1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
দেশজুড়ে বাড়ছে লালমোহনের সুপারির কদর, যাচ্ছে বিদেশেও - দ্বীপকন্ঠ নিউজ ২৪
রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ভাগ্যেন্নয়নে কাজ করছেন-এমপি শাওন লালমোহনে ইলিশের অভয়াশ্রম এলাকায় জনসচেতনতা সভা বোরহানউদ্দিন হাসপাতাল দালালদের খপ্পরে, প্রতারিত সাধারন রোগীরা ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক সন্ত্রাস উগ্রবাদ নিরসন প্রশিক্ষণ কর্মশালা বাউফলে সেতু আছে রাস্তা নেই ভোলার আলোচিত মাদক কারবারি বিয়ারসহ আটক মনপুরা কলাতলী ইউপি নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় চেয়ারম্যান পদে আলাউদ্দিন হাওলাদার নির্বাচিত আজিজিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা পদক ও সাংস্কৃতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত এমপি শাওনকে লালমোহন পৌরসভার পক্ষ থেকে নাগরিক সংবর্ধনা চরফ্যাশনে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় শিক্ষকসহ ১৭ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

দেশজুড়ে বাড়ছে লালমোহনের সুপারির কদর, যাচ্ছে বিদেশেও

জাহিদ দুলাল
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২২
  • ১৬৩ বার পঠিত
Spread the love

জাহিদ দুলাল, লালমোহন

কেবল দেশেই নয়, ভোলার লালমোহনের সুপারির কদর রয়েছে বিদেশেও। স্বাদ ও মানের দিক থেকে দ্বীপ জেলা ভোলা তথা লালমোহন উপজেলার সুপারির বেশ সুনাম রয়েছে। বর্তমানে উপজেলার বাজারগুলোতে শুকনো সুপারি আড়াই শত থেকে সাড়ে তিনশত টাকা কেজি এবং পাকা সুপারি স্থানীয় ভাষায় এক বি (৩২০ পিস) পাঁচশত থেকে ছয়শত টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এতে করে বছরের এই সময়ে সুপারি দিয়ে বাড়তি আয় করছেন বাগান মালিকরা।

লালমোহনের রমাগঞ্জ ইউনিয়নের সুপারি ব্যবসায়ী মো. ইউসুফ ও নূরেআলম বলেন, এ বছর গাছে সুপারি কম ধরেছে। বাজারে সুপারি কম হওয়ায় দাম আর চাহিদা অনেকটা বেশি। প্রতি বছরের এই সময়ে গ্রাম-গঞ্জের হাট-বাজার থেকে সুপারি কিনে উপজেলা সদরের আড়তদারদের কাছে বিক্রি করি।
লালমোহন পৌরশহরের আড়তদার হাজী মো. মনির মিঝি বলেন, লালমোহন থেকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মোবাইলের মাধ্যমে বড় বড় ব্যবসায়ীদের কাছে সুপারি বিক্রি করছি। তারা আবার এসব সুপারি প্রক্রিয়াজাত করে বিদেশেও রপ্তানি করছেন।

উপজেলার রমাগঞ্জ, ধলিগৌরনগর ও চরভূতা ইউনিয়নের সুপারি বাগানের মালিক মো. বাবুল মিয়া, মো. বশির উল্যাহ, মো. শামীম পাটওয়ারী ও আব্দুল বারেক জানান, এ অঞ্চলের অধিকাংশ বাড়িতে সুপারির বাগান রয়েছে। কোনো পরিশ্রম ছাড়াই গাছে সুপারি হয়। প্রতি বছর এ সুপারি বিক্রির মাধ্যমে গড়ে পঞ্চাশ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত বাড়তি আয় করা সম্ভব হচ্ছে।

লালমোহন উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রব মোল্লা বলেন, উপজেলায় এক হাজার ১৩৫ হেক্টর জমিতে সুপারির বাগান রয়েছে। সুপারি চাষে তেমন পরিশ্রমের প্রয়োজন হয় না। একবার ভালো করে চারা লাগালে কয়েক বছর পর থেকে নিজ থেকেই গাছে সুপারি ধরতে থাকে। এতে করে প্রতিবছর সুপারির একেকজন মালিক তাদের বাগান থেকে বাড়তি আয়ের সুযোগ পান। বর্তমানে দিন দিন সুপারির চাহিদাও বাড়ছে। নতুন করে কেউ সুপারি চাষে আগ্রহী হলে তাদেরকে কৃষি অফিস থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো পড়ুন
error: Content is protected !!