1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
লালমোহনে নিয়ে বিরোধে টেটা দিয়ে কুপিয়ে জখম - দ্বীপকন্ঠ নিউজ ২৪
শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন

লালমোহনে নিয়ে বিরোধে টেটা দিয়ে কুপিয়ে জখম

জাহিদ দুলাল
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ৮৭ বার পঠিত

জাহিদ দুলাল, লালমোহন 

ভোলার লালমোহনে সমান্য কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে টেটা দিয়ে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার ধলীগৌর নগর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড মঙ্গলসিকদার বাজার এলাকায় মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় মৃধা বাড়ীতে এ ঘটনা ঘটে। আহত ৩ জন বর্তমানে লালমোহন হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় রয়েছে।  আহত ধলীগৌর নগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হুমায়ুন কবির বলেন, আমাদের বাড়ীতে যেতে রাস্তার পাশে একটি গর্ত থাকায় তা মাটি দিয়ে ভরাট করার সময় নজরুল ইসলাম মৃধা এসে বাধা দেয়। আমার কথা নজরুল মৃধার কাটাকাটির এক পর্যায়ে আমার চাচাতো ভাই মতিন মৃধা আসে। এমন সময় সে ঘর থেকে দেশীয় অস্ত্র টেটা এনে মতিন মৃধার গলায় মারে। তখন মতির মৃধা টেটা বৃদ্দ হয়। এরপর আমাকে টেটা মারার চেষ্টা করলে আমি সরে গেলে আমার হাতে লাগে। আমাদের ডাক চিৎকারে আমার স্কুলের অফিস সহকারি আলী আকবর মৃধা সেখানে আসলে তারা তাকে মারধর করে তার কাছে থাকা ৪০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। নজরুল মৃধার সাথে তার স্ত্রী জয়নব, ছেলে নোমান ও ছেলের স্ত্রী সায়েমা ছিল।

হুমায়ুন কবির আরো বলেন, আমি উপজেলা বন্ধবন্ধু পরিষদের যুগ্মসম্পাদক, মতিন মৃধা ধলীগৌর নগর ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি, এবং আলী আকবর ওয়ার্ড বন্ধবন্ধু পরিষদের সভপতি। আর নজরুল মৃধা বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত।

এ ব্যাপারে নজরুল মৃধাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, মতিন, হুমায়ন কবির ও আলী আকবর ক্ষমতা দেখিয়ে আমার বসত বাড়ী দখল করতে আসে। আমি ৯৯৯ এ কল করলে মঙ্গলসিকদার পুলিশ ফাড়ি থেকে পুলিশ আসলে তারা পুলিশের কথা না শুনে সবার সামনে আমাকে ও আমার ছেলের স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম করে। আমরা বর্তমানে লালমোহন হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় আছি। তারা এখনও বিরোধী জমিতে কাজ করে চলছে।

মঙ্গল সিকদার পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ মো. ফারুক হোসেন এ ব্যাপারে বলেন, ৯৯৯ থেকে কল পাওয়ার পর ক্যম্প থেকে পুলিশ পাঠিয়ে তাদের দু‘পক্ষকে শালিসে বসে মিমাংশা কথা বলে দু‘পক্ষকে শান্ত থাকতে এবং কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়।  পুলিশ চলে আসার কিছুক্ষণ পর পূনরায় তারা কাজ শুরুকরে এবং মারামারি করে। এরপর পুলিশ আবার গিয়ে দেখে দু‘পক্ষ হাসপাতালে চলে গেছে। পরে আমি নিজে হাসপাতালে গিয়ে তাদের দেখে আসি। এখন পর্যন্ত কোন পক্ষ কোন অভিযোগ প্রদান করেনি।

Please Share This Post in Your Social Media

এ জাতীয় আরও খবর