1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
  2. sajidahmed848000@gmail.com : Sahol Ahmed : Sahol Ahmed
বাউফলে সেতু আছে রাস্তা নেই - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news বাউফলে সেতু আছে রাস্তা নেই - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে চ্যাম্পিয়ন লালমোহনের হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মনপুরা মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজে সবক ও দোয়া- মিলাদ অনুষ্ঠিত। মনপুরায় জাল পাতা নিয়ে সংঘর্ষ, ১০ জেলে আহত কলাপাড়ায় বন্দোবস্ত পাওয়া জমিজমার দখল ঠেকাতে ভূমিহীনসহ স্থানীয়দের মানববন্ধন লালমোহনে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নির্মাণ শ্রমিক নিহত কালাইয়া বিএনপির সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে জমি দখল ও বসতবাড়িতে হামলার অভিযোগ জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র গেলন যুবদল সম্পাদক এমপি নয়ন তজুমদ্দিনে অস্ত্রসহ তিনজনকে আটক লালমোহনে জমি নিয়ে বিরোধে হামলার অভিযোগ, আহত ১ বাউফলে প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

বাউফলে সেতু আছে রাস্তা নেই

তৌহিদ হোসেন উজ্জ্বল, বাউফল
  • প্রকাশিত : শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ২৪৭ বার পঠিত
Spread the love
তৌহিদ হোসেন উজ্জ্বল ,বাউফল 
পটুয়াখালীর বাউফলের  কেশবপুর ইউনিয়নের মল্লিকডুবা বাজারের দক্ষিণ পাশের খালের ওপর  সাত বছর আগে সেতু নির্মাণ করা হলোও রাস্তা হয়নি এখন ও । সেতুর দুই পাশে রাস্তা না থাকায় এলাকাবাসীর কোনো কাজে আসছে না সেতুটি।
সেতুর সুফল বঞ্চিত এলাকাবাসী বলছেন, সড়ক না থাকার পরেও সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল। সেতু নির্মাণের সাত বছর পার হলেও সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। চলাচলের সড়ক না থাকায় কখনো চলে নি কোনো যানবাহন। সড়ক বিহীন সেতু নির্মাণ করা সরকারের অর্থ অপচয় ছাড়া আর কিছুই না। এদিকে  সেতুর ব্যবহার না হলেও নির্মাণ কাজে অনিয়মের কারনে বিভিন্ন অংশের পলেস্তার খসে পড়ে রড বেড়িয়ে গেছে।
গতকাল সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের  মল্লিকডুবা বাজারের দক্ষিণ পাশে মল্লিকডুবা – ভরিপাশা গ্রামের সিমানা খাল। খালের পশ্চিম মাথায় উত্তর- দক্ষিণমুখী সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে।  সেতুর দক্ষিণ পাশে  পুরোপুরি ফাঁকা, বন জঙ্গলে ভরা। নেই কোনো সড়ক পথের অস্তিত্ব।  সেতু থেকে  প্রায় দুই কিলোমিটার দুরে নুরাইপুর- ভরিপাশা পাকা সড়ক রয়েছে। আর সেতুর   উত্তর পাশে মানুষ চলাচলের উপযোগী সরু মাটির কাচা রাস্তা  রয়েছে। যা যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী।  ওই মাটির রাস্তা দেড় কিলোমিটার দুরে কেশবপুর ডিগ্রি কলেজের কাছে গিয়ে পাকা  সড়কের সাথে যুক্ত  হয়েছে।
এলাকাবাসীর ভাষ্য মতে,  কেশবপুর ইউনিয়নের উত্তর দিকে  অবস্থিত কেশবপুর, বাজেমহল ও মল্লিকডুবা গ্রামের সাথে ইউনিয়নের দক্ষিণের নুরাইপুর  বাজার, ভরিপাশা, তালতলি গ্রামে যোগাযোগের  জন্য সহজ ও কম দুরত্বের পথ এটি। এই পথে সেতু নির্মাণ করা হলেও সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। যার করনে সেতুটি কোনো ভাবেই ব্যবহার করা যাচ্ছে না। তাই বিকল্প বেশি দুরত্বের পথ দিয়ে এসব গ্রামে চলাচল করা হয়ে থাকে।
স্থানীয়  বাসিন্দা মো. মজিবর হাওলাদার (৪৫) বলেন,  সেতু আছে, সড়ক নাই। তাতে কি লাভ হলো। সড়কের  অভাবে গাড়ি চলতে পারে না। যার কারণে আমাদের বিকল্প বেশি দুরত্বে পথে চলাচল করতে হয়। আরেক বাসিন্দা মো.  আনোয়ার খলিফা বলেন,‘ সেতু নির্মাণের সাত বছর পার হয়ে যাওয়ার পরেও সড়ক নির্মাণ করা হয়নি।   এই সেতু নির্মাণ করা সরকারের টাকা অপচায় ছাড়াই কিছু না।
মাহাবুবুর রহমান (৫৬) নামে এক ব্যক্তি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সেতুটি দিয়ে মানুষ কিংবা যানবাহন কখনো চলাচল করেনি। মাত্র সাত বছরে সেই সেতুটির ঢালাইয়ের ইট-সুরকি খসে পড়ছে, রড বেড়িয়ে গেছে। তিনি নিম্ন মানের কাজের জন্য ঠিকাদার ও তদারকি কর্মকর্তার শাস্তি দাবি করেন।
স্থানীয়  ইউপি সদস্য মো. আসাদুল হক জুয়েল বলেন,  সেতু নির্মাণের পর যদি যাতায়াতের জন্য সড়ক নির্মাণ করা হতো, তাহলে ভরিপাশা ও তালতলি গ্রামের মানুষ  ওশিক্ষার্থীরা সহজে  মল্লিকডুবা ও কেশবপুর বাজার, কেশবপুর কলেজ ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে পারত। আর মল্লিকডুবা গ্রামের মানুষ খুব সহজেই নুরাইনপুর বাজার ও শিক্ষার্থীরা নুরাইনপুর কলেজে যাওয়া আসা-করতে পারত।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় সুত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা অধিদপ্তরের সেতু/কালভার্ট  প্রকল্পের আওতায় ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে ৩৬ ফুট দীর্ঘ ও ১৪ ফুট প্রশস্ত এই সেতুটি নির্মাণ করা হয়। এতে ব্যয় হয়েছে ২৯ লাখ ৫৭ হাজার টাকা। ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে সেতুটির নির্মাণকাজ শেষ হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বশির গাজী বলেন, বিষয়টি তাঁর জানা নেই। এমনটা হলে তা খুবই দুঃখজনক। প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার সাথে কথা বলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ###

Please Share This Post in Your Social Media

আরো পড়ুন