1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
  2. sajidahmed848000@gmail.com : Sahol Ahmed : Sahol Ahmed
পবিত্র ঈদে-মিলাদুন্নবী (স.) এর ইতিহাস, তাৎপর্য, গুরুত্ব ও ফজিলত : ঈদে-মিলাদুন্নবী কী ? - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news পবিত্র ঈদে-মিলাদুন্নবী (স.) এর ইতিহাস, তাৎপর্য, গুরুত্ব ও ফজিলত : ঈদে-মিলাদুন্নবী কী ? - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে চ্যাম্পিয়ন লালমোহনের হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মনপুরা মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজে সবক ও দোয়া- মিলাদ অনুষ্ঠিত। মনপুরায় জাল পাতা নিয়ে সংঘর্ষ, ১০ জেলে আহত কলাপাড়ায় বন্দোবস্ত পাওয়া জমিজমার দখল ঠেকাতে ভূমিহীনসহ স্থানীয়দের মানববন্ধন লালমোহনে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নির্মাণ শ্রমিক নিহত কালাইয়া বিএনপির সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে জমি দখল ও বসতবাড়িতে হামলার অভিযোগ জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র গেলন যুবদল সম্পাদক এমপি নয়ন তজুমদ্দিনে অস্ত্রসহ তিনজনকে আটক লালমোহনে জমি নিয়ে বিরোধে হামলার অভিযোগ, আহত ১ বাউফলে প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

পবিত্র ঈদে-মিলাদুন্নবী (স.) এর ইতিহাস, তাৎপর্য, গুরুত্ব ও ফজিলত : ঈদে-মিলাদুন্নবী কী ?

মো. আতাউর রহমান খান আলম
  • প্রকাশিত : বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২৭২ বার পঠিত
Spread the love

মো. আতাউর রহমান খান আলম

ঈদে মিলাদুন্নবী হলো ইসলামের শেষ নবী ও রাসুল হযরত মোহাম্মদ (স.) এর আগমন উপলক্ষে মুসলিমদের মাঝে পালিত এক আনন্দ উৎসব। মহানবী হযরত মোহাম্মদ (স.) ৫৭০ খ্রিস্টাব্দে রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখ, রোজ সোমবার মক্কার বিখ্যাত কুরাইশ বংশে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৬৩ বছর বয়সে ১২ রবিউল আউয়ালই তিনি ইন্তেকাল করেন। ঈদ অর্থ হচ্ছে খুশি বা আনন্দ প্রকাশ করা। আর মিলাদ ও নবী দুটি শব্দ একত্রে মিলিয়ে মিলাদুন্নবী বলা হয়। আর নবী শব্দ দ্বারা রাহমাতুলিলল আলামিন হজরত মুহাম্মদ মোস্তফা (স.) কে বোঝানো হয়েছে। এক কথায় ঈদে-মিলাদুন্নবী অর্থ হুজুর পাক (স.) এর পবিত্র ‘বেলাদত শরিফ’ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা। অভিধানে ঈদ বলতে বুঝায় : কোন মর্যাদাবান ব্যক্তি অথবা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমবেত হওয়ার দিন বা স্মৃতিচারণের দিবসই ঈদ।

 

‘মিলাদ’ বা ‘মিলাদুন্নবী’ বলতে শুধুমাত্র নবীজী (স.)-এর জন্মের সময়ের আলোচনা, জীবনী পাঠ, তাঁর বাণী, তাঁর শরিয়ত বা তাঁর হাদিস আলোচনা, তাঁর আকৃতি-প্রকৃতি আলোচনা, তাঁর উপর একাকী বা সম্মিলিতভাবে দরুদ শরীফ পাঠ, সালাম পাঠ, কিয়াম করা ইত্যাদিকে বুঝায়।
বাংলাদেশে এই দিনটিকে “ঈদে- মিলাদুন্নবী” হিসেবে বলা হলেও অন্যান্য জায়গায় ভিবিন্ন নামে অভিহিত করা হয়ে থাকে। যেমন – পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমগন এই দিনটিকে “নবী” দিবস হিসেবে আখ্যায়িত করে থাকেন।

ঈদে-মিলাদুন্নবী পালনকারী দেশসমূহ :

বাংলাদেশ,আফগানিস্তান,আলজেরিয়া,বাহরাইন, ব্রুনাই,বুরকিনা,ফাসো,মিশর,গাম্বিয়া,ভারত, ইন্দোনেশিয়া,ইরান,ইরাক,জর্দান,কুয়েত, লিবিয়া,লেবানন,মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, মালি, মৌরিতানিয়া,মরক্কো,নাইজার,ওমান নাইজেরিয়া,পাকিস্তান, সেনেগাল, সোমালিয়া, সুদান, তিউনিসিয়া এবং ইয়েমেনসহ সারা বিশ্বের মূলধারার সুন্নি ইসলাম, শিয়া ইসলাম এবং ইসলামের অন্যান্য শাখার অনুসারীগণ ঈদে মিলাদুন্নবী পালন করে থাকেন এবং এ দিনটি সরকারি ছুটির দিন হিসেবে উৎযাপিত হয়।

