1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
  2. sajidahmed848000@gmail.com : Sahol Ahmed : Sahol Ahmed
নিখোঁজ মাদ্রাসাছাত্র হিমেলকে ফিরে পেতে মা-নানুর আকুতি - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news নিখোঁজ মাদ্রাসাছাত্র হিমেলকে ফিরে পেতে মা-নানুর আকুতি - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে চ্যাম্পিয়ন লালমোহনের হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মনপুরা মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজে সবক ও দোয়া- মিলাদ অনুষ্ঠিত। মনপুরায় জাল পাতা নিয়ে সংঘর্ষ, ১০ জেলে আহত কলাপাড়ায় বন্দোবস্ত পাওয়া জমিজমার দখল ঠেকাতে ভূমিহীনসহ স্থানীয়দের মানববন্ধন লালমোহনে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নির্মাণ শ্রমিক নিহত কালাইয়া বিএনপির সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে জমি দখল ও বসতবাড়িতে হামলার অভিযোগ জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র গেলন যুবদল সম্পাদক এমপি নয়ন তজুমদ্দিনে অস্ত্রসহ তিনজনকে আটক লালমোহনে জমি নিয়ে বিরোধে হামলার অভিযোগ, আহত ১ বাউফলে প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

নিখোঁজ মাদ্রাসাছাত্র হিমেলকে ফিরে পেতে মা-নানুর আকুতি

দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্কঃ
  • প্রকাশিত : শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
  • ৫১ বার পঠিত
Spread the love

দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্কঃ

ভোলার লালমোহন উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়ার পাঙ্গাশিয়া গ্রামের দেওয়ান বাড়ির বাসিন্দা ও স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী মো. হিমেল (১৩) দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। গত ১৩ মে ২০২৫ তারিখ সকালে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে তার আর কোনো সন্ধান মেলেনি। এ ঘটনায় পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোক, উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা।

পরিবারের সদস্যরা জানান, হিমেল মানসিকভাবে কিছুটা অসুস্থ। নিখোঁজ হওয়ার পর আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। অবশেষে নিরুপায় হয়ে তার মা তানিয়া লালমোহন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডি নং: ১২৩, তারিখ: ০৩ জুলাই ২০২৫।
হিমেলের মা ও নানু কান্নাজড়িত কণ্ঠে সকলের কাছে তাদের সন্তানকে খুঁজে পেতে সহযোগিতা কামনা করেছেন। তারা বলেন, “যদি কোনো সহৃদয় ব্যক্তি হিমেলের সন্ধান পেয়ে থাকেন বা কোথাও দেখতে পান, তাহলে অনুগ্রহ করে দ্রুত পরিবারের সঙ্গে এই মোবাইল নম্বরেন-০১৭৩৩৫২৪৬৬১. অথবা নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করুন।”
পরিবারের একটাই আকুতি—প্রিয় সন্তান হিমেল যেন দ্রুত নিরাপদে পরিবারের কাছে ফিরে আসে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো পড়ুন