1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
মেঘনায় মৎস্য অফিসের অভিযানে আটককৃত মালামাল বিক্রি করার অভিযোগ - দ্বীপকন্ঠ নিউজ ২৪
শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ০৯:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দুমকী উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হামলা-পাল্টা হামলা বাউফলের ধুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয় অধ্যক্ষর বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ইমতিয়াজ আহমেদ বাবুলকে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মনোনয়ন প্রদান দুমকিতে ঘোড়া মার্কার তিন কর্মীকে মারধরের অভিযাগ লালমোহনে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলা, আহত-২ লালমোহনে জোরপূর্বক জমি দখল পরবর্তী সন্ত্রাসী হামলায় আহত-৫ কলাপাড়ায় স্ত্রী কর্তৃক প্রবাসী স্বামীর টাকা আত্মসাতের অভিযোগ লালমোহনের আট ব্যক্তিকে হজ্জে পাঠানোর নামে হাজী কামালের বেপরোয়া অর্থ বানিজ্যর অভিযোগ লালমোহনে দোয়াত কলম সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন কলাপাড়ায় চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় আদালতে মামলা

মেঘনায় মৎস্য অফিসের অভিযানে আটককৃত মালামাল বিক্রি করার অভিযোগ

দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্ক:
  • প্রকাশিত : রবিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ১০৫ বার পঠিত
Spread the love

দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্কঃ

ভোলার লালমোহনের মেঘনায় মৎস্য অফিসের অভিযানে আটককৃত জালের সাথে থাকা বটেরকাছি ও ২৪টি নোঙ্গর নিলাম না দিয়ে গোগনে বিক্রি করে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সুত্র জানায়, শনিবার বেলা ৩টার দিকে লালমোহন মৎস্য অফিসের মেরিন ফিশারিজ কর্মকর্তা মোঃ তানবীর এর নেতৃত্বে উপজেলার কামারখাল এলাকার মেঘনা নদী থেকে দুইটি ধরা নৌকার জাল নোঙ্গর আটক করা হয়। পরে মৎস্য অফিসের মাঝি শাহিন তজুমদ্দিন স্লুইজঘাটে এনে রাতে গোপনে ভুক্তভোগী মালিক মাঝীদের কাছে নোঙ্গর ও জালবট ৪৩ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন।
ক্রয়কারী কাশেম ও ইউসুফ জানান, অফিসার তানবির ও মাঝী শাহিনের কাছ থেকে দুইটি নৌকার ২৪টি নোঙ্গর ২৪ হাজার টাকা এবং ১৯ হাজার টাকায় কাছি কিনে নেয়া হয়েছে।
মৎস্য অফিসের নৌকার মাঝি শাহিনের কাছে জানতে চাইলে বলেন, স্যারেরা যেভাবে নির্দেশ দেন, আমরা সেভাবে কাজ করি।
অভিযানে অংশগ্রহণকারী বাত্তিরখাল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই কামাল জানান, অভিযান শেষ করে আমরা চলে আসি, জব্দকৃত মালামাল মৎস্য অফিসারের হেফাজতে থাকে।
অভিযানে নেতৃত্বদানকারী উপজেলা মেরিন ফিশারিজ কর্মকর্তা মোঃ তানবীর এর কাছে জানতে চাইলে বলেন, জব্দকৃত জাল বাসনভাঙ্গা চরে পোড়ানো হয়েছে,নোঙ্গর হেফাজতে আছে। জনসম্মুখে না পুড়িয়ে তজুমদ্দিনের চরে পোড়ানোর কারন ও মাঝী শাহিনের মাধ্যমে নোঙ্গর-বট বিক্রির বিষয়ে জানতে চাইলে ফোন কেটে দেন। বার বার ফোন দিলে আর রিসিভ করেননি।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ রুহুল কুদ্দুস এর কাছে মোবাইলে জানতে চাইলে অভিযানের তথ্য তার কাছে নেই বলে জানিয়ে অফিসে এসে তথ্য নিতে হবে বলে ফোন কেটে দেন।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোল্লা এমদাদউল্লাহর কাছে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে, কোন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ প্রমানিত হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো পড়ুন
error: Content is protected !!