
তৌহিদ হোসেন উজ্জ্বল ,বাউফল
পটুয়াখালীর বাউফল উপজলার কেশবপুর ইউনিয়নের ২৯ নং পশ্চিম ভরিপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়র নির্মাণকাজ অনিয়মর অভিযাগ পাওয়া গছ। বিষয়টি নিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্য ক্ষোভর সষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২০-২০২১ ইং অর্থ বছর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) পিইডিপি-৪ প্রকল্পর অর্থায়ন ওই বিদ্যালয় একটি নতুন ভবন নির্মানর উদ্যাগ নেয়। দরপত্র প্রক্রিয়া শেষ মোট ৯৫ লক্ষ ৭১ হাজার টাকার চুক্তিতে সোনালী এটারপ্রাইজ নামের একটি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেয়া হয়। কার্যাদেশ দেওয়ার পর থেকে ৩ বার প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মেয়াদকাল বাড়ানো হয়েছে। চুক্তি মোতাবক ৪ তলা ভীত ও ৪টি শ্রণী কক্ষ নির্মাণর কথা রয়েছে। কয়কদিন আগে প্রকল্পর বেজমেট ও শর্ট কলাম নির্মানর সময় শাটারিংয় ষ্টিল কাঠামার পরিবর্ত কাঠর সাপার্ট ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে কাজের ফিনিশিংয়ে ব্যাপক ত্রুটি দেখা গেছে। এছাড়া নির্মাণকাজে নিম্মমানের বালু ও পাথর ব্যবহার করায় প্রকল্পর স্থায়ীত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নির্মাণের সময় সঠিক নিয়ম কিউরিং করা হয়নি। ঢালাইয়ের সময় এলজিইডির কোন কর্মকর্তাকে সাইটে দেখা যায়নি। ফলে শ্রমিকরা যনতনভাব কাজ করেছেন। এর আগ ২০০৩ সাল ওই বিদ্যালয় একটি ভবন নির্মাণও ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। নির্মাণর মাত্র কয়ক মাসর মাথায় ভবনটির বিভিন স্থানে ফাটল তৈরি হয়েছে। পঞ্চম শ্রনীর একাধিক শিক্ষার্থী জানায়, পুরানা ভবনটির বয়স ২ যুগ পার হয়নি। এরই মধ্য শ্রেণী কক্ষগুলা ব্যবহার অনুপযাগী হয়ে পড়েছে। তাছাড়া নতুন ভবন নির্মাণর ক্ষেত্রে কোনো তদারকি না থাকায় শ্রমিকরা নিজদের খেয়াল খুশি অনুযায়ী কাজ করছেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বলেন, পুরানা ভবনটি নির্মাণ অনিয়ম হওয়ায় বীম ফেটে গেছে। মেঝ দেবে গেছে। নতুন ভবনটি নির্মাণের ক্ষেত্রে এভাবে অনিয়ম হলেতো কয়ক বছর পর এটাও ব্যবহার করা যাব না।
খলিলুর রহমান নামের এক অভিভাবক বলন, সিডিউল অনুযায়ী কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কতপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। অনিয়মর অভিযাগ অস্বীকার করে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানর প্রতিনিধি সোহাগ বলেন, সিডিউল মেনই প্রকল্পটির কাজ চলছে। প্রকল্পটি তদারকির দায়িত্ব থাকা বাউফল এলজিইডির উপ সহকারি প্রকশলী হুমায়ন কবির বলেন, সঠিক নিয়মে প্রকল্পটির কাজ চলছে, কোনো অনিয়ম হয়েছে বলে আমার কাছে কেউ অভিযাগ দেয়নি। এ প্রসঙ্গে এলজিইডির বাউফল উপজেলা প্রকশলী মানিক হোসেন বলেন, আমি সদ্য যোগদান করছি। স্কুল ভবন নির্মাণের কাজে কোনো অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।