
তৌহিদ হোসেন উজ্জ্বল ,বাউফল
পটুয়াখালীর বাউফলের কেশবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হামলা, অগ্নি সংযোগ, দোকান ভাংচুর করা হয়েছে ।নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রার্থীদের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, হামলা-পাল্টা হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটছে। বুধবার (৬ মার্চ) দিবাগত রাত তিনটার দিকে ঘোড়া মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুল মালেক মিয়ার বাড়ির সামনে দুইটি দোকান ভাংচুর ও ৬টি খড়ের গাদা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনার জন্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ মালেক মিয়া প্রতিপক্ষ অটো গাড়ি মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী এনামুল হক অপুর সমর্থকদের দায়ি করেছেন। অপর দিকে আগের দিন মল্লিকডুবা গ্রামে অটো গাড়ি মার্কার প্রার্থী এনামুল হক অপুর সমর্থীত দুই কর্মীর দুইটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠিান, একটি মটর সাইকেল ভাংচুর ও লুটপাট করেছে দুর্বৃত্তরা । এনামুল হক অপু এ ঘটনার জন্য ঘোড়া মার্কার কর্মী সমর্থকদের দায়ি করেছেন। এ ঘটনায় দুই প্রার্থী নির্বাচন কমিশনসহ বাউফল থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। এই হামলা ও পাল্টা হামলার কারণে ওই ইউনিয়নের সাধারণ ভোটররা আতংকিত হয়ে পরেছেন।
ঘোড়া মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুল মালেক মিয়া অভিযোগ করেন, অটো গাড়ির প্রার্থী এনামুল হক অপুর পক্ষে বহিরাগতরা প্রতিদিন এক-দেড়শ মটর সাইকেল নিয়ে এলাকায় মহড়া দিচ্ছে। তার কর্মী সমর্তকদের প্রচারে বাধা দিচ্ছে। তার ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। অভিযেগ করেও তিনি কোন প্রতিকার পাচ্ছেননা।
উল্লেখ্য, এ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সালেহ উদ্দিন পিকুর মৃত্যুর পর ৯ মার্চ উপ নির্বাচনের তারিখ ঘোষনা করে নির্বাচন কমিশন। মোট ৫ জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্ধীতা করছেন। এরা হলেন, এনামুল হক অপু অটো গাড়ি মার্ক, আবদুল মালেক ঘোড়া মার্ক, জিয়াউল হক সুজন টেবিল ফ্যান মার্কা, আবুল কালাম অজাদ তুহিন আনারশ মার্কা ও মোসাম্মৎ লতুফা বেগ চশমা মার্কা। এ ৫ প্রাথীই আওয়ামী লীগের পদধারী। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ২৫ হাজার ২শ৯০ ভোট।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বশির গাজী বলেন, যে কোন মূল্যে ওই ইউনিয়নে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ করা হবে।