1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
বাউফলে বিদ্যালয়ের পাঠদান দোকানের ছাদে - দ্বীপকন্ঠ নিউজ ২৪
বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৬:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মনপুরায় মহান একুশে ফেব্রæয়ারী ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত পটুয়াখালী শহীদ মিনার বেদিতে সরকারি বেসরকারি কর্মকর্তারা জুতা পায়ে শ্রদ্ধা নিবেদন বাউফলে তরমুজ গাছ উপড়ে ৬ লাখ টাকার ক্ষতির অভিযোগ লালমোহনে রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে চারা রোপণের উদ্বোধন করলেন এমপি শাওন মনপুরায় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগীতা ক্রীড়া সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বাউফলে আ’লীগ নেতাকে হত্যা চেষ্টা । ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে মনপুরায় জেলেদের ছিনিয়ে নেওয়া ভিজিএফ চাউল উদ্ধার করে দিলেন ইউএনও মনপুরায় আ’লীগের উদ্যোগে মহান একুশে ফেব্রুয়ারী পালনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত চরফ্যাশনে ৩২টি অবৈধ ইটভাটার তিনটিতে রহস্যময় অভিযান লালমোহন পশ্চিম চর উমেদ ইউপি নির্বাচন ২১ বছর পর তফসিল। বন্ধে নানা ষড়যন্ত্র

বাউফলে বিদ্যালয়ের পাঠদান দোকানের ছাদে

তৌহিদ হোসেন উজ্জ্বল, বাউফল
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২২
  • ৯৬ বার পঠিত
Spread the love

 তৌহিদ হোসেন উজ্জ্বল ,বাউফল 

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার সূর্যমণি ইউনিয়নের পূর্ব ইন্দ্রকুল চৌমুহনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান চলছে একটি দোকানের ছাদে। স্থানীয়  কতিপয় প্রভাবশালী দীর্ঘদিন থেকে ওই বিদ্যালয়ের জমি দখল করে রাখায় নতুন ভবন নির্মাণ করা যাচ্ছে না। ফলে বিপাকে পড়েছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রায় ২ বছর আগে ওই বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়। নিলাম প্রক্রিয়া শেষে পুরাতন ভবন অপসারন করার পর স্থানীয়  যুবলীগ নেতা জাকির মৃধা ও বিজিবি সদস্য মনির হোসেনসহ একাধিক প্রভাবশালী বিদ্যালয়ের জমি দখল করে নেন। এরপর দীর্ঘদিন খোলা আকাশের নীচে পড়ে থাকে বিদ্যালয়ের বেঞ্চ চেয়ারসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র। করোনা মহামারীর কারনে টানা দেড় বছর বন্ধ থাকার পর সরকার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার ঘোষনা দেয়ার পর থেকে বিপাকে পড়েন ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। এরপর সূর্যমণি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বা”চুর মালিকানাধীন একটি দোকানের ছাদে জরুরী ভিত্তিতে ক্ষুদ্র মেরামতের বরাদ্দকৃত অর্থ দিয়ে টিনশেড শ্রেনী কক্ষ নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে ওই ছাদেই চলছে পাঠদান। সূর্যমণি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বা”চু বলেন, বিদ্যালয়ের জমি নিয়ে দ্ব›দ্ব তৈরি হওয়ায় বিপাকে পড়েন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। দোকানের জন্য তৈরি ষ্টলে আমি মাঝেমধ্যে সময় কাটাতাম। এখন সেটি বিদ্যালয়ের ব্যবহারের জন্য দিয়েছি। প্রধান শিক্ষক সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, বিদ্যালয়ের জমি বেদখল হওয়ার পর কোন উপায় না পেয়ে দোকানের ছাদেই পাঠদান শুরু করতে হয়েছে। ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সুলতান হাওলাদার বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসে বিদ্যালয়ের জমি চিহ্নিত করে একবার লাল নিশান দিয়ে গেছেন। কিন্তু ওই লাল নিশান বিজিবির সদস্য মনির উপড়ে ফেলে দিয়েছেন। বিজিব সদস্য মনির বলেন, আমি আমার কবলাকৃত ও পৈত্রিক সম্পত্তিতে বসবাস করছি। এখানে বিদ্যালয়ের জমি নেই। যুবলীগ নেতা জাকির মৃধা বলেন, দীর্ঘদিন আমার পৈত্রিক সম্পত্তি বিদ্যালয়ের দখলে ছিল। এখন আমি আমার জমি দখলে নিয়েছি। এ বিষয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা দেবাশীষ ঘোষ বলেন, বিদ্যালয়ের জমি দখল মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত দোকানের ছাদেই পাঠদান করতে হবে। ###

Please Share This Post in Your Social Media

আরো পড়ুন
error: Content is protected !!