ইতিহাস, তাৎপর্য, গুরুত্ব, ফজিলত ও করণীয়ঃ

ঈদে-মিলাদুন্নবী উদযাপন করার সরাসরি উদাহরণ আমরা পবিত্র কুরআনে দেখতে পাই। যেমনঃ আল্লাহ তাআলার অনুগ্রহ কামনা করে হযরত ঈসা (আ.) যে দোয়া করেছিলেন তা প্রণিধানযোগ্য। এরশাদ হচ্ছে –
‘ঈসা ইবনে মারইয়াম বলল : হে আল্লাহ! আমাদের প্রভু! আমাদের জন্য ঊর্ধজগৎ হতে খাদ্যপূর্ণ খাঞ্চা প্রেরণ করুন , এটা হবে আমাদের ও আমাদের পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী সকলের জন্য ঈদস্বরূপ আর আপনার অন্যতম নিদর্শন ‘। (সূরা মায়িদা : ১১৪)

মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে খাঞ্চা ভরা খাদ্য পেলে তা যদি হযরত ঈসা (আ.)-এর ভাষায় সৃষ্টির আদি হতে অন্ত পর্যন্ত আনন্দোৎসবের কারণ ও আল্লাহ তাআলার নিদর্শন হয় তাহলে সৃষ্টির সেরা মানব, রহমতের ভাণ্ডার রাসূলে পাক (স.)-এর মতো এ মহান নেয়ামতের আগমন দিবস কতই না মর্যাদাবান, গুরুত্ববহ, ও কতই না আনন্দের তা সহজেই অনুমেয়। মহান আল্লাহ তায়ালা আরোও বলেন .. ‘(হে রাসূল!) বলুন – আল্লাহর অনুগ্রহে ও তাঁর দয়ায়। সুতরাং এতে তারা আনন্দিত হোক’ (সূরা ইউনুছ : ৫৮)
হযরত ইমাম বুখারী (রহ.) বর্ণনা করেন : ‘আবু লাহাবের মৃত্যুর পর তার বংশের একজন স্বপ্নে তাকে খুবই খারাপ অবস্থায় দেখে জিজ্ঞেস করল, আপনার অবস্থা কি? সে জবাবে বলল, তোমাদেরকে ছেড়ে আসার পর আমার কল্যাণজনক কিছুই হয়নি, হ্যাঁ এই আঙ্গুল (শাহাদাত অঙ্গুলি) দ্বারা পানি (জান্নাতি নেয়ামত)পাই। কারণ এ আঙ্গুলের ইশারায় আমি দাসী সুয়াইবাকে মুক্তি দিয়েছিলাম।’

এই হাদীসের ব্যাখ্যায় আল্লামা ইবনে হাজার আসকালানী (রহ.) তাঁর বিশ্ববিখ্যাত গ্রন্থ ফাতহুল বারী এবং আল্লামা বদরুদ্দিন আইনী (রহ.) তাঁর রচিত ‘আইনী গ্রন্থে’ বর্ণনা করেন : ইমাম সুহাইলী (রহ.) উল্লেখ করেন যে, হযরত আব্বাস (রা.) বলেন ‘আবু লাহাবের মৃত্যুর এক বছর পর তাকে স্বপ্নে দেখি যে, অত্যন্ত দুরবস্থার মাঝে পতিত রয়েছে। সে বলল, ‘তোমাদের কাছ থেকে বিদায় নেয়ার পর আমি শান্তির মুখ দেখিনি তবে প্রতি সোমবার আমার আযাব লাঘব করা হয়।’ হযরত আব্বাস (রা.) বলেন : ‘তার এ আযাব লাঘবের কারণ হলো রাসূলে পাক (স.)-এর জন্মদিন ছিল সোমবার। তাঁর জন্মের সুসংবাদ নিয়ে আসায় দাসী সুয়াইবাকে খুশি হয়ে মুক্তি দেয়। (ফাতহুল বারী, ৯ম খ-, পৃ. ১১৮; আইনী, ২০/৯৫)

