1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
চরফ্যাশনে দাদনের বেড়াজালে কৃষক - দ্বীপকন্ঠ নিউজ ২৪
শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন

চরফ্যাশনে দাদনের বেড়াজালে কৃষক

দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্ক:
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ৩০ বার পঠিত

চরফ্যাশন দাদনের বেড়াজালে আটকে পড়েছে কৃষক। উৎপাদিত শাক-সবজি ন্যয্যমূল্য না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মনপ্রতি কৃষকের কাছ থেকে কমিশন নেয়া হচ্ছে ৪০টাকা।

চরফ্যাশন কাঁচাজার আড়ৎ ঘুরে দেখা গেছে, টমেটো কেজি কৃষক পাচ্ছে ৩৫টাকা পাইকারী ৪৫টাকা, খুচড়া বিক্রি ৭০টাকা, বাঁধা কাপি কৃষক পাচ্ছে ১২টাকা, পাইকারী ১৮টাকা খুচরা ২৫টাকা, ফুলকপি কৃষক পাচ্ছে ১৫টাকা পাইকারী ২২টাকা, খুচরা ৩৫টাকা, সীম কৃষক পাচ্ছে ১৮টাকা পাইকারী ২২টাকা খুচরা ৩৮টাকা, শশা কৃষক পাচ্ছে ১৭টাকা, পাইকারী ২০টাকা খুচরা ৩০টাকা, কোমড়া কৃষক পাচ্ছে ১০টাকা পাইকারী ১৫টাকা খুচরা ৩০টাকা, গোল আলু কৃষক পাচ্ছে ৮টাকা পাইকারী ১২টাকা খুচরা ২২টাকা।

আড়ৎদারদের বিরুদ্ধে সাধারন কৃষকের অভিযোগ আমরা দাদন নিয়ে চাষাবাদ করি। কিন্তু আড়ৎদারগন আমাদেরকে টনপ্রতি ১হাজার ৮০টাকা দিতে হচ্ছে। এছাড়াও আমরা উৎপাদিত কোন সবজি ওই আড়ৎদার ছাড়া কোন জয়গায় বিক্রি করা যাবেনা। বিক্রি করলেই নির্যাতনের খড়ক চলে আসে কৃষকের উপর। দেখা যায় একই সবজি আড়ৎ চেয়ে অন্য স্থানে কেজিতে ৫টাকা বেশী বিক্রি করতে পারি নগদে। আমরা সেই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। পৌর সভা ৪নং ওয়ার্ডের ক্রেতা কামরুল সিকদার বলেন, শাক সবজির মূল্য যেই হারে বাড়ছে সাধারন মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বাহিরে চলে যাচ্ছে। এককেজি টমেটো ক্রয় করতে হচ্ছে ৬০/৭০টাকা। কিন্তু কৃষকের কাছে সেই মূল্য পাচ্ছেনা।

আসলামপুর ইউনিয়নের খোদেজাবাগ গ্রামের কৃষক আলী হোসেন বলেন, আমি সীম ১৭/১৮টাকা কেজিতে আড়দে ধরা হয়। কিন্তু সীম চলছে ২২টাকা। এখানে কেজিতে ৫টাকা কমে বিক্রি করতে হচ্ছে। আমরা সার কীটনাশক পূর্বের চেয়ে মূল্য বেশী হওয়া আমরা লোকসান গুনতে হচ্ছে। চরফ্যাশন কাচাঁবাজার আড়ৎদার নিজাম উদ্দিন বলেন, আমি চাষা অনুযায়ী ২/৩লাখ টাকা দাদন দিচ্ছি। অনেক সময় দূর্যোকের জন্যে কৃষক চাষাবাদে ফসল বিনষ্ট হয় এতে আমারাও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আড়ৎদারগন ক্ষতিগ্রস্থ হতে হয়। এই জন্যে আমরা আড়ৎদারেী মনে ৪০টাকা নিচ্ছি। আমাদের ট্রাগ ভাড়া বেশী পরিমান টাকা চলে যাচ্ছে। বরিশাল ৩টন মাল পাঠানে খরচ হচ্ছে ৮/৯ হাজার টাকা। আবার চট্রগ্রাম পাঠাতে খরচ হচ্ছে ২৫/২৬হাজার টাকা। এতে আমরা অনেক সময় লোকসানের মুখে পরি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ওমর ফারুক বলেন, চরফ্যাশনে পর্যাপ্ত পরিমান সবজি উৎপাদন করেছে। এখান থেকে কোমড়, সীম, বেগুন ও মেটো আলু বরিশাল, চট্রগ্রাম, নোয়াখারী ও ঢাকা রপ্তানী হচ্ছে। কৃষক ন্যয্য মূল্য পাচ্ছে। এড়াও চরফ্যাশনে ২টি ইউনিয়ন চরমাদ্রাজ ও হাজারীগঞ্জে বিষমুক্ত সবজি উৎপাদন হচ্ছে। এতে বিভিন্ন স্থানে রপ্তানী করা সম্ভাব হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

এ জাতীয় আরও খবর