হাট-বাজার থেকে সুপারি কিনে উপজেলা সদরের আড়তদারদের কাছে বিক্রি করি।
লালমোহন পৌরশহরের আড়তদার হাজী মো. মনির মিঝি বলেন, লালমোহন থেকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মোবাইলের মাধ্যমে বড় বড় ব্যবসায়ীদের কাছে সুপারি বিক্রি করছি। তারা আবার এসব সুপারি প্রক্রিয়াজাত করে বিদেশেও রপ্তানি করছেন।

উপজেলার রমাগঞ্জ, ধলিগৌরনগর ও চরভূতা ইউনিয়নের সুপারি বাগানের মালিক মো. বাবুল মিয়া, মো. বশির উল্যাহ, মো. শামীম পাটওয়ারী ও আব্দুল বারেক জানান, এ অঞ্চলের অধিকাংশ বাড়িতে সুপারির বাগান রয়েছে। কোনো পরিশ্রম ছাড়াই গাছে সুপারি হয়। প্রতি বছর এ সুপারি বিক্রির মাধ্যমে গড়ে পঞ্চাশ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত বাড়তি আয় করা সম্ভব হচ্ছে।

লালমোহন উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রব মোল্লা বলেন, উপজেলায় এক হাজার ১৩৫ হেক্টর জমিতে সুপারির বাগান রয়েছে। সুপারি চাষে তেমন পরিশ্রমের প্রয়োজন হয় না। একবার ভালো করে চারা লাগালে কয়েক বছর পর থেকে নিজ থেকেই গাছে সুপারি ধরতে থাকে। এতে করে প্রতিবছর সুপারির একেকজন মালিক তাদের বাগান থেকে বাড়তি আয়ের সুযোগ পান। বর্তমানে দিন দিন সুপারির চাহিদাও বাড়ছে। নতুন করে কেউ সুপারি চাষে আগ্রহী হলে তাদেরকে কৃষি অফিস থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো পড়ুন
error: Content is protected !!