1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
চরফ্যাশনে ৩২টি অবৈধ ইটভাটার তিনটিতে রহস্যময় অভিযান - দ্বীপকন্ঠ নিউজ ২৪
রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০২:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লালমোহনে প্রতিপক্ষের হামলায় গর্ভবতী নারীসহ আহত ৩ পাথরঘাটায় “একটু পাশে দাঁড়াই ” সংগঠন এর পক্ষ থেকে ঈদ সামগ্রী বিতরণ লালমোহনে কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পেল নগদ অর্থ ও ঢেউটিন লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়ন বাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মো: জসিম উদ্দিন হাওলাদার মনপুরায় ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে এমপি জ্যাকবের ৩ লক্ষ টাকা অনুদান বিতরন লালমোহনে মনিরুজ্জামান মনিরের ৫ হাজার শাড়ি লুঙ্গি পেল অসহায় পরিবার লালমোহনে বজ্রপাতে নিহতের পরিবারকে কোস্ট ফাউন্ডেশনের অনুদান হতদরিদ্রদের সরকারি টিসিবির মাল মুদিদোকানে চুরি করে বিক্রি লালমোহনে গরীব ও দুঃস্থরা পেল মনিরুজ্জামান মনিরের ঈদ উপহার লালমোহনে অসহায়-দু:স্থদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

চরফ্যাশনে ৩২টি অবৈধ ইটভাটার তিনটিতে রহস্যময় অভিযান

রুবেল আশরাফুল ,চরফ্যাশন
  • প্রকাশিত : রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৩৭৯ বার পঠিত
Spread the love
রুবেল আশরাফুল ,চরফ্যাশন
ভোলার চরফ্যাশনে ৩২টি অবৈধ ইটভাটার মধ্যে তিনটিতে অভিযান চালিয়েছে মোবাইল কোর্ট। এসময় ড্রাম চিমনী ফেলে দিয়ে ফায়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পানি দেয়াসহ জরিমানা করেন ইটভাটার মালিকদের। শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারি   দুপুরে উপজেলার দক্ষিন আইচা থানার ৩টি ইটভাটায় অভিযান চালানো হয়।অবৈধ তিনটি ইটভাটা
হলো-আখন-১,আখন-২ ও রাত্রী। এ তিনটি ইটভাটার ড্রাম চিমনি ফেলে দেয়া হয়। পরে জ্বলন্ত চিমনীর আগুনে
কিছুটা পানি দেয়া হয়। চরফ্যাশনের বিভিন্ন স্থানে স্থাপন করা হয়েছে ৩৪টি ইটভাটা। এর মধ্যে ৩২টি অনুমোদনহীন। নেই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র এবং ইট পোড়ানোর লাইসেন্স। ১২টি ভাটা জিগজ্যাগ প্রযুক্তি ব্যবহার করছে দাবি করলেও বাস্তবে প্রমাণ মেলেনি। বাকিগুলোতে মাত্র ৩০ থেকে ৪০ ফুট উচ্চতার ড্রাম
চিমনি ব্যবহার করা হয়েছে। অথচ নিয়ম হলো ১২০ ফুট ওপরে চিমনি ব্যবহার। এদিকে ইটভাটায় অভিযানের খবর পেয়ে চরফ্যাশন ইটভাটা মালিক সমিতির নেতারা চলে আসেন উপজেলার দক্ষিন আইচা থানার । তাদের আসার পরেই অভিযানে ভাটা নামে। মোবাইল কোর্ট এর নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের লোকজন আসার আগেই ইটভাটার মালিকরা একটি চিমনী নামিয়ে রাখে। পরে ম্যাজিষ্ট্রেট আসার পরে পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো তোতা মিয়া কারো সহযোগীতা না পেয়ে নিজেই অবৈধ ড্রাম চিমনী টেনে ফেলে দেন।
ইটভাটা মালিক সমিতির নেতারা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাদির শাহ এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো তোতা মিয়ার সাথে কথা বলেন। এই তিনটা ইটভাটার পরে আর কোন ইটভাটায় অভিযান পরিচালনা করা হয়নি। তবে আখন-২ ও রাত্রী নামক ইটভাটায় অভিযান শুরু করার পরে ড্রাম চিমনী ফেলার পরে ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা জ্বলন্ত আগুনে পানি দেয়া শুরু করলেই নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এর নিন্দেশে আগুন নিভানোর কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়। এই দুই ইটভাটায় কাঁচা ইটে পানি দিয়ে নস্ট না করেই লোক দেখানো অভিযান শেষ করা হয়।
যদিও প্রত্যেকটি ইটভাটা মালিককে ৫০ হাজার করে ১লাখ ৫০হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। তবে সাধারন মানুষের প্রশ্ন উঠে অভিযান পরিচালনার স্বচ্ছতা নিয়ে। এসব ইটভাটা গুলো মুলত করা হয়েছে সরকারী বনায়নের একে বারেই পাশে।
এসব বিষয় মোবাইল কোর্ট এর নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট নাদির শাহ বলেন, ইটভাটা মালিকদের আসার পরে নয়,আমার নিন্দেশেই পানি দেয়া বন্ধ করা হয়েছে। আসলে গাড়ীতে উঠার সময় তাদের সাথে পরিচয় হয়েছে। মুলত ইটভাটা মালিক সমিতির পিকনিক চলছে তাই তাদের পিকনিকের দাওয়াত দেয়ার জন্যই এসেছিলো।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো পড়ুন
error: Content is protected !!