অতএব , যে কাফের সম্পর্কে কুরআন মজীদে সরাসরি সূরা নাযিল হয়েছে :
‘ধ্বংস হয়েছে আবু লাহাবের দু’হাত এবং সে নিজেও, সে যদি একজন কাফের হওয়া সত্ত্বেও ঈদে-মিলাদুন্নবী (স.)-এর খুশির কারণে তার প্রতি সোমবার আযাব লাঘব হয়, শাহাদাত অঙ্গুলি দিয়ে পানি (জান্নাতি নেয়ামত) বের হয়- যা খেয়ে সে তৃপ্ত হয় তাহলে একজন মুসলমান ঈদে- মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন ও আনন্দানুষ্ঠান করলে তাতে রহমত, বরকত লাভ এবং আযাব থেকে মুক্তিলাভের এক বিরাট সুযোগ পেতে পারে তা যে কোন বিবেকবান ব্যক্তি সহজেই অনুধাবন করতে পারে। কবি শেখ সাদী (রহ.)-এর ভাষায় :
‘বন্ধুদের বঞ্চিত করার প্রশ্নই আসে না, তুমি তো এমন সত্তা যে, দুশমনের দিকেও লক্ষ্য রাখ’

ঈদে মিলাদুন্নবীর ইতিহাস:

পবিত্র ১২ রবিউল আউয়াল বিশ্ব ভুবনের জন্য নিঃসন্দেহে রহমত ও বরকতময়। নবী (স.) এর আগমনের দিনে বিশ্বের কোটি কোটি ধর্মপ্রাণ মুসলমান অত্যন্ত আদব ও সম্মানের সঙ্গে প্রিয় নবীর আগমনক্ষণে বিভিন্ন নাতে রাসুল, জশনেজুলুস, মিলাদ মাহফিল ইত্যাদির মাধ্যমে তাঁর জন্মসংশ্লিষ্ট বিষয়াদি স্মরণ করে তথা শানে রিসালাতের অনুপম আদর্শ ও শিক্ষার ওপর সারগর্ভ আলোচনার মাধ্যমে কৃতজ্ঞতাস্বরূপ আনন্দ ও খুশি উদযাপন করে। হিজরী ৪র্থ শতাব্দীর মাঝামাঝি থেকে ঈদে-মিলাদুন্নবীর প্রচলন শুরু হয়। ইরাক অঞ্চলের ইরবিল প্রদেশের আবু সাঈদ কুকবুরী (র.) ঈদে-মিলাদুন্নবীকে মুসলিমবিশ্বের অন্যতম উৎসব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন। জানা যায়, ৭ম হিজরী থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মিলাদ উদযাপন শুরু হয়। মিলাদের উপর সর্বপ্রথম গ্রন্থ রচনা করেন আবুল খাত্তাব ওমর ইবনে হাসান ইবনে দেহিয়া আল কালবী (র.)।

ঈদে-মিলাদুন্নবীর তাৎপর্য ও ফজিলত:

বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (স.)-এর প্রতি মহব্বত ও ভালোবাসা পোষণ করা ইমানের পূর্বশর্ত। এটি আল্লাহর মহব্বত ও ভালোবাসাপ্রাপ্তির একমাত্র মাধ্যম । রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ ততক্ষণ ইমানদার হবে না যতক্ষণ তার পিতা-মাতা, সন্তান-সন্ততি ও সব মানুষের চেয়ে আমি বেশি আপন / প্রিয় না হই।’ (আল হাদীস)।
নবীজি সম্পর্কে আল্লাহর হুকুম কী, সেই জ্ঞান অর্জন করে সেভাবে ইবাদত করতে হবে। মহান রাব্বুল আলামিন নবীজির শান বুলন্দ করে বলেন- হে মাহবুব! আপনি বলে দিন, ‘হে মানব জাতি! যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবেসে থাকো তবে আমার অনুসারী হয়ে যাও, (ফলে) আল্লাহ তায়ালা তোমাদের ভালোবাসবেন এবং তোমাদের গুনাহ্ ক্ষমা করবেন । নবী (স.) এর ইত্তিবা ও সর্বাঙ্গীণ অনুসরণ আমাদের কর্তব্য। আল্লাহ তায়ালা কোরআন মাজিদে উল্লেখ করেছেন, ‘বলুন তোমরা যদি আল্লাহকে মহব্বত করে থাকো তাহলে তোমরা আমার ইত্তিবা ও অনুসরণ কর তবে আল্লাহ তায়ালা তোমাদের ভালোবাসবেন এবং তোমাদের পাপগুলো ক্ষমা করবেন। আল্লাহ মহাক্ষমাশীল ও অপার দয়ালু।’ (সূরা আলে ইমরান : ৩১)।
অন্যত্র আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর এবং রসুলের আনুগত্য কর তাহলে তোমরা দয়াপ্রাপ্ত হবে। ’ (সূরা আলে ইমরান : ১৩২)।
প্রিয় নবী (স.)-এর অনুপম আদর্শ অনুসরণ করা প্রসঙ্গে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘নিশ্চয়ই রসুলের মধ্যে তোমাদের জন্য রয়েছে উত্তম আদর্শ তোমাদের মধ্যে যারা আল্লাহ তায়ালা ও আখিরাতকে ভয় করে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে । ’ (সূরা আহজাব : ২১)।

