1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
বাউফলে দুই বছরেও নির্মিত হয়নি সেতুর সংযোগ সড়ক - দ্বীপকন্ঠ নিউজ ২৪
রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ভাগ্যেন্নয়নে কাজ করছেন-এমপি শাওন লালমোহনে ইলিশের অভয়াশ্রম এলাকায় জনসচেতনতা সভা বোরহানউদ্দিন হাসপাতাল দালালদের খপ্পরে, প্রতারিত সাধারন রোগীরা ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক সন্ত্রাস উগ্রবাদ নিরসন প্রশিক্ষণ কর্মশালা বাউফলে সেতু আছে রাস্তা নেই ভোলার আলোচিত মাদক কারবারি বিয়ারসহ আটক মনপুরা কলাতলী ইউপি নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় চেয়ারম্যান পদে আলাউদ্দিন হাওলাদার নির্বাচিত আজিজিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা পদক ও সাংস্কৃতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত এমপি শাওনকে লালমোহন পৌরসভার পক্ষ থেকে নাগরিক সংবর্ধনা চরফ্যাশনে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় শিক্ষকসহ ১৭ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

বাউফলে দুই বছরেও নির্মিত হয়নি সেতুর সংযোগ সড়ক

তৌহিদ হোসেন উজ্জ্বল, বাউফল 
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ৫ মে, ২০২৩
  • ৫৭ বার পঠিত
Spread the love

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের দ্বিপাশা সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এলাকাবাসী। দুই বছর আগে মূল অবকাঠামো নির্মাণ করা হলেও অ্যাপ্রোচের অভাবে সেতুটি এলাকাবাসীর কোনো কাছে আসছে না। মঙ্গলবার সরেজমিন পরিদর্শনকালে বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়,  স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) প্রায় আড়াই কোটি টাকা ব্যায়ে সেতুটি নির্মাণ করে।

কিন্তু সেতুর অ্যাপ্রোচ নির্মাণ না করায়  সোনামুদ্দিন মৃধা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দ্বিপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কনকদিয়া এসএস স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। কালাম খান নামের এক শ্রমিক বলেন, সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় আমরা কাঠ দিয়ে মই বানিয়ে দিয়েছি। এরপর থেকে দুই পাশের মই বেয়ে এলাকাবাসী সেতু পারাপার হচ্ছেন। তহমিনা বেগম নামের অপর এক শ্রমিক বলেন, আমরা প্রতিদিন এই সেতু পারাপার হয়ে ফসলের মাঠে কাজ করতে যাই।

ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন সেতুতে উঠতে হয়। আসমা আক্তার ও শিউলি বেগম নামের দুই শিক্ষার্থী জানায়, এই সেতুতে উঠতে গিয়ে একাধিকবার দুর্ঘটনার শিকার হতে হয়েছে। সিঁড়ি বেয়ে সেতুতে উঠতে গিয়ে আছড়ে পড়ে কয়েকজনের পা ভেঙে গেছে। এখন সেতুটি মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। মদনপুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা বলেন, একাধিকবার তাগাদা দেওয়ার পরও পদক্ষেপ নিচ্ছে না কতৃপক্ষ।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে একাধিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর অ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মাণের জন্য মাটির বাঁধ তৈরি করে বালু ভরাটের উদ্যোগ নেয় ঠিকাদার। আলতাফ হোসেন নামের এক ব্যক্তি বলেন,  মাটির বাঁধ তৈরির পর লাপাত্তা হয়ে যান ঠিকাদার। এ প্রসঙ্গে প্রকল্পের ঠিকাদার গিয়াস উদ্দিন বলেন, অচিরেই সেতুর অ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মাণ করা হবে। উপজেলা প্রকৌশলী সুলতান হোসেন বলেন, কাজটি ফেলে রাখায় আমরাও বিপাকে আছি। এলাকার লোকজন ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। ঠিকাদারের সঙ্গে আলাপ করে শিগগিরই সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো পড়ুন
error: Content is protected !!