1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
  2. sajidahmed848000@gmail.com : Sahol Ahmed : Sahol Ahmed
লালমোহনে আসামি গ্রেপ্তার করতে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news লালমোহনে আসামি গ্রেপ্তার করতে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে চ্যাম্পিয়ন লালমোহনের হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মনপুরা মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজে সবক ও দোয়া- মিলাদ অনুষ্ঠিত। মনপুরায় জাল পাতা নিয়ে সংঘর্ষ, ১০ জেলে আহত কলাপাড়ায় বন্দোবস্ত পাওয়া জমিজমার দখল ঠেকাতে ভূমিহীনসহ স্থানীয়দের মানববন্ধন লালমোহনে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নির্মাণ শ্রমিক নিহত কালাইয়া বিএনপির সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে জমি দখল ও বসতবাড়িতে হামলার অভিযোগ জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র গেলন যুবদল সম্পাদক এমপি নয়ন তজুমদ্দিনে অস্ত্রসহ তিনজনকে আটক লালমোহনে জমি নিয়ে বিরোধে হামলার অভিযোগ, আহত ১ বাউফলে প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

লালমোহনে আসামি গ্রেপ্তার করতে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ

দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্কঃ
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬
  • ১২২ বার পঠিত
Spread the love

দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্কঃ

ভোলার লালমোহন উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নে মামলার আসামি গ্রেপ্তার করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছে থানা পুলিশ। এ সময় পুলিশের কাছ থেকে এক আসামিকে মব সৃষ্টি করে ছিনিয়ে নেয় একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী গ্রুপ । একই সঙ্গে মামলার বাদীর দুই স্বজনকে মারধরের অভিযোগও উঠেছে।

পরে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের হস্তক্ষেপে ছিনিয়ে নেওয়া ১ আসামিসহ মব সৃষ্টি করা ২ জনকে থানায় সোপর্দ করা হয়।

ঘটনাটি বুধবার (৩ জুন) রাতে ঘটে। বিষয়টি জানার পর স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তার নির্দেশনায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাফর ইকবাল থানায় গিয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন এবং হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। ঘটনাটি পুলিশ সদর দপ্তর থেকেও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

জানা গেছে, গত সোমবার (১ জুন) বিকেলে কলেজ শিক্ষার্থী সালমান (২০) লাঠিয়াল বাজার এলাকায় তার চাচা আনোয়ার মীরের বাসার সামনে ক্রিকেট খেলা দেখতে যান। এ সময় প্রতিবেশী জাকির জমাদারের ছেলে ইমন জমাদার এবং স্থানীয় জয়নাল জমাদারের নেতৃত্বে জাহিদ খলিফা, সাকিব জমাদার, রাজিব জমাদার, জহির জমাদার ও বাবুল জমাদারসহ একদল যুবক তাকে ক্রিকেট স্টাম্প দিয়ে মারধর করে। এতে সালমানের দুই হাত ভেঙে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠানো হয়।

এ ঘটনায় সালমানের বাবা বাদল হোসেন মীর বাদী হয়ে আটজনকে আসামি করে লালমোহন থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার পর বুধবার (৩ জুন) রাতে এসআই জিল্লুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশ আসামি ইমনকে আটক করলে তাদের সহযোগীরা সংঘবদ্ধ হয়ে পুলিশের কাজে বাধা দেয়। একপর্যায়ে তারা পুলিশের ওপর মব সৃষ্টি করে হামলা চালিয়ে আটক আসামিকে ছিনিয়ে নেয় এবং পুলিশ সদস্যদের অবরুদ্ধ করে রাখে।

একই সময়ে মামলার বাদীর বাড়িতে বেড়াতে আসা তার ভগ্নিপতি ও ভাগ্নেকে ধরে নিয়ে মারধর করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, তাদের ‘চোর’আখ্যা দিয়ে স্থানীয়ভাবে মব সৃষ্টি করা হয়। পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের কঠোর অবস্থানের মুখে স্থানীয় বিএনপি নেতা ফয়সাল তালুকদার রাতেই ছিনিয়ে নেওয়া আসামি ও মব সৃষ্টিকারী ২ জনকে থানায় হস্তান্তর করেন। পরদিন তাদের আদালতে পাঠানো হলে আদালত জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

স্থানীয় বিএনপি নেতা ফয়সাল তালুকদার বলেন, ঘটনার কথা জানার পর রাতেই ১ আসামি ও মবসৃষ্টিকারী ২ জনকে থানায় হস্তান্তর করেছি। বাদীপক্ষের দুই স্বজনকে মারধরের বিষয়টি সকালে জানতে পেরেছি। বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে।

লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, কলেজ শিক্ষার্থীকে মারধরের মামলার আসামিদেরকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে কিছুটা অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। তবে পুলিশের দৃঢ় অবস্থানের কারণে হামলাকারীরা পিছু হটতে বাধ্য হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

পুলিশের একটি সূত্র জানায়, আসামিদের সহযোগীরা নিজেদের বিএনপির কর্মী-সমর্থক পরিচয় দিয়ে মব তৈরি করে আটক আসামিদের ছিনিয়ে নেয়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ স্থানীয় বিএনপি নেতাদের পুলিশকে সহযোগিতার নির্দেশ দেন এবং পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) এইচ এম শাহাদাৎ হোসেন বলেন, লালমোহনের ঘটনায় স্থানীয় থানার ওসির সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। আসামি গ্রেপ্তারের সময় পুলিশের ওপর হামলার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে। মামলার বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো পড়ুন