1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
  2. sajidahmed848000@gmail.com : Sahol Ahmed : Sahol Ahmed
বাউফলে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষের মহোৎসব - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news বাউফলে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষের মহোৎসব - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে চ্যাম্পিয়ন লালমোহনের হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মনপুরা মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজে সবক ও দোয়া- মিলাদ অনুষ্ঠিত। মনপুরায় জাল পাতা নিয়ে সংঘর্ষ, ১০ জেলে আহত কলাপাড়ায় বন্দোবস্ত পাওয়া জমিজমার দখল ঠেকাতে ভূমিহীনসহ স্থানীয়দের মানববন্ধন লালমোহনে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নির্মাণ শ্রমিক নিহত কালাইয়া বিএনপির সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে জমি দখল ও বসতবাড়িতে হামলার অভিযোগ জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র গেলন যুবদল সম্পাদক এমপি নয়ন তজুমদ্দিনে অস্ত্রসহ তিনজনকে আটক লালমোহনে জমি নিয়ে বিরোধে হামলার অভিযোগ, আহত ১ বাউফলে প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

বাউফলে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষের মহোৎসব

তৌহিদ হোসেন উজ্জ্বল , বাউফল 
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৭৮ বার পঠিত
Spread the love
তৌহিদ হোসেন উজ্জ্বল , বাউফল 
পটুয়াখালী বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস যেন দুর্নীতির এক আখড়া। এখানে জমি সংক্রান্ত যেকোনো কাজ করতে গেলে সেবাপ্রার্থীদের ঘুষ দিতে বাধ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। টাকা না দিলে বছরের পর বছর ঘুরেও কোনো কাজ সম্পন্ন হয় না।
সম্প্রতি এক ভুক্তভোগী মহাসিন পঞ্চায়েত অভিযোগ করেন, তিনি টানা তিন থেকে চার বছর ধরে তার জমির খাজনা (ভূমি উন্নয়ন কর) দিতে পারেননি শুধুমাত্র স্থানীয় উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলামের অনিয়ম ও ঘুষ দাবির কারণে।
মহাসিন পঞ্চায়েত জানান, তার ১২৩ জেল ও ১৩৫৩ নং খতিয়ানের খাজনা পরিশোধ করতে গিয়ে তিনি বারবার কালাইয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুরেছেন। তিনি বাইরে থেকে অনলাইনে খাজনা পরিশোধ করতে চেয়েও পারেন নি। কিন্তু অফিসে গিয়ে জমা দিতে গেলে কর্মকর্তারা বলেন, বাইরে থেকে দিলে হবে না, আমাদের এখান থেকে অনলাইন করতে হবে। দলিলের দাগ দিতে হবে, পর্চা দিতে হবে। এরপর জানানো হয়, প্রতি খতিয়ান ১,৫০০ টাকা করে দিতে হবে। মহসিন বলেন’ “আমার চারটি খতিয়ান থাকায় মোট ৬,০০০ টাকা দিতে হবে। না দিলে কাজ হবে না।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, “আমি অনেক অনুরোধ করেও শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে ১,৫০০ টাকা দিই। টাকা দেওয়ার পরই তরিকুল ইসলাম আমার ফাইল অনুমোদন করেন। অথচ সরকারি খাজনা আমি আমার নিজস্ব নগদ একাউন্ট থেকে পরিশোধ করেছি। কেবল কাজটি এগিয়ে নিতে তাদের ঘুষ দিতে হয়েছে। এ সময়ের ভিডিও প্রমাণ আমার কাছে রয়েছে।”
এছাড়াও ২০২৪ সালে করা একটি দলিল নিয়েও তাকে হয়রানি করা হয়েছে।  তিনি বলেন- “আমি দলিল রেকর্ড মিটিশন শেষ করার পর খাজনা দিতে গেলে তরিকুল ইসলাম আমাকে জানান, দাখিলাটি ভুয়া এবং আমাকে ৩০-৩৫ বছরের খাজনা দিতে হবে। এতে আমার ওপর ৮ হাজার টাকার বেশি খাজনা ধার্য হয়। এ কারণে আমি এখনো খাজনা দিতে পারেননি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, “আমি তার কাছ থেকে ১,৫০০ টাকা নিয়েছি। ওই টাকা দিয়ে আমি তার খাজনা পরিশোধ করেছি। আমি কারও কাছে ঘুষ দাবি করিনি। বাইরে থেকে লোকজন এনে কাজ করাতে হয় বলে কিছু বাড়তি টাকা নেওয়া হয়েছে।”
তবে মহাসিনের দাবি, “আমি আমার খাজনার সরকারি টাকা নিজেই নগদ একাউন্ট থেকে দিয়েছি। তারা কেবল ঘুষ নিয়েছে।”
কালাইয়া ইউনিয়নের একাধিক সাধারণ ভূমি সেবাগ্রহীতাও অভিযোগ করেন, এই অফিসে টাকা ছাড়া কোনো কাজই করা যায় না। “১০০ টাকার কাজ করতে গেলে ২ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়, নইলে বছরের পর বছর ঘুরতে হয়।
বাউফল উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি)  বলেন, “এরকম তো হওয়ার কথা না, আমি বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখছি।প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্থানীয়রা বলছেন, ভূমি অফিসের দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের কারণে সাধারণ মানুষ বছরের পর বছর ভোগান্তিতে পড়ছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।###

Please Share This Post in Your Social Media

আরো পড়ুন