1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
কলাপাড়ায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১০ সদস্য’র সংবাদ সন্মেলন - দ্বীপকন্ঠ নিউজ ২৪
রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০১:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লালমোহনে প্রতিপক্ষের হামলায় গর্ভবতী নারীসহ আহত ৩ পাথরঘাটায় “একটু পাশে দাঁড়াই ” সংগঠন এর পক্ষ থেকে ঈদ সামগ্রী বিতরণ লালমোহনে কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পেল নগদ অর্থ ও ঢেউটিন লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়ন বাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মো: জসিম উদ্দিন হাওলাদার মনপুরায় ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে এমপি জ্যাকবের ৩ লক্ষ টাকা অনুদান বিতরন লালমোহনে মনিরুজ্জামান মনিরের ৫ হাজার শাড়ি লুঙ্গি পেল অসহায় পরিবার লালমোহনে বজ্রপাতে নিহতের পরিবারকে কোস্ট ফাউন্ডেশনের অনুদান হতদরিদ্রদের সরকারি টিসিবির মাল মুদিদোকানে চুরি করে বিক্রি লালমোহনে গরীব ও দুঃস্থরা পেল মনিরুজ্জামান মনিরের ঈদ উপহার লালমোহনে অসহায়-দু:স্থদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

কলাপাড়ায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১০ সদস্য’র সংবাদ সন্মেলন

দ্বীপকন্ঠ নিউজ ২৪ ডেস্ক :
  • প্রকাশিত : শনিবার, ১০ জুন, ২০২৩
  • ৬৭ বার পঠিত
Spread the love
এস এম আলমগীর হোসেন,কলাপাড়া 
কলাপাড়ায় ধুলাসার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুর রহিমের বিরুদ্ধে একই পরিষদের ১০ জন ইউপি সদস্য সংবাদ সন্মেলন করেছে। শনিবার বেলা ১১ টার দিকে কলাপাড়া প্রেসক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুর রহমান মিলনায়তনে ১৫ আগষ্ট শোক দিবস পালন করাকে নাজায়েজ মন্তব্য এবং চেয়ারম্যানের দূনীর্তির বিভিন্ন চিত্র তুলে ধরে এ সংবাদ সন্মেলন করা হয়।
সংবাদ সন্মেলনে ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো.কবিরুল ইসলাম খলিফা তার লিখিত বক্তব্যে বলেন’ গত বছরের ১৫ জুন ধূলাসার ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী হিসেবে আবদুর রহিম নির্বাচিত হয়। তিনি শপথ গ্রহনের পর থেকে এ পর্যন্ত সরকারী সকল বরাদ্দকে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের অবগত না করিয়ে ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন বাংলাদেশের কর্মীদের দ্বারা ভাগ বন্টন করে আসছে । এছাড়া ১৫ আগষ্ট জাতীয় শোক দিবসকে পালন করা নাজায়েজ এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করে জাতীয় পতাকা উত্তোলন সহ জাতীয় কর্মসূচী পালন থেকে বিরত থেকেছেন। ধুলাসার ইউনিয়ন পরিষদের গোডাউন ভবন থেকে সামনের পাকা সড়ক পর্যন্ত লোহার ব্রীজ যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া ২ লাখ ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করে ওই টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
জেলেদের ভিজিএফ এর চাল নিয়ে আসতে জন প্রতি ২০০ টাকা উত্তোলনের জন্য ইউ,পি সদস্য এবং গ্রাম পুলিশদের নির্দেশ দিলেও তারা তা উঠাতে অস্বীকার করেন। পরে তার দলীয় কর্মীদের দ্বারা ওই টাকা উত্তোলন করেন।
চেয়ারম্যান দ্বায়িত্ব নেয়ার পর থেকে কোন উন্নয়নসভা এবং এ বছরের শুরু থেকে মাসিকসভা করেন না, স্থানীয় সরকার আইন অমান্য করে মাতৃত্বকালীন ভাতা সহ অন্যান্য ভাতা তার ইচ্ছামত দলীয় পছন্দের লোকদের প্রদান করেন। এছাড়া ইউনিয়ন উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকার প্রকল্প নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের কোন কিছু না জানিয়ে রেজুলেশন না করে তার ইচ্ছানুযায়ী খরচ করেন। যাহা স্থানীয় সরকার আইন পরিপন্থী বলে ওই লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন।
সংবাদ সন্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ইউপি সদস্য বাহাদুর ভূঁইয়া, মো.মোস্তাক হাওলাদার, মো.সিদ্দিক,  মোসা.সাজেদা বেগম, মো.শাহআলম,  মোসা. কুলসুম, মো.মুসা কাজেম, রফিকুল ইসলাম ও মো.জসিম খন্দকার।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান মো.আবদুর রহিম বলেন, চাল চুরি ঠেকানোর জন্য তারা আমার বিরুদ্ধে সংবাদ সন্মেলন করেছে। জাতীয় দিবস পালন করেছি তার ভিডিও প্রমান সাপেক্ষে উপস্থাপন করতে পারবো। তাদের অভিযোগ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো পড়ুন
error: Content is protected !!