
দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্কঃ
আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সার্বিক কর্মকাণ্ডে খুশি সাধারণ জনগণ। উন্নয়ন, প্রশাসন, নিরাপত্তা ও বিচারিক কার্যক্রমে গতিশীলতা এনে প্রতিষ্ঠানটিকে ইতোমধ্যে একটি গ্রহণযোগ্য স্থানীয় সরকার সংস্থায় রূপান্তরিত করেছে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।
গত (৫ আগস্ট) -২৫ স্বৈরাচারী সরকার পতনের পর পরিষদটির প্রধান দায়িত্ব নেন সাভার উপজেলার ডেভেলপমেন্ট কর্মকর্তা আজরা জাবীন। তার দক্ষ তদারকি ও দিকনির্দেশনায় ইউনিয়ন পরিষদের কাজ এগোচ্ছে দ্রুতগতিতে। পাশাপাশি সচিব মতিউল আলম প্রতিদিন নিয়মিত সময়ে অফিসে উপস্থিত থেকে জনগণের সেবা নিশ্চিত করে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
স্থানীয় অবকাঠামো নির্মাণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও পশুসম্পদ উন্নয়ন, রাস্তাঘাট ও সেতু নির্মাণ, কমিউনিটি সেন্টার ও বাজার রক্ষণাবেক্ষণ, জনস্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা, স্যানিটেশন কার্যক্রমসহ নানা উন্নয়নমূলক কাজের সুফল ভোগ করছে এলাকাবাসী। একই সঙ্গে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্স প্রদান, অভিযোগ নিষ্পত্তি, গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সালিশি বৈঠকের মাধ্যমে সামাজিক বিচার কার্যক্রম পরিচালনার মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবাও পাচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
সচিব মতিউল আলম বলেন, “আমরা চেষ্টা করছি জনসাধারণকে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার। কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই নির্দিষ্ট নিয়মে প্রতিটি সেবা পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।”
অপরদিকে প্রশাসনিক কর্মকর্তা আজরা জাবীন জানান, “ইউনিয়ন পরিষদে বিগত দুই অর্থ বছরের তুলনায় এ বছর ট্রেড লাইসেন্স বাবদ রাজস্ব আদায় বেড়েছে। আমরা স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় ফ্যাক্টরি মালিক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে রাজস্ব আদায় করছি। এ বিষয়ে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি বা অপপ্রচারে কান দেওয়ার প্রয়োজন নেই।”
দ্রুত সেবা, স্বচ্ছতা, দক্ষ জনবল ও সঠিক প্রশাসনিক তদারকির কারণে আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ বর্তমানে একটি উদাহরণ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। আর এ কারণেই এলাকাবাসী মনে করছেন—স্থানীয় উন্নয়ন ও জনসেবায় এই পরিষদের কার্যক্রম এখন অন্যদের জন্য অনুসরণীয় মডেল।