1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
চরফ্যাশনে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় ১১ বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর - দ্বীপকন্ঠ নিউজ ২৪
শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৫:০২ পূর্বাহ্ন

চরফ্যাশনে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় ১১ বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর

দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্ক:
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ২৩ বার পঠিত

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় নীলকমল নৌকার নেতাকর্মী দেরকে মটরসাইকেল কর্মীগনকে জিন্নাগড় ও আমিনাবাদে বিজয়ী ইউপি সদস্য প্রার্থীর কর্মী কর্তৃক পরাজিত কর্মীদের উপর হামলা চালায়। এতে ৩ ইউপিতে ১৫টি বাসা বাড়ী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর ও ৩০জন আহত হয়েছে। আহতদেরকে চরফ্যাশন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আমিনাবাদের ঘটনায় বিজয় ইউপির সদস্যসহ ৩জনকে পুলিশ আটক করেছে।

শুক্রবার দুপুরে সরেজমিন গিয়ে এমন তথ্য জানা গেছে। নীলকমল স্বতন্ত্র প্রার্থী ইকবাল হোসেন লিখনের নির্দেশে তার ভাই ফারুক ও টুটুলের নেতৃত্বে বৃহম্পতিবার রাত ৯টায় আওয়ামীলীগের সাবেক সম্পাদক ছালাউদ্দিন মাষ্টারের, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সামসু মাঝির, ১নং ওয়ার্ডে কামাল দফাদারের, ভুট্রো মাঝিরের বাসা বাড়ী ভাংচুর করে নগন টাকা লুটপাট করা হয়েছে। নীলকমল ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি শাহাবুদ্দিন ডাক্তারের, ছালাউদ্দিনের ঘোষের হাট বাজার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ আরো ৭জনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়।

সাবেক ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সম্পাদক ছালাউদ্দিন মাষ্টার বলেন, আমি শংকিত জুমার নামাজ পড়তে যেতে পারিনা প্রতিপক্ষ স্বতন্ত্র প্রার্থীর ক্যাডারদের ভয়ে। তারা রাস্তা রাস্তায় মহড়া দিচ্ছে এবং আমাকে হত্যার হুমকী দেয় ।

১নং ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি কামাল দফাদার বলেন, বৃহম্পতিবার রাত সাড়ে ৯টায় স্বতন্ত্র প্রার্থী ইকবাল হোসেন লিখনের ১৮/২০জনের ক্যাডার বাহিনী আমার বাসায় প্রবেশ করে ভাংচুর ও লুটপাট করে। আমার দু‘ছেলেকে পিটিয়ে আহত করেছে। তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি না হওয়ার জন্যে হুমকী দিয়ে গেছে।

 

 

নৌকার মনোনীত প্রার্থী ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আলমগীর হোসেন হাওলাদার বলেন, আমি নিজেও নিরাপত্তা হীনতায় রয়েছি। দলীয় নেতাকর্মীদেরকে দেখতে যেতে পারিনা। শুক্রবার জুমার নামাজের পরেও আমার দু‘‘কর্মীকে ঘর থেকে ডেকে এনে মারধর করেছে। এলাকায় ২০টি মটর সাইকেল দিয়ে মহড়া দিয়ে আমার নেতাকমী ও সমর্তকদেরকে হুমকী দেয়া হচ্ছে।

বিজয় স্বতন্ত্র প্রার্থী ইকবাল হোসেন লিখন সংবাদিকদেরকে বলেন, নির্বাচনের পূর্বে আমার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। আমাদের কর্মীরা কোন ভাংচুর করেনি। তারা নিজেরাই ভাংচুর করে আমার নেতাকর্মীদেরকে হয়নারী করার চেষ্টায় করেছে।

এদিকে জিন্নগড় ৫নং ওয়ার্ডের ইউপির সদস্য বিজয়ী প্রার্থী জাহের ফরাজীর নেতাকর্মীরা পরাজিত প্রার্থী সুমনের কর্মীদেরকে মারধর করেছেন। সুমনের ৪জনকে চরফ্যাশন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আমিনাবাদ ইউনিয়নে শুক্রবার দুপুরে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় ১০জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে গুরুতর আহত শাকিব ও হারুন মোল্লাকে চরফ্যাশন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত অন্যরা স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানাগেছে।আহতরা হলেন শাকিব,হারুন মোল্লা, মোস্তফা, সোহান,মাকসুদ, আমজাদ ও মিন্টু, রাকিব, বসু ও রাবিয়া বেগম।

বেলা ১১টায় এঘটনার পর চরফ্যাশন থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এসময় ইউপিসদস্য নুরে আলমসহ তিন জনকে আটক করে পুলিশ।

প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বেলা ১১টায় আমিনাবাদ ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত মেম্বার মোরগ প্রতিকের নুরে আলমের নেতৃত্বে তার কর্মী শাহিন ও সবুজ ফুটবল প্রতিকের পরাজিত প্রার্থী সাইফুল ইসলামের কর্মীদের উপর লাঠি-সোঠা এবং লোহার রড নিয়ে হামলা চালায়। হামলাকারীরা ৭নং ওয়ার্ডস্থ ফুটবল প্রতীকের কর্মীদের ৩টি বাড়িতে হামলা করে।

চরফ্যাশন থানার ওসি মোরাদ হোসেন জানান, উপজেলা নেতৃবন্দের মধ্যস্থতায় আটক ইউপি সদস্যকে আর সহিংসতার ঘটনা ঘটাবেনা এ শর্তে মুছলেকা রেখে ছাড়া হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এ জাতীয় আরও খবর