1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
মেঘনায় ট্রলারডুবি, ছেলের একদিন পর ভেসে উঠল বাবার মরদেহ - দ্বীপকন্ঠ নিউজ ২৪
শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ০২:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দ্বাদশ জাতীয় সংসদের পানি সম্পদ মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ১ম বৈঠক অনুষ্ঠিত দৌলতখানে যুব রেড ক্রিসেন্টে দলনেতা মাশরাফি উপ-নেতা ইমতিয়াজ ও রহিমা লালমোহনে পশ্চিম চর উমেদ ইউপি নির্বাচন প্রচারণায় চেয়ারম্যান প্রার্থী অধ্যক্ষ মো: আবু ইউসুফ লালমোহনে ঔষধ ব্যবসায়ীদের সাথে জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত ভোলায় ৬ বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালে সিলগালা লালমোহনে এক কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক লালমোহনে পাঁচ অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হসপিটাল সিলগালা চরফ্যাশনে জেনারেল ডায়াগনস্টিক এন্ড ডক্টরস্ চেম্বার সিলগালা॥ ২০ হাজার টাকা জরিমানা নলসিটিতে মাদ্রাসার জুনিয়র শিক্ষক পদে যোগদান করে অবৈধভাবে সিনিয়র পদে এম,পি,ও ভুক্ত বোরহানউদ্দিনে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৪ উপলক্ষ্যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

মেঘনায় ট্রলারডুবি, ছেলের একদিন পর ভেসে উঠল বাবার মরদেহ

ইব্রাহিম আকতার আকাশ,ভোলা
  • প্রকাশিত : সোমবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৬২ বার পঠিত
Spread the love
ইব্রাহিম আকতার আকাশ,ভোলা
ভোলার মেঘনা নদীতে বাবা-ছেলেকে নিয়ে ট্রলারডুবির ঘটনায় ৯ দিন পর বাবা আব্দুল রাজ্জাকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর আগে গতকাল দুপুরে মেঘনা নদীর ইলিশা পয়েন্ট থেকে কোষ্টগার্ড আব্দুল রাজ্জাকের ছেলে পারভেজ সরদারের মরদেহ উদ্ধার করে।
সোমবার (২৯ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মেঘনা নদীর তুলাতলি পয়েন্ট থেকে ভাসমান অবস্থায় পুলিশ আব্দুল রাজ্জাকের মরদেহটি উদ্ধার করে।
ইলিশা নৌ-থানার ইন্সপেক্টর বিদ্যুৎ বড়ুয়া ঢাকা মেইলকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মেঘনা নদীর তুলাতলি পয়েন্ট এলাকায় ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পেয়ে জেলেরা ৯৯৯-এ কল করে পুলিশকে অবগত করে। এরপর পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। আব্দুল রাজ্জাকের মরদেহটি তাঁর পরিবার শনাক্ত করেছে। ঘটনার ৯ দিন পর তাঁর মরদেহ পাওয়া যায়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এর আগে গতকাল দুপুরে মেঘনা নদীর ইলিশা পয়েন্ট থেকে ছেলে পারভেজ সরদারের মরদেহ উদ্ধার করে কোষ্টগার্ড।
উল্লেখ, গত রোববার (২১ জানুয়ারি) দিনগত মধ্যরাতে মনপুরা থেকে বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া মালবাহী ট্রলারটি ইলিশার জোরখাল পয়েন্টে প্রবল ঢেউয়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়। ট্রলারটিতে ভাঙ্গারি মালামালসহ সাতজন শ্রমিক ছিলেন। তাদের মধ্যে দু’জন বাবা-ছেলে। ট্রলারটি ডুবে যাওয়ার সময় পাঁচজন শ্রমিক সাঁতরে জেলে ট্রলারের সহায়তায় উপরে উঠে আসতে পারলেও আব্দুল রাজ্জাক ও তাঁর ছেলে পারভেজ সরদার ইঞ্জিনরুমে থাকায় তাঁরা বেরোতে পারেনি। কয়েক মিনিটের মধ্যে ট্রলারটি ডুবে যায়। ট্রলারে থাকা সাত শ্রমিক বরিশাল মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার উলানিয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। ট্রলারটির মালিক ছিলেন- ফারুক মাঝি। ফারুক মাঝি ভাঙ্গারি মালামালের ব্যবসা করেন। তিনি বিভিন্ন জায়গা থেকে নদী পথে ট্রলারের মাধ্যমে মালামাল পরিবহন করেন। ডুবে যাওয়ার সময় তাঁর ট্রলারে প্রায় ৩ লাখ টাকার মালামাল ছিল।
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ট্রলারটির সন্ধান পাওয়া যায়। বিআইডব্লিউটিএ ট্রলারটি উদ্ধার করার পর তাতে বাবা-ছেলের মরদেহ পাওয়া যায়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো পড়ুন
error: Content is protected !!