ঈদে-মিলাদুন্নবীর দিনে করণীয় :

বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা বহু বছর ধরে পবিত্র ‘১২ রবিউল আউয়াল’ দয়াল নবীজির পবিত্র বেলাদত (শুভাগমন) দিবস উপলক্ষে অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে মিলাদুন্নবী, জশনে-জুলুস ইত্যাদি পালন করে আসছে, যা শরিয়তের দৃষ্টিতে বেদায়াতে হাছানা ও মোস্তাহাব। উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য এসব অনুষ্ঠানের মাধ্যমে হুজুর (স.)-এর প্রতি যথাযোগ্য সম্মান, দরুদ ও সালাম পেশ করা অতি উত্তম ইবাদত। প্রিয় নবী (স.)-এর শুভাগমনে অকৃপণ ও বিশাল উদারতায় আনন্দ প্রকাশ করা আমাদের জন্য পরম কল্যাণকর। এই দিনে স্মরণসভা, আলোচনা সভা, সেমিনার, কোরআনখানি, দোয়া মাহফিল, মিলাদ মাহফিল ইত্যাদি অনুষ্ঠান উদযাপনের মাধ্যমে ওই স্মরণীয় দিবসের ইতিহাস, গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরার মধ্যে বিবিধ উপকার ও কল্যাণ নিহিত রয়েছে। এসব অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে মুসলিম সমাজ একদিকে ধর্মীয় দিবসের তাৎপর্য ও প্রকৃত শিক্ষা অনুধাবনে এবং এ আদর্শের যথার্থ অনুসরণ, প্রয়োগ ও বাস্তবায়নে একটি আদর্শ, শান্তিপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণে সক্ষম হবে, অন্যদিকে এসব কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলির প্রকৃত ইতিহাস জানার ও সংরক্ষণের সুযোগ পাবে।

পরিভাষায় বললে, হজরত মুহাম্মদ (স.) এর শুভাগমন স্মরণে খুশি প্রকাশ করে মিলাদ শরিফ, মাহফিলের ব্যবস্থা করা, শান-মান, মর্যাদা-মর্তবা আলোচনা করা, কোরআন তেলাওয়াত, দরুদ শরিফ পাঠ, তাওয়াল্লুদ বা জন্মকালীন ঘটনা মজলিস করে আলোচনা করা, দাঁড়িয়ে সালাম, কাসিদা বা প্রশংসামূলক কবিতা, ওয়াজ-নসিহত, দোয়া-মোনাজাত, সম্ভবমতো মেহমান নেওয়াজির সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠান করা।

বাংলাদেশে ঈদে-মিলাদুন্নবী পালনঃ

বাংলাদেশে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা এবং ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিগন
ঈদে-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন করেন। মসজিদে মসজিদে, নিজ নিজ বাসায় কোরআন খতম ও জিকির আজগারের মাধ্যমে মহান রাব্বুল আলামিন এবং মহানবী (স.)-এর বিশেষ রহমত কামনা করেন।
পবিত্র ঈদে-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে রাষ্ট্রপ্রধানসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ পৃথক পৃথক বাণী দিয়ে থাকেন। এদিন তারা দেশবাসীসহ বিশ্বের মুসলিম উম্মাহ’র প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং মোবারকবাদ জানিয়ে থাকেন এবং বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে পক্ষকালব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়ে থাকে।
প্রতি বছর হিজরি বর্ষ অনুযায়ী আরবি ১২ রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদ-মিলাদুন্নবী (স.) পালন করা হয়। এ বছর পবিত্র ঈদে-মিলাদুন্নবী ১২ রবিউল আউয়াল ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, রোজ (শনিবার) পালিত হবে।
পরিশেষেঃ ঈদে-মিলাদুন্নবী (স.)-এর মাসে আমরা আমাদের নবীপ্রেমকে শাণিত করি। মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে লাখো কোটি শুকরিয়া জ্ঞাপন করি এবং প্রিয় নবী (স.)-এর অনুসরণে জীবনযাপন করে ইহকালীন-পরকালীন কামিয়াবি অর্জন করি। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সেই তাওফিক দান করুন। আমিন।

লেখক –
মো. আতাউর রহমান খান আলম
শিক্ষক
বৈদারাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় – ঝালকাঠি সদর।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো পড়